সাগর-রুনি হত্যা মামলা

২০ নভেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ফাইল ছবি

walton

মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক গোলাম মোস্তফা সারোয়ার ওরফে সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার সিনিয়র রিপোর্টার মেহেরুন নাহার রুনা ওরফে মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২০ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

ঢাকা: মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক গোলাম মোস্তফা সারোয়ার ওরফে সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার সিনিয়র রিপোর্টার মেহেরুন নাহার রুনা ওরফে মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২০ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

রোববার (০৯ অক্টোবর) মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোনো প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ মাযহারুল ইসলাম এ দিন ধার্য করেন।

মামলার নথি পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত সাড়ে ৪ বছরে ম্যাজিস্ট্রেট ৫২ বার পুলিশ প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সময় বেধে দিয়েছেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে স্বশরীরে তলব করে এর অগ্রগতি জানতে চেয়েছেন। দীর্ঘসূত্রিতায় বিচার বিলম্বিত হচ্ছে উল্লেখ করে দ্রুত চার্জশিট দাখিলের তাগাদা দিয়েছেন। তবু মামলার তদন্তে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। 

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে নিজ ভাড়া বাসায় খুন হন সাংবাদিক দম্পত্তি সাগর-রুনি। 

ঘটনার ৮ মাস পর ২০১২ সালের ১০ অক্টোবর বনানী থানার একটি হত্যা ও ডাকাতি মামলায় গ্রেফতার থাকা ৫ আসামি মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু, বকুল মিয়া, কামরুল হাসান অরুন, রফিকুল ইসলাম ও আবু সাঈদকে গ্রেফতার দেখিয়ে এ মামলায় রিমান্ড চাওয়া হয়।

এছাড়া ওইদিনই আরও দুই আসামি রুনির কথিত বন্ধু তানভীর রহমান ও বাড়ির দারোয়ান পলাশ রুদ্র পালকে গ্রেফতার এবং পরবর্তীতে অপর দারোয়ান আসামি এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবিরকে গ্রেফতার করা ছাড়া গত সাড়ে চার বছরে মামলার তদন্তে দৃশ্যত কোনো অগ্রগতি নেই।

তদন্তের দীর্ধসূত্রিতায় কয়েক আসমি ইতোমধ্যেই জামিনে পেয়েছেন। সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের পর হাইকোর্টের নির্দেশে ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পায় র‌্যাব।

এরপর সাগর রুনির মরদেহ কবর থেকে তোলার আবেদন করে র‌্যাব। ২০১২ সালের ২৬ এপ্রিল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহিদুজ্জামানের উপস্থিতিতে সাগর-রুনির মরদেহ তোলা হয়। তাতে পরীক্ষা করে দেখা যায় নিহত সাগর-রুনিকে হত্যার আগে কোনো নেশাজাতীয় খাবার পানীয় দেওয়া হয়নি এবং কোনো বিষও পাওয়া যায়নি। 

এরপর ২০১২ সালের ৭ জুন থেকে ১১ অক্টোবর পর্যন্ত জব্দকৃত আলামতের সঙ্গে ম্যাচিং করার জন্য ৮ আসামি ও সন্দেহভাজন ২১ আত্মীয়ের নমুনা যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়। মূলত এরপরই মামলার তদন্তে স্থবিরতা নেমে আসে।

বাংলাদেশ সময়: ১৩৫২ ঘণ্টা, অক্টোবর ০৯, ২০১৬
এমআই/এসএইচ

সাইফের সিনেমার প্রচারণায় লারা
সুনামগঞ্জে চাচার হাতে ভাতিজা খুন
সৌন্দর্যের জগতে ফারহানা চৈতির বাধাহীন পথচলা
ফেনী ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষক-কর্মকর্তা নিয়োগ
ডিএনসিসির ৮ ভেন্যু থেকে করা হবে নির্বাচনী মালামাল বিতরণ


লালমনিরহাট কারাগারের জেলার আর নেই
খুবির মেডিক্যাল সেন্টারের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন
যশোরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ২ জন নিহত
বানরের খামচি খেয়ে যুব বিশ্বকাপ শেষ অজি ব্যাটসম্যানের
গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত রাজশাহীবাসী