php glass

দণ্ডিত হাইকোর্টের প্রশাসনিক কর্মকর্তা বরখাস্ত

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

walton

ঢাকা: দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলায় দণ্ডিত সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. গোলাম ফারুককে বরখাস্ত করার আদেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। 

বৃহস্পতিবার (৩০ মে) এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।
 
হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার মো. গোলাম রব্বানী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. গোলাম ফারুককে দুর্নীতি দমন কমিশনের রমনা থানায় করা বিশেষ মামলায় দণ্ড প্রদান করা হয়। গণকর্মচারী (সাজাপ্রাপ্তিতে বরখাস্ত) অধ্যাদেশ ১৯৮৫ এর ৩ সাজাপ্রাপ্তির কারণে বরখাস্ত (১) বিদ্যমান অন্য যে কোনো আইনে অথবা বিধি, প্রবিধি, উপ-আইন, দলিলপত্র বা চুক্তি বা চাকরির শর্তাবলীতে যা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো কর্মচারী তফসিলে বর্ণিত ফৌজদারী অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত হলে, রায় বা সাজার আদেশ ঘোষণার তারিখ হতে তাৎক্ষণিকভাবে চাকরি হতে বরখাস্ত হিসেবে গণ্য হবেন। প্রধান বিচারপতির ২৮ মে’র এক আদেশে উক্ত সাজার তারিখ (৯ মে) থেকে আপনাকে (গোলাম ফারুক) অত্র কোর্টের চাকরি হতে বরখাস্ত করা হলো। 

গত ৯ মে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত ৫ এর বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান অবৈধ সম্পদ অর্জন মামলায় সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের কোর্ট কিপার শাখার এ প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে দুই ধারায় তিন বছর করে ও তার স্ত্রীকে তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন।
 
আসামি গোলাম ফারুককে কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৯০ লাখ ৫১ হাজার ২৯৬ টাকা অর্থদণ্ড এবং তার স্ত্রী সৈয়দা মমতাজকেও ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। দু’জনেই পালাতক রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ইস্যু করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, দুদক গোলাম ফারুককে সম্পদের বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দিলে তিনি তা দাখিল করেন। সম্পদ বিবরণী যাচাইকালে দুদক দেখে, গোলাম ফারুক তার নামসহ দুই স্ত্রীর নামে সর্বমোট ৩ কোটি ২৪ লাখ ৮৪ হাজার ৫০০ টাকার সম্পদের হিসাব দাখিল করেন। ১ কোটি ২৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা ঋণ রয়েছে বলে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে উল্লেখ করেন। 

গোলাম ফারুকের বিরুদ্ধে সর্বমোট ৭০ লাখ ৫১ হাজার ২৯৬ টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের সন্ধান পায় দুদক। তাকে সাহায্য করার অপরাধে ২০১২ সালের ১৪ জুন গোলাম ফারুকের স্ত্রী সৈয়দা মমতাজের বিরুদ্ধে রমনা থানায় মামলা দায়ের করেন দুদকের উপ-পরিচালক মোজাহার আলী সরদার।

পরবর্তীতে তিনিই মামলাটি তদন্ত করে ২০১৩ সালে ২ জুন আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন। ৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে রায় দেন আদালত।

বাংলাদেশ সময়: ১৩৫৭ ঘণ্টা, মে ৩০, ২০১৯
ইএস/এইচ/

শহীদ জননী জাহানারা ইমামের প্রয়াণ
সাভারে ইজিবাইকের ধাক্কায় বৃদ্ধা নিহত
দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে ম্যাচ সেরা অ্যারন ফিঞ্চ
ইংলিশদের হারিয়ে সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়া
কান্তজিউ মন্দির পরিদর্শনে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত


৪ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানকে অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী
ইফা ডিজির ক্ষমতা খর্ব, স্বস্তিতে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা
দিনাজপুরে বজ্রপাতে ৩ জনের মৃত্যু
‘বাজেট বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে জবাবদিহি করতে হবে’
সেমি আর টিকে থাকার লড়াইয়ে নিউজিল্যান্ড-পাকিস্তান