php glass

নিজের গাড়ি থাকলেও স্বাচ্ছন্দ্য সাবওয়েতে

মফিজুল সাদিক, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

নিউইয়র্ক সিটিতে চলাচলের জনপ্রিয় মাধ্যম সাবওয়ে। ছবি: বাংলানিউজ

walton

নিউইয়র্ক থেকে: সিলেট সদরের বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম (৪৫)। এখন থাকেন নিউইয়র্কের কুইন্স বরো’র (প্রশাসনিক অঞ্চল) জ্যামাইকা উপশহরের লিবার্টি অ্যাভিনিউয়ে। চাকরি করেন নিউইয়র্কের কেন্দ্রস্থল টাইম স্কয়ারে একটি বহুজাতিক কোম্পানিতে। মাসে আয়ও ভালো, সেই সুবাদে ব্যক্তিগত গাড়িও আছে। তবে বাসা থেকে কর্মস্থল বা শহরের অন্য কোথাও যাতায়াতে সাইফুল স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন সাবওয়েতে (পাতাল রেল) চেপে যেতেই।

এই গল্প কেবল সাইফুলের নয়। নিউইয়র্ক এবং এর আশপাশের লাখো বাসিন্দার। সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, সময়ানুবর্তিতা এবং আরামপ্রদ ভ্রমণের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম ঘনবসতির এই শহরে যাতায়াতের জনপ্রিয় মাধ্যম সাবওয়ে।

এ প্রসঙ্গে কথা হচ্ছিলো সাইফুলের সঙ্গে। তিনি বাংলানিউজকে বলেন, নিউইয়র্ক সিটিতে সবচেয়ে বেশি ঝামেলার গাড়ি পার্কিং, ব্যয়বহুলও বটে। পার্কিংয়ের জন্য কোথাও কোথাও ঘণ্টায় ১৫-২৫ ডলারও শোধ করতে হয়। সেক্ষেত্রে ১২০ থেকে ১৬০ ডলার প্রতিদিন খরচ হবে। ফলে বেতনের টাকা গাড়ি পার্কিংয়েই চলে যাবে। অথচ মাত্র সাড়ে ৫ ডলার দিয়ে অফিস যাতায়াত করা যায় পাতাল রেলে।নিউইয়র্ক সিটিতে চলাচলের জনপ্রিয় মাধ্যম সাবওয়ে। ছবি: বাংলানিউজনিউইয়র্ক সিটিতে দিনরাত জটলা লেগেই থাকে। এই জটলার কারণে নানা ঝক্কি-ঝামেলা হলেও প্রায় কোটি মানুষের এ শহরে যাতায়াত ব্যবস্থা সাবলীল রেখেছে এর সাবওয়ে সিস্টেম। নগরীর পাঁচটি বরোর প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানকে রেলপথে সংযুক্ত রেখেছে এই র‌্যাপিড ট্রানজিট সিস্টেম। নিউইয়র্ক সিটি ট্রানজিট অর্থরিটির পরিচালনায় কোথাও পাতালপথে, কোথাও ওপর দিয়ে দিনরাত ২৪ ঘণ্টাই চলছে ট্রেন। 

এখানটায় গণপরিবহণে কোনো ধরনের নগদ অর্থের ব্যবহার নেই। পাতাল, মেট্রোরেল ও বাসে চড়ার জন্য এক ধরনের মেট্রোকার্ড ব্যবহা হয়। এক মাসে ১২২ ডলারের মেট্রোকার্ড ইস্যু করা যায়। এই কার্ড দিয়ে পাতাল, মেট্রোরেল ও বাসে চড়া যায়। মেট্রোকার্ড ঘষা দিলেই খুলে যাবে সাবওয়ের প্রবেশপথ। একবারে ২ টাকা ৭৫ পয়সা কেটে নেবে মেট্রোকার্ড থেকে। একবার প্রবেশ করে সারাদিন ভ্রমণ করা যাবে, তবে স্টেশন থেকে বের হওয়া যাবে না। স্টেশন থেকে বের হয়ে নতুন করে যেতে চাইলে আবারও ২ দশমিক ৭৫ পয়সা পরিশোধ করতে হবে। নিউইয়র্ক সিটিতে চলাচলের জনপ্রিয় মাধ্যম সাবওয়ে। ছবি: বাংলানিউজঅফিস আওয়ারে পাতাল রেলের কোচগুলো থাকে পরিপূর্ণ। তবে যাত্রীরা বই-পেপার পড়ে অথবা মোবাইল ফোনেই কাটিয়ে দিতে পারেন সময়। এক মিনিট পর পর মেলে ট্রেন।

নিউইয়র্ক সিটিতে নতুন হলেও সাবওয়েতে চড়তে বিড়ম্বনায় পড়তে হবে না। কারণ প্রতিটা পাতাল রেলে ভ্রমণের জন্য স্টেশনের সিরিয়াল দেওয়া হয়েছে। স্টেশন থেকে কখন কোন ট্রেন পাওয়া যাবে সে বিষয়েও ঘোষণা হয় নিয়মিত।
 
নিউইয়র্ক সিটিতে পাতাল রেলের কারণে মনে হয় মাটির নিচে আরেক শহর। পাতাল রেলগুলোর নামও অনন্য। যেমন- ই ট্রেন, এফ ট্রেন ইত্যাদি। পাতাল রেল থেকে ওপরে ওঠার জন্য এস্কেলেটর ও সিঁড়ি রয়েছে। পাতাল রেলের স্টেশনে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শপিং সেন্টারও। তাই ট্রেনে চেপে বসার আগে সময় পেলে করা যাবে পছন্দের কেনাকাটাও।

বাংলাদেশ সময়: ১৭৩২ ঘণ্টা, এপ্রিল ১৮, ২০১৯
এমআইএস/এইচএ/

কিশোরগঞ্জে নতুন করে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ৩৫ জন
৯৯৯ নম্বরে কল, উদ্ধার দুইশ’ লঞ্চযাত্রী
আ.লীগের ডেঙ্গু বিষয়ক সেলের সঙ্গে মেয়র আতিকের বৈঠক
কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত, দুর্ভোগে যাত্রীরা
জহির রায়হানের জন্ম
ইতিহাসের এই দিনে

জহির রায়হানের জন্ম



সন্ত্রাসীদের গুলিতে সেনা সদস্য নিহত, বিস্ফোরণে আহত ২
প্রকৌশলীদের তিন দিন সময় দিলেন মেয়র নাছির
একই ফেরির সঙ্গে দুই লঞ্চের সংঘর্ষ, আহত ৫
'কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস' লাইনচ্যুত, তদন্ত কমিটি গঠন
অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, ৫ বাসকে ৯০ হাজার টাকা জরিমানা