পাখি চিনি-৪

দৌড়বিদ পাখি কালকূট

ইচ্ছেঘুড়ি ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

পানির উপর দৌড়াচ্ছে কালকূট

walton

সাদা ঠোঁটের কালো রঙের পাখিটির নাম কালকূট। কালকুঁচও বলে এদের। ইংরেজি নাম Common Coot। বৈজ্ঞানিক নাম Fulica atra। শরীরের মাপ ৪০ সেন্টিমিটার। লেজ খুবই ছোট। 

মূলত পানির পাখি কালকূট। নিরিবিলি বিলি-ঝিল, জলাশয় ও হাওর-বাওড়ই বেশি পছন্দ এদের। দলবেঁধে থাকে, চরে বেড়ায়। পানির অন্য পাখিদের সঙ্গে সহজে মিলেমিশে থাকে। ভালো সাঁতার জানে। ডুব দিতেও ওস্তাদ। 

এরা হাঁসের মতো ডুব দিয়ে উল্টে গিয়ে পানির নিচে খাবার খুঁজতে পারে। বেশ সাহসী, বুদ্ধিমান ও চালাক পাখি। পানির উপরে শাপলা-শালুকে-পদ্মে পা ফেলে বা শুধু পানিতে এরা যত দ্রুত দৌড়াতে পারে, সম্ভবত কোনো পাখি আর পারে না।

বাচ্চার সঙ্গে বাসায়কালকূটের খাদ্যতলিকায় আছে পানির নিচের উদ্ভিদ-গুল্মের কচি অংশ, ছোট ছোট মাছ, ব্যাঙ ও জলজ পোকামাকড়। ডাঙায় উঠেও হাঁটতে পারে স্বাচ্ছন্দ্যে। বাসা বাঁধার জন্য এরা পছন্দ করে হাওর-বাওড় বা মরা নদীর উদ্ভিদ-গুল্ম বা ঘাসবন। দু’জন মিলেই বাসা বাঁধে। ডিম পাড়ে ৫-৯টি। 

বরফরঙা ডিম, তাতে বাদামি ছিটছোপ থাকে। দু’জন মিলে পালা করে ডিমে তা দেয়। ২০/২২ দিনে বাচ্চা ফোটে। বাচ্চারা উড়তে শেখে ২৫-২৮ দিনে। জন্মের ২-১ দিনের মধ্যে মায়ের সঙ্গে পানিতে নেমে পড়ে। 

এদের দেখা যায় মূলত শীতকালে। অন্য দেশ থেকে আসা পরিযায়ীদের সঙ্গে তখন মিশে যায়। অনেকে আবার এদেশেই থেকে যায়। শীতে বহু হাটবাজারে এদের বিক্রি হতে দেখা যায়, যা নিষিদ্ধ। এর বিরুদ্ধে আমরা রুখে দাঁড়ালে রক্ষা পাবে কালকূটের মতো পাখিরা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের পাখি, শরীফ খান

বাংলাদেশ সময়: ১২২২ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ১৯, ২০১৯
এএ

চমেক হাসপাতালে পিপিই দিলো সানশাইন চ্যারিটি
চট্টগ্রামে আরও ১০৪ জনের করোনা পরীক্ষা, আক্রান্ত নেই
করোনা: বাংলাদেশে শুধু বয়স্ক নয়, ঝুঁকিতে সব বয়সীরাই
পুলিশ প্রধান হিসেবে আমি অত্যন্ত গর্বিত ও আনন্দিত: আইজিপি
জাতীয় অধ্যাপক সুফিয়া আহমেদের ইন্তেকাল


কোয়ারেন্টিনে থাকা ব্যক্তিকে অ্যাপে নজরদারি করবে পুলিশ
মসজিদে মুসল্লি নিয়ন্ত্রণে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নজরদারি
করোনার মধ্যে বিয়ে: সেই সরকারি কর্মকর্তা চাকরি থেকে বরখাস্ত
ভারতে বাড়ছে লকডাউনের মেয়াদ: মমতা 
করোনা মোকাবিলায় একসঙ্গে শাহরুখ-প্রিয়াঙ্কা