মুক্তিযোদ্ধাদের স্যালুট, কাজী আরিফের কফিন আসবে মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

নিউইয়র্কে কাজী আরিফের কফিনে শ্রদ্ধা

walton

ঢাকা: নিউইয়র্কের জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অনেকেই জড়ো হয়েছিলেন কাজী আরিফকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ও তার জানাযায় অংশ নিতে।

php glass

স্থানীয় সময় শনিবার (২৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় সেখানে কাজী আরিফের প্রথম জানাযা শেষ হয়। এর আগে সেখানে জাতীয় পতাকায় মুড়িয়ে রাখা কফিনে স্যালুট জানান নিউইয়র্ক প্রবাসী ‍মুক্তিযোদ্ধারা। 

এভাবেই সম্মান জানানো হলো মহান মুক্তিযুদ্ধের এই সংগঠক ও যোদ্ধাকে।

জানাযায় অংশ নেন নিউইয়র্কে বাংলাদেশ মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধি ড. মাসুদ বিন মোমেন, কনসাল জেনারেল শামীম আহসানসহ অন্যরা।  

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আবৃত্তিশিল্পী, স্থপতি ও মুক্তিযোদ্ধা কাজী আরিফের মৃত্যু ঘোষণা হয় শনিবার স্থানীয় সময় বেলা ১২টা ৫৫ মিনিটে। তখনই নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের মাউন্ট সিনাই সেন্ট লিওক্স হাসপাতালে কাজী আরিফের লাইফ সাপোর্টটি খুলে নেওয়া হয়। এর আগে প্রায় চার দিন ধরে তাকে রাখা হয় লাইফ সাপোর্টে। 

চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে নিউইয়র্ক প্রবাসী বাংলাদেশি সংস্কৃতি কর্মী ও আবৃত্তিকার মিথুন আহমেদ বাংলানিউজকে জানান, কাজী আরিফের হৃদযন্ত্রের একটি বাল্ব অকেজো এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ আর্টারি সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেলে চিকিৎসকরা বাল্ব পুনঃস্থাপন করতে ওপেন হার্ট সার্জারির সিদ্ধান্ত নেন।

সে অনুযায়ী গত ২৫ এপ্রিল (মঙ্গলবার) সার্জারি শুরু হয়। কিন্তু সে সময় কাজী আরিফের ফুসফুসে কিছু জটিলতা সৃষ্টি হয়। যা চিৎসকদের পক্ষে দ্রুত সারিয়ে তোলা সম্ভব হয়নি। এ কারণেই তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। সে অবস্থায় এক পর্যায়ে কাজী আরিফের শরীরের অন্যান্য অঙ্গ প্রত্যঙ্গগুলো ধীরে ধীরে অকেজো হয়ে পড়তে থাকে। ফলে লাইফ সাপোর্ট থেকে তাকে আর স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি। 

এদিকে নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রিয় মুখ, সংবাদকর্মী আকবর হায়দার কিরণ বাংলানিউজকে জানিয়েছেন স্থানীয় সময় রোববার রাত সাড়ে ১১টায় (বাংলাদেশ সময় সোমবার সকাল সাড়ে ৯টায়) কাজী আরিফের মরদেহবাহী এমিরেটস এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইট নিউইয়র্ক ছাড়বে। সে হিসাবে মঙ্গলবার সকালে তার মরদেহ ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। 

এই মুক্তিযোদ্ধা ও দেশের বরেণ্য সন্তানের মরদেহ দেশে পাঠানোর সকল ব্যবস্থা নিয়েছে নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট। কনস্যুলেটের কর্মকর্তা শাহেদুল ইসলামের বরাত দিয়ে বিষয়টি বাংলানিউজকে জানান আকবর হায়দার কিরণ।  

কাজী আরিফের জন্ম ১৯৫২ সালের ৩১ অক্টোবর ফরিদপুর রাজবাড়ীতে। তবে বেড়ে উঠেছেন চট্টগ্রাম শহরে। সেখানেই তার পড়াশোনা, রাজনীতি, শিল্প-সাহিত্য এসব কিছুর হাতেখড়ি হয়। তিনি একাধারে একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, আবৃত্তিকার, লেখক, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও একজন স্থপতি।

তিনি ১৯৭১ সালে ‘১ নম্বর সেক্টর’ এর মেজর রফিকের কমান্ডে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। এরপর যুদ্ধ শেষে বুয়েটে পড়াশোনা শুরু করেন আর সাথে সমান তালে এগিয়ে যেতে থাকে তার শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি এবং রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ততা।

চলে গেলেন কাজী আরিফ, মৃত্যু ঘোষণা, মরদেহ আসবে দেশে

বাংলাদেশ সময়: ০৮১৫ ঘণ্টা, এপ্রিল ২৯, ২০১৭
এমজেএফ/এমএমকে

পলাশবাড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু
ফেসবুক আমাদের আইন পকেটে নিয়ে ঘোরে: জব্বার
জাতির পক্ষ থেকে বিএসটিআইয়ের প্রতি ঘৃণা: জেএসডি
অপরিপক্ব ১৫ মণ আম ধ্বংস করলো ভ্রাম্যমাণ আদালত
ডিজিটাল নিরাপত্তায় সচেতনতাই প্রথম রক্ষাকবচ


বিএসএমএমইউর ৫৩ শিক্ষক-চিকিৎসককে গবেষণা অনুদান 
শাবানাকে দেশ ছাড়ার হুমকি
ঢাকা বাঁচাতে খাল দখলমুক্ত করতে হবে: মেয়র আতিকুল
ইনজামামের বিতর্কিত ও হাস্যকর বিশ্বকাপ দল!
খুলনায় ইয়াবাসহ ছাত্রলীগ নেতা পলাশ আটক