php glass

গেরিলা বাহিনীর ২৩৬৭ জনকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতির নির্দেশ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়া ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টির গেরিলা বাহিনীর ২ হাজার ৩শ’ ৬৭ জন যোদ্ধাকে মুক্তিযোদ্ধার তালিকা থেকে বাদ দিয়ে জারি করা প্রজ্ঞাপন অবৈধ বলে ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট।

ঢাকা: একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়া ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টি ও ছাত্র ইউনিয়নের গেরিলা বাহিনীর ২ হাজার ৩শ’ ৬৭ জন যোদ্ধাকে মুক্তিযোদ্ধার তালিকা থেকে বাদ দিয়ে জারি করা প্রজ্ঞাপন অবৈধ বলে ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। ওই প্রজ্ঞাপন বাতিল করে তাদেরকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি এবং প্রাপ্য সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা ও ভাতা দিতেও সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন।   

এ বিষয়ে জারি করা রুলের নিষ্পত্তি করে বৃহস্পতিবার (০৮ সেপ্টেম্বর) এ রায় দেন বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

২০১৩ সালের ২২ জুলাই গেরিলা বাহিনীর ওই ২ হাজার ৩শ’ ৬৭ জন যোদ্ধাকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন- কমরেড মণি সিংহ, প্রফেসর মোজাফফর আহমেদ ও পঙ্কজ ভট্টাচার্য। পরবর্তীতে কোনো কারণ ছাড়াই ২০১৪ সালের ২৯ অক্টোবর আগের প্রজ্ঞাপন বাতিল করে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়, যেটিতে ওই গেরিলা যোদ্ধাদের মুক্তিযোদ্ধা তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়।

২০১৪ সালের ১১ ডিসেম্বর সরকারের তালিকা বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করেন ওই গেরিলা বাহিনীর ডেপুটি কমান্ডার ও ইউনাইটেড ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ঐক্য ন্যাপ) সভাপতি পঙ্কজ ভট্টাচার্য। পরে ওই রিটের শুনানি শেষে প্রজ্ঞাপনটিকে কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত বলে ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

রিট আবেদনে বলা হয়, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার পরপরই ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টি ও ছাত্র ইউনিয়নের নেতা ও সদস্যরা একটি বিশেষ গেরিলা বাহিনী গঠন করে জাতীয় মুক্তি সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারি গেরিলা বাহিনীর কমান্ডাররা ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে বঙ্গবন্ধুর কাছে অস্ত্র সমর্পণ করেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন অস্থায়ী সরকার এবং স্বাধীনতা উত্তর বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বাধীন সরকারসহ প্রতিটি সরকার এই বিশেষ গেরিলা বাহিনীকে মুক্তি সংগ্রামে অংশগ্রহণকারী  অন্যতম মুক্তি বাহিনী হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেছেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী। সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার উর্মি রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এএসএম নাজমুল হক।

সুব্রত চৌধুরী বলেন, যেদিন তারা তালিকাভূক্ত হয়েছেন, সেদিন থেকে তাদের স্বীকৃতি দিয়ে সকল সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে।
 
বাংলাদেশ সময়: ১৫২৭ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ০৮, ২০১৬
ইএস/এএসআর

বেতাগীতে ধর্ষণের অভিযোগে আইনজীবী গ্রেফতার
রোনালদো একজনই এবং তিনি ব্রাজিলিয়ান: ইব্রাহিমোভিচ
সৃজিতকে অভিনন্দন অনুপমের
সাকিবের পরিবর্তে বর্ষসেরা স্টোকস, সমালোচিত ভারত আর্মি
বান্দরবানে বেড়েছে শীত, গরম পোশাকের বাজার


নাগরিকত্ব বিল আর এনআরসি একই মুদ্রার দুই পিঠ: মমতা
ফুটবল খেলা বাঙালির রক্তের সঙ্গে মিশে আছে
নানা আয়োজনে যশোরে হানাদারমুক্ত দিবস পালন
বিএনপি আইন-আদালত মানে না: নাসিম
ডিসি হিল সংস্কৃতিচর্চার জন্য উন্মুক্ত করার দাবি