রজব মাসের তাৎপর্য ও বিশেষ দোয়া

মাহফুজ আবেদ, অতিথি লেখক, ইসলাম | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

এখন চলছে আরবি সপ্তম মাস রজব। রজব শব্দের অর্থ সম্মানিত। জাহেলিয়াতের কালে আরবরা এ মাসকে অন্য মাসের তুলনায় অধিক সম্মান করত, এজন্য তারা এ মাসের নাম রেখেছিল- রজব। ইসলাম এসে বছরের বারো মাসের মধ্য থেকে রজবসহ চারটি মাসকে ‘আশহুরে হুরুম’ তথা সম্মানিত মাস ঘোষণা করে।

এখন চলছে আরবি সপ্তম মাস রজব। রজব শব্দের অর্থ সম্মানিত। জাহেলিয়াতের কালে আরবরা এ মাসকে অন্য মাসের তুলনায় অধিক সম্মান করত, এজন্য তারা এ মাসের নাম রেখেছিল- রজব। ইসলাম এসে বছরের বারো মাসের মধ্য থেকে রজবসহ চারটি মাসকে ‘আশহুরে হুরুম’ তথা সম্মানিত মাস ঘোষণা করে।

এ প্রসঙ্গে হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘বারো মাসে বছর। তার মধ্যে চারটি মাস সম্মানিত। তিনটি ধারাবাহিক- জিলকদ, জিলহজ ও মহররম আর চতুর্থটি হলো- রজব, যা জুমাদাল উখরা ও শাবানের মধ্যবর্তী মাস।’ -সহিহ বুখারি: ২/৬৭২

এ মাসগুলোর বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) ও হজরত কাতাদা (রহ.) থেকে বর্ণিত হয়েছে, এ মাসগুলোতে কোনো আমল করার দ্বারা অন্য মাসের তুলনায় অধিক সওয়াব লাভ হয় এবং এ মাসগুলোতে কোনো গোনাহের কাজ করলে অন্য মাসের তুলনায় অধিক গোনাহ হয়। -তাফসিরে তাবারি: ৬/১৪৯-১৫০

আশহুরে হুরুমের বৈশিষ্ট্য প্রসঙ্গে ইমাম আবু বকর জাসসাস (রহ.) বলেন, এসব মাসে ইবাদতের প্রতি যত্নবান হলে বাকি মাসগুলোয় ইবাদত করা সহজ হয় এবং এ মাসগুলোতে গোনাহ থেকে বেঁচে থাকলে অন্য মাসেও গোনাহ থেকে বেঁচে থাকা সহজ হয়। -আহকামুল কোরআন: ৩/১৬৩

তাই আশহুরে হুরুমের অন্তর্গত রজব মাসের মর্যাদা রক্ষায় সচেষ্ট হওয়া উচিত।  তবে স্মরণ রাখা উচিত, শরিয়তের পক্ষ থেকে এ মাসের জন্য বিশেষ কোনো নামাজ, বিশেষ কোনো রোজা অথবা বিশেষ পদ্ধতির কোনো আমলের হুকুম দেওয়া হয়নি। তাই বাজারের অনির্ভরযোগ্য বই-পুস্তকে রজব মাস উপলক্ষে বিশেষ নামাজ ও রোজার যেসব কথা পাওয়া যায় তা সবই ভিত্তিহীন। এ ধরনের মনগড়া আমল দ্বারা এ মাসের ফজিলত লাভ করা সম্ভব নয়। এগুলো থেকে আমাদের বেঁচে থাকা অপরিহার্য। বরং ফরজ, ওয়াজিব ও সুন্নতগুলো গুরুত্বের সঙ্গে আদায়ের পাশাপাশি সামর্থ্য অনুযায়ী স্বাভাবিক নফল নামাজ, রোজা, জিকির, তেলাওয়াত ও দান-সদকা করা বাঞ্ছনীয়।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, রজব মাসের পর শাবান মাস আর তার পরই পবিত্র রমজান। এই তিন মাসের পূর্ণ বরকত, রহমত ও ফজিলত যেন আমরা লাভ করতে পারি সেজন্য আল্লাহতায়ালার দরবারে বিশেষভাবে দোয়া করা দরকার। আমাদের পূর্বসূরি বুজুর্গ আলেমরা রজব মাসের শুরু থেকেই এই দোয়া বেশি বেশি করতেন- ‘আল্লাহুম্মা রারিক লানা ফি রজাবা ওয়া শাবানা- ওয়া বাল্লিগনা রামাজান।’

অর্থ: হে আল্লাহ! আমাদের রজব ও শাবান মাসে বরকত দান করুন এবং আমাদের রমজান পর্যন্ত পৌঁছে দিন। এই দোয়াটি আমরা বেশি বেশি করতে পারি। আল্লাহতায়ালা আমাদের সেই তওফিক দান করুন। আমিন।

বাংলাদেশ সময়: ২০৫৫ ঘণ্টা, এপ্রিল ১২, ২০১৬
এমএ/

Nagad
নালিতাবাড়ী-ঝিনাইগাতীতে ২৫ গ্রাম প্লাবিত
বিপিও উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের আহ্বান পলকের
বিনিয়োগ আকর্ষণে নীতিমালা সংস্কারের পরামর্শ
ভুয়া চিকিৎসকসহ ৩ জনকে কারাদণ্ড, হাসপাতাল সিলগালা
পশ্চিমবঙ্গে একদিনে করোনা আক্রান্ত ১,৫৬০ জন


নভোএয়ারে ভ্রমণ করলে ফ্রি কাপল টিকিট
‘টাউট’ শহীদুলের আইন পেশা, আছে মানবাধিকার সংগঠন!
সব বিভাগে ভারী বর্ষণের শঙ্কা, বন্যার অবনতি
অর্ধেক দামে মিলবে কৃষি যন্ত্রপাতি, একনেকে প্রকল্প
খুলনায় নতুন করোনা রোগী শনাক্ত ৭৩, মোট ৩১০৮