খাবারের অভাবে ত্রিপুরায় ৪ জন আত্মঘাতী, দাবি মানিকের

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

আত্মঘাতী পরিবারের বাড়িতে মানিক সরকার। ছবি: বাংলানিউজ

walton

আগরতলা (ত্রিপুরা): ত্রিপুরায় এখন কাজ নেই, খাবার নেই। তাই অভাবের তাড়নায় একটি পরিবার আত্মঘাতী হয়েছে বলে দাবি করেছেন বিরোধী দলীয় নেতা মানিক সরকার। 

রাজ্যের পশ্চিম জেলার সিধাইয়ের বড়কাঠাল এলাকার সন্ন্যাসীমুড়ার বাসিন্দা দিনমজুর পরেশ তাঁতী তার শিশুপুত্র ও কন্যাকে বিষ খাইয়ে হত্যা করেন। এরপর স্বামী-স্ত্রী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে জানা গেছে। শনিবার (২৩ নভেম্বর) এলাকাবাসী তাদের মরদেহ উদ্ধার করেন। পরেশের স্বজনদের দাবি, অভাবের কারণেই গোটা পরিবার আত্মহত্যা করেছে।

এই ঘটনার খবর পেয়ে রোববার (২৪ নভেম্বর) ঘটনাস্থলে ছুটে যান সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের নেতৃত্বে বিরোধী দল সিপিআইএমের বিধায়ক ও নেতারা।

এসময় মানিক সরকার মৃত পরেশের শাশুড়িসহ এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলেন। পরে তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, এমনিতেই রাজ্যে কাজ নেই, খাবার নেই। তীব্র অভাবে দিন কাটাচ্ছিল পরেশের পরিবার। পরিবারের সদস্যদের বাঁচাতে বাধ্য হয়ে একাধিক সংস্থা থেকে ঋণ নিয়েছিলেন তিনি। এমনিতেই আর্থিক সংকটে বাড়ির লোকদের খাবার দিতে পারছিলেন না, তার ওপর ঋণের কারণে প্রতি মাসে প্রায় পাঁচ হাজার রুপি করে শোধ দিতে হচ্ছিল। একপর্যায়ে ঋণের দায়ে জর্জরিত পরেশ কোনো দিশা না পেয়ে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন।

মানিক সরকারের এই অভিযোগের বিষয়ে স্থানীয় বিধায়ক বিশ্বকেতু দেববর্মাকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি সরাসরি উত্তর না দিয়ে পাল্টা প্রশ্ন রেখে বলেন, যদি অভাবের তাড়নাতেই ওই পরিবারের সদস্যদের মৃত্যু হয়, তাহলে তা কি হঠাৎ করে হয়েছে? গত ২৫ বছর ক্ষমতায় ছিলেন মানিক সরকার। তখন তিনি কি করেছেন?

বাংলাদেশ সময়: ১৫১৫ ঘণ্টা, নভেম্বর ২৪, ২০১৯
এসসিএন/একে

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন: আগরতলা
করোনা: সৈয়দপুরে মানবেতর অবস্থায় ঢুলিপাড়ার ৩০ পরিবার
করোনা প্রতিরোধ: স্বস্তির নিশ্বাস রাতের নগরে
ময়মনসিংহে কর্মহীনদের পাশে মহানগর যুবলীগ
করোনো: সাতক্ষীরায় মানুষকে ঘরে ফেরাতে কঠোর হচ্ছে পুলিশ
কোয়ারেন্টিন না মানায় সিলেটে প্রবাসীকে জরিমানা


শিগগিরই প্রস্তুত হচ্ছে বসুন্ধরার হাসপাতাল 
করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকবে চীন
করপোরেট কর হার ১০ শতাংশ চায় বিসিআই 
গজারিয়ায় শিশুর মৃত্যুতে করোনা আতঙ্ক
অজ্ঞাত রোগে দীঘিনালা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি আরো ৮ শিশু