php glass

ফেরিঘাটে স্কুলছাত্রের মৃত্যু: ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

তিতাস ঘোষ

walton

ঢাকা: কাঁঠালবাড়ি ঘাটে ফেরিতে অ্যাম্বুলেন্সে স্কুলছাত্র তিতাস ঘোষের মৃত্যুর ঘটনায় তিন কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) মানবাধিকার সংগঠন লিগ্যাল সাপোর্ট অ্যান্ড পিপলস রাইটস’র চেয়ারম্যান ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. জহির উদ্দিন লিমন জনস্বার্থে এ রিট করেন। বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চে এ রিটের ওপর শুনানি হতে পারে।

আবেদনে তিতাস ঘোষের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল, দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং যেকোনো মুমূর্ষু রোগীর ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ফেরি পারাপার নির্বিঘ্ন করার আর্জি জানানো হয়েছে।

নৌপরিবহন সচিব, সড়ক পরিবহন ও সেতু সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান, যুগ্ম সচিব আবদুস সবুর মণ্ডল, মাদারীপুরের ডিসি, পুলিশ সুপার, কাঁঠালবাড়ি ফেরি ঘাটের ব্যবস্থাপক সালাম হোসাইন মিয়া ও কাঁঠালবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বিবাদী করা হয়েছে।
 
মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নড়াইল কালিয়া পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র তিতাস ঘোষ (১১) গুরুতর আহত হয়। ওই সময় তাকে খুলনার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তার পরিবার আইসিইউ সম্বলিত একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) তাকে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন।

রাত ৮টার দিকে কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া নৌ-রুটের শিবচরের কাঁঠালবাড়ি ১ নম্বর ভিআইপি ফেরিঘাটে পৌঁছায় অ্যাম্বুলেন্সটি। তখন কুমিল্লা নামে ফেরিটি ঘাটে যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় ছিল। সরকারের এটুআই প্রকল্পের যুগ্ম সচিব আবদুল সবুর মণ্ডল পিরোজপুর থেকে ঢাকা যাবেন তাই ওই ফেরিকে অপেক্ষা করার জন্য জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে ঘাট কর্তৃপক্ষকে বার্তা পাঠানো হয়।

তিন ঘণ্টা অপেক্ষার পর ফেরিতে ওঠে অ্যাম্বুলেন্সটি। কিন্তু এর মধ্যে মস্তিষ্কে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়ে মাঝপদ্মায় অ্যাম্বুলেন্সেই মারা যায় স্কুলছাত্র তিতাস।

পরিবারের অভিযোগ, তিতাসকে বাঁচাতে তারা ফোন করেন জরুরি নম্বর ৯৯৯-এ। সাহায্য চান ঘাটে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদেরও। কিন্তু কারও অনুরোধই রাখেননি ঘাট কর্তৃপক্ষ। বিআইডব্লিউটিসির কাঁঠালবাড়ি ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক আব্দুস সালাম মিয়া বলেন, ‘পদ্মায় স্রোতের কারণে ১৮টি ফেরির মধ্যে মাত্র ৮টি ফেরি চলাচল করছিল। দ্রুত পারাপারের কথা বিবেচনা করে ওই অ্যাম্বুলেন্সটিকে ভিআইপি ফেরিতে ওঠানো হয়। তবে ফেরি ছাড়তে স্বাভাবিকের খুব বেশি দেরি করা হয়নি।

জেলা প্রশাসক ওয়াহিদুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে পারাপারের ব্যাপারে আমি ফেরি কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিলাম। ১ নম্বর ঘাট দিয়ে জরুরি অ্যাম্বুলেন্স এবং সরকারি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা পার হয়ে থাকেন। তবে সেখানে মুমূর্ষু রোগীর ব্যাপারে ব্যবস্থা না নিয়ে যদি ফেরি ছাড়তে দেরি করা হয় তাহলে কর্তৃপক্ষ ভুল করেছে।’

বাংলাদেশ সময়: ১৩১২ ঘণ্টা, জুলাই ৩০, ২০১৯
ইএস/জেডএস

ksrm
নৌবাহিনী প্রধানের সঙ্গে ভারতীয় নৌপ্রধানের সাক্ষাৎ
‘আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে মানুষের আস্থা বাড়বে’
প্রধানমন্ত্রী ক্ষিপ্ত হয়েছিলেন…
‘মাদকাসক্ত’র কাণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রে প্লেনের জরুরি অবতরণ
সুনামগঞ্জে ব্যবসায়ী হত্যা মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন


পঞ্চমবার রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী সংস্থা সভাপতি তপন মাহমুদ
চার ক্লাবেই ক্যাসিনো খেলার সরঞ্জাম, অভিযান চলবে
‘উপসাগর’ থেকে বিদেশিদের দূরে থাকার হুঁশিয়ারি রুহানির
ফরহাদ রহমানের বিরুদ্ধে ‘ষড়যন্ত্রের’ প্রতিবাদে সমাবেশ
ঢাকায় দুদুর মামলার আদেশের তারিখ পেছালো