ঢাকা, শনিবার, ১৫ কার্তিক ১৪২৭, ৩১ অক্টোবর ২০২০, ১৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

জাতীয়

যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের বন্দি পলায়ন

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট  | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০৫২ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২০
যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের বন্দি পলায়ন যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের বন্দি পলায়ন

যশোর: যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের (বালক) বন্দি রাজু বিশ্বাস (১৬) হাসপাতাল থেকে পালিয়ছে। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়েছে।


 

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে যশোর জেনারেল হাসপাতালের আউটডোর থেকে পালিয়ে যায় সে।

পলাতক রাজু ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলার দেবকিনন্দপুর গ্রামের আব্দুল ওহাব বিশ্বাসের ছেলে।  
 
কেন্দ্রের মেডিক্যাল সহকারি নজির আহমেদ বাংলানিউজকে বলেন, ‘সকালে বন্দি রাজু বিশ্বাসকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাই। তাকে হাসপাতালের ডা. সোলায়মান কবীরকে দেখিয়ে ওষুধ কিনতে যাই। সেসময় রাজুকে কেন্দ্রের মাইক্রোবাসের ভেতরে রেখে বাইরে থেকে লক করে রাখা হয়। ফিরে এসে দেখি সে গাড়িতে নেই। ভেতর থেকে লক খুলে পালিয়ে গেছে। ’

যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের (বালক) তত্ত্বাবধায়ক (সহকারী পরিচালক) জাকির হোসেন বাংলানিউজকে জানান, আমাদের কর্মীরা বাসস্ট্যান্ড, টারমিনাল, রেলস্টেশনসহ বিভিন্নস্থানে তাকে খুঁজছে। এ বিষয়ে কোতয়ালী থানায় একটি জিডি করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, তিন সপ্তাহ আগে (১১ সেপ্টেম্বর) পেঁয়াজ চুরির একটি মামলায় ফরিদপুর থেকে ওই কিশোরকে যশোর কেন্দ্রে পাঠানো হয়। তার বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল। সেকারণে সোমবার সকালে কেন্দ্রের কর্মীদের সঙ্গে তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালের একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে পাঠানো হয়।

উল্লেখ্য, যশোর শহরতলীর পুলেরহাটে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রটি (বর্তমান নাম শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র) অবস্থিত। গত ১৩ আগস্ট তিন বন্দিকে পিটিয়ে হত্যা করেন সেখানকার কর্মকর্তা ও কয়েকজন বন্দি। ওই ঘটনার পর দায়িত্বরত বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। হত্যা মামলাও চলমান। হত্যাকাণ্ড ছাড়াও কেন্দ্রটি থেকে ‘বন্দি’ পালানোর ঘটনা এর আগেও বেশ কয়েকবার ঘটেছে। দুর্নীতি, অনিয়ম, দায়িত্বে অবহেলার কারণে সমাজসেবা অধিদপ্তর পরিচালিত কেন্দ্রটিতে নানা অঘটন ঘটে বলে এর আগে একটি ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি জানিয়েছিল।

বাংলাদেশ সময়: ২০৫০ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২০
ইউজি/এমআরএ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa