php glass

‘আর্মি রুলস ভঙ্গকারী অবৈধ দখলদার রাষ্ট্রপতি জিয়া’

ইলিয়াস সরকার, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জের রায়ে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে ‘একজন আর্মি রুলস ভঙ্গকারী অবৈধ দখলদার রাষ্ট্রপতি’ বলে উল্লেখ করেছেন হাইকোর্টের একজন বিচারপতি।

ঢাকা: সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জের রায়ে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে ‘একজন আর্মি রুলস ভঙ্গকারী অবৈধ দখলদার রাষ্ট্রপতি’ বলে উল্লেখ করেছেন হাইকোর্টের একজন বিচারপতি।

সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপিতে দ্বিমত পোষণকারী বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল এমন কথা বলেছেন।

ষোড়শ সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করে দুই বিচারপতির দেওয়া রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি গত ১১ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়। বৃহস্পতিবার (০৮ সেপ্টেম্বর) অবৈধ রায়ের সঙ্গে দ্বিমত পোষণকারী বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের রায় প্রকাশ পায়।

গত ৫ মে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী, বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে এ রায় ঘোষণা করেন। এতে বিচারপতি আশরাফুল কামাল ভিন্নমত পোষণ করেন।

গত ১১ আগস্ট দুই বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর বাকি বিচারপতির রায় প্রকাশ হলে একসঙ্গে দেখে এই রায়ের বিরুদ্ধে নিয়মিত আপিলের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বিচারপতি অপসারণের ক্ষমতা সংসদের কাছে ফিরিয়ে নিতে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী আনা হয়। বিলটি পাসের পর ২২ সেপ্টেম্বর তা গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।

সংবিধানের এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ওই বছরের ০৫ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের নয়জন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। এ রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২০১৪ সালের ০৯ নভেম্বর এ সংশোধনী কেন অবৈধ, বাতিল ও সংবিধান পরিপন্থী ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

গত বছরের ১০ মার্চ এ রুলের শুনানি শেষে ০৫ মে রায় দেন হাইকোর্ট। এর মধ্যে ২৫ এপ্রিল অসদাচারণের জন্য সুপ্রিম কোর্টের কোনো বিচারকের বিরুদ্ধে তদন্ত ও তাকে অপসারণের প্রক্রিয়া নির্ধারণ করে ‘বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বিচারক (তদন্ত) আইন’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা।

আদালতে রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

এছাড়া অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে শুনানি করেছেন শীর্ষ আইনজীবী ড. কামাল হোসেন,  এম আমীর-উল ইসলাম, রোকনউদ্দিন মাহমুদ ও আজমালুল হোসেন কিউসি।

১৯৭২ সালে প্রণীত মূল সংবিধানে উচ্চ আদালতের বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের কাছে ছিল। ১৯৭৫ সালের ২৪ জানুয়ারি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে এ ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে অর্পণ করা হয়। পরে জিয়াউর রহমানের শাসনামলে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা দেওয়া হয় সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের কাছে।

মার্শাল প্রক্লামেশনে করা পঞ্চম সংশোধনীতে এক্ষেত্রে ৯৬ অনুচ্ছেদে পরিবর্তন আনা হয়েছিল। ষোড়শ সংশোধনীতে সেটা বাতিল করে বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়া হয় সংসদকে।

বাংলাদেশ সময়: ১৪৪৮ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ০৮, ২০১৬
ইএস/এএসআর

রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে বাংলাদেশের জন্ম
দম ফেলার ফুসরত নেই সাভারের ফুল বিক্রেতাদের
১৬ ডিসেম্বর বাঙালির ইতিহাসে সর্বোচ্চ অর্জনের দিন
জাপার ভাইস চেয়ারম্যান নিগার সুলতানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা
ফ্যান কারখানায় নিহত প্রত্যেকের পরিবার পাচ্ছে ৫০ হাজার টাকা


ইবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি আখতার, সম্পাদক মোস্তাফিজ
এক হাজারের বেশি নারীর প্রোলেপস সারিয়েছেন ডা. শিরীন
ইউনাইটেডকে বাঁচালেন গ্রিনউড
বুড়িগঙ্গা দূষণমুক্ত করতে বিআইডব্লিউটিএর অভিযান
সিএমপির প্রতিটি থানায় হবে মুক্তিযোদ্ধা কর্নার