রহস্য দ্বীপ (পর্ব-৯৫)

মূল: এনিড ব্লাইটন; অনুবাদ: সোহরাব সুমন | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

রহস্য দ্বীপ

walton

২০. অভাবনীয় চমকের মুখোমুখি জ্যাক
এবার আমরা জ্যাকের কাছে ফিরে যাবো এবং খুঁজে বের করবো তার ভাগ্যে কী ঘটেছে। বেশ অনেকক্ষণ হয় সে দ্বীপে নেই। শুধু কেনাকাটা করতে গেলেও কিছুতেই তার এতো বেশি সময় লাগতে পারে না। এমন কী আছে সেখানে তাকে আটকে রাখার মতো?

php glass

আচ্ছা তাহলে বলা যাক, নৌকা নিয়ে খুব নিরাপদেই সে হ্রদের একেবারে শেষ মাথায় গিয়ে পৌঁছে। নৌকাটিকে একটা গাছের সঙ্গে বাঁধে। তারপর বনের ভেতরে ঢুকে পড়ে। পাঁচ মাইল দূরে একটা গ্রামের দিকে গেছে, এমন একটা পথ ধরে এগোতে শুরু করে। সেখানে যেতে তার প্রায় ঘণ্টা দেড়েকের মতো সময় লাগবে, তবে আবারও খানিকটা কেনাকাটা করতে কতই না মজা হবে! 

ছেলেটি শীতের পথে খালি পায়ে হাঁটতে থাকে। পথটা ঠাণ্ডা আর কাদায় মাখামাখি। কিন্তু ভেতরে ভেতরে সে সেঁকা পাঁউরুটির মতোই গরম। পকেটে টাকায় ঝুনঝুন শব্দ। দরকারি সবকিছু কিনতে পারবে কিনা ভালো মতো ভেবে দেখছে। নোরার জন্য একটা পুতুল কিনতে খুব ইচ্ছে করছে, কারণ সে জানে ওটা সে কতটা পছন্দ করবে!

পেগি তাকে যে খাবারগুলো দিয়েছিল তা সে সঙ্গে করে বয়ে এনেছে। গ্রামের একেবারে কাছাকাছি চলে আসার পর একটা গেটের সামনে বসে খেয়ে নেয়। তারপর আবারও হাঁটতে শুরু করে। একবার চিন্তাও করে না বাড়ি পালানো ছেলে-মেয়েদের একজন হিসেবে কেউ তাকে চিনতে পারবে, কারণ এতো দিনে নিশ্চয় লোকে তাদের কথা ভুলেই গেছে! তবে চারদিকে তীক্ষ্ণ নজর রাখে যদি কেউ খুব কাছ থেকে তার দিকে তাকায়!

সে গ্রামের ভেতর ঢুকে পড়ে। বড় আর এলোমেলো একটা গ্রাম, মাঝ দিয়ে উঁচু আর সরু একটা সড়ক চলে গেছে। ওখানে মোট ছয়টা দোকান। জ্যাক দোকানগুলো ঘুরে দেখবে বলে এগিয়ে যায়। একেবারে শেষে ঢুকবে বলে খেলনা আর মিষ্টির দোকান পেছনে রেখে আসে। মাংসের দোকানে ঢুকে টার্কির দিকে তাকিয়ে থাকে, ওর কয়েকটাতে আবার লাল ফিতে বাঁধা। সে পর্দার দোকানে উঁকি দিয়ে দেখে এবং বড়দিন উপলক্ষে সুন্দর করে সাজাবার প্রশংসা করে। আবারও কেনাকাটা করতে পারছে বলে তার খুব ভালোলাগে। 

তারপর সে খেলনার দোকানের কাছে আসে। খুব সুন্দর একটা দোকান! ওর জানালা দিয়ে পুতুলগুলো এমনভাবে হাত বাড়িয়ে রয়েছে যেন তারা লোকজনকে তাদের কিনে নেওয়ার অনুরোধ করছে। একটা রেলগাড়ি রেললাইন ধরে ছুটে চলছে। ব্যাগ হাতে পুঁচকে এক ক্রিসমাস ফাদার মাঝখানে দাঁড়িয়ে রয়েছে। চকলেটের বাক্স, টফির টিন এবং রংবেরঙের মিষ্টির বড় বড় বোতলও দোকানটিতে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। 

জ্যাক দাঁড়িয়ে দেখে, ভাবে নোরার জন্য ঠিক কোন পুতুলটা নেওয়া যায়। এরই মধ্যে সে পেগির জন্য সুন্দর আর ছোট্ট একটা কাজের বাক্স দেখে রেখেছে এবং মাইকের জন্য সে নৌকা নিয়ে লেখা একটা বই খুঁজে পায়। জানালার পেছনে লাল রঙের একটা বিস্কুটের প্যাকেটও দেখতে পায়, ভাবে নোরা পেলে খুব খুশি হবে। বড়দিনের দিন এসব নিয়ে গুহায় ঢুকলে আর সেখানে গিয়ে কাগজের টুপি পড়লে খুব মজা হবে! 

চলবে…

বাংলাদেশ সময়: ২০২৮ ঘণ্টা, নভেম্বর ২২, ২০১৮
এএ

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের বিপণন কার্যক্রম উদ্বোধন
ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে গাড়ি পেলেন বিজিবি সদস্য বাচ্চু
পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস ভালো ফল করবে: দেব
সিআইইউর কালচারাল ক্লাবের ইফতার মাহফিল
মোস্তফা জামাল হায়দার হাসপাতালে ভর্তি


এতিম শিশুদের সঙ্গে ইফতার করলেন প্রধানমন্ত্রী
কিশোরগঞ্জে আদালত থেকে আসামির পলায়ন, ৫ পুলিশ প্রত্যাহার
বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে ‘দাদা ভাই’র মৃত্যুবার্ষিকী পালন
বাজে হারে মৌসুম শেষ করল রিয়াল মাদ্রিদ
এফবিসিসিআইর নতুন সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ