দক্ষিণাঞ্চলে আরও একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র!

মফিজুল সাদিক, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

প্রস্তাবিত দ্বিতীয় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সম্ভাব্য নকশা

walton

ঢাকা:  দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল প্রকল্প রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র।  মোট ১ লাখ ১৩ হাজার ৯৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন বিদ্যুৎকেন্দ্রটির প্রথম ইউনিটে ২০২৩ সাল থেকেই ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে।

রুপপুরের কাজ চলার মধ্যেই দক্ষিণাঞ্চলে আরও একটি স্বপ্নের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

নতুন মেগা প্রকল্পটি বাস্তবায়নের প্রাথমিক কাজও শুরু করেছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন। প্রাথমিকভাবে দক্ষিণাঞ্চলের আটটি স্থান নির্বাচন করা হয়েছে, যার একটিতে নির্মিত হবে দ্বিতীয় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। সেগুলো হচ্ছে-পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার পক্ষিখারচর, বরগুনার তালতলী উপজেলার খোট্টারচর ও  নিদ্রারচর, আমতলী উপজেলার আলিখাঁরচর, পাথরঘাটা উপজেলার টেংরারচর,  খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার চরহালিয়া, নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার বয়ারচর এবং ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার মহুরিরচর।  

প্রস্তাবিত আটটি স্থান নিয়ে রোববার (২৭ আগস্ট) সকালে পরিকল্পনা কমিশনের আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগে প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির বৈঠক হয়। কমিশনের সদস্য (সচিব) নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বৈঠকে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ও  বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের কর্মকর্তারা  অংশ নেন।  স্থান নির্বাচনে ১০ কোটি টাকা ব্যয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বৈঠকে।
 
পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব) নজরুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, ‘আটটি স্থানের মধ্যে কোথায় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা যায়- সেটি যাচাই করা হবে। এখানে টেকনিক্যাল টিমের সঙ্গে থাকবেন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের কর্মকর্তা ও দেশি-বিদেশি পরামর্শকরা। সবাই এক সঙ্গে কাজ করে স্থান নির্বাচন করবেন।  এরপর শুরু হবে উন্নয়ন সহযোগী খোঁজার কাজ। কারণ, এ মেগা প্রকল্পটি বৈদেশিক সহায়তা ছাড়া বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না’।
 
বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বাংলানিউজকে বলেন, ‘রুপপুরের মতো আরও একটা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করতে চায় সরকার। সে লক্ষ্যে আগে স্থান নির্বাচন করতে হবে। যেটি আমরা শুরু করে দিয়েছি’।
 
এদিকে রুপুপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে এখন চলছে মূল প্ল্যান্ট নির্মাণের কাজ।  প্রকল্পটি বাস্তবায়নে রাশিয়ার প্রতিষ্ঠান এটমস্ট্রয় এক্সপোর্টের সঙ্গে ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুসারে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির মেয়াদকাল ধরা হয়েছে ৫০ অর্থবছর। এ সময়ে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির দু’টি  ইউনিটে প্রতি বছর ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট করে ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ পড়বে ইউনিটপ্রতি মাত্র ৩ টাকা।  প্রথম ইউনিটে ২০২৩ সালে এবং দ্বিতীয় ইউনিটে ২০২৪ সালের অক্টোবরে উৎপাদন শুরুর সময়সীমা ধরা হয়েছে।

বাংলাদেশ সময়: ২০৩০ ঘণ্টা, আগস্ট ২৭, ২০১৭
এমআইএম/এএসআর

বিনামূল্যে পিপিই সরবরাহ করার ঘোষণা ফর্টিস গ্রুপের
কোভিড-১৯ ঠেকাতে কমলনগরের হাট-বাজারে ‘সামাজিক দূরত্ব চিহ্ন’
বই-টেলিভিশন আর পরিবার নিয়ে কাটছে সময়
বন্ধ কারখানা শ্রমিকদের বাসায় থাকতে হবে, পাবেন বেতন
করোনা: বরিশালের সব চায়ের দোকান বন্ধ


করোনা: ৫০ লাখ ইউরো দান করলেন ডর্টমুন্ড অধিনায়ক রয়েস
করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয় 
মিরপুর স্টেডিয়াম চিকিৎসার জন্য দিতে প্রস্তুত বিসিবি
বগুড়ায় করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু, ১৫ বাড়ি লকডাউন
ভারতীয় নাগরিকদের আতঙ্কিত না হওয়ার অনুরোধ রীভা গাঙ্গুলির