php glass

জামিন পাননি এনামুল বাছির, আবেদন ফেরত

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

খন্দকার এনামুল বাছির। ছবি: সংগৃহীত

walton

ঢাকা: ঘুষ কেলেঙ্কারির মামলায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সাময়িক বরখাস্ত হওয়া পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরের জামিন আবেদন ফেরত দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি ফরিদ আহমেদ ও বিচারপতি এএসএম আব্দুল মোবিনের হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) এ আবেদন ফেরত পাঠান। তবে, আবেদনটি অন্য বেঞ্চে ফের উপস্থাপন করা যাবে।

এদিন আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম।

এর আগে, গত ২২ জুলাই দিনগত রাত পৌনে ১১টার দিকে দুদকের পরিচালক ফানাফিল্লাহর নেতৃত্বে একটি টিম মিরপুরের দারুস সালাম এলাকা থেকে এনামুল বাছিরকে গ্রেফতার করে। পরের দিন জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ কে এম ইমরুল কায়েস তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এছাড়া, আসামি এনামুল বাছিরকে ডিভিশন দেওয়ার জন্য আবেদন করলে আদালত কারা কর্তৃপক্ষকে জেল কোড অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে বলেন।

অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন, কমিশনের তথ্য পাচার ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে দুদক পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে এর আগে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে সংস্থাটি।

গত ১৬ জুলাই ৪০ লাখ টাকার ঘুষ কেলেঙ্কারির অভিযোগে পুলিশের বরখাস্ত উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমান ও  দুদক পরিচালক এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয় ১-এ দুদকের পরিচালক ও অনুসন্ধান দলের নেতা শেখ ফানাফিল্লাহ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

জানা গেছে, পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানকে দায়মুক্তি দিতে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার জন্য ‘চুক্তি’ করেন খন্দকার এনামুল বাছির। সঙ্গে দাবি করেন একটি গ্যাসচালিত গাড়ি।

৪০ লাখ টাকার মধ্যে ২৫ লাখ টাকা গত ১৫ জানুয়ারি রমনা পার্কে বাজারের ব্যাগে করে নগদ নিয়েছেন দুদকের বরখাস্ত হওয়া এ পরিচালক। তিনি দুদকের অনুসন্ধান ও তদন্ত-২ অনুবিভাগের দায়িত্বে ছিলেন।

এদিকে, ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ পেয়েই নড়েচড়ে বসে দুদক। এ ঘটনা তদন্তে কমিশনের সচিব দিলওয়ার বখতকে প্রধান করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করেই খন্দকার এনামুল বাছিরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরে, অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন দেওয়া হয়।

খন্দকার এনামুল বাছির ১৯৯১ সালে অ্যান্টিকরাপশন অফিসার (এসিও) হিসেবে তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরোতে যোগ দেন। দুর্নীতি দমন কমিশন গঠিত হওয়ার পর তিনি সহকারী পরিচালক, উপ-পরিচালক ও পরিচালক হিসেবে পদোন্নতি পান।

দুদকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ডিআইজি মিজান পুলিশের উচ্চপদে থেকে তদবির, নিয়োগ, বদলিসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতিতে জড়িয়ে শত কোটি টাকার মালিক হওয়ার অভিযোগ পায় দুদক। অভিযোগ যাচাই-বাছাই শেষে অনুসন্ধানের জন্য গত বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি কমিশনের উপ-পরিচালক ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারীকে অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়। পরে, ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারীকে বাদ দিয়ে এ ঘটনা তদন্তের দায়িত্ব পান এনামুল বাছির।

বাংলাদেশ সময়: ১৫০১ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ০৩, ২০১৯
ইএস/একে

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন: দুদক
ksrm
শনিবার জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাবে ছাত্রদল
ভবন থেকে পড়ে উপ-সচিবের গাড়ি চালকের মৃত্যু
কোম্পানীগঞ্জে অপহৃত স্কুলছাত্রী খাগড়াছড়ি থেকে উদ্ধার
আইজিসিসির আয়োজনে গাইলেন অদিতি মহসিন
রাস্তা খালি করতে দুই মোটরসাইকেল এসকর্ট রেখেছিলেন শামীম


‘ক্ষেপ’ বন্ধ করতে পয়েন্ট আনলো পাঠাও
আবুধাবি পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
ভুটানকে হারালো বাংলাদেশের কিশোররা
বিখ্যাত লেখক স্টিফেন কিংয়ের জন্ম
বসুন্ধরা কিংস একাডেমি কাপ ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন যশোর