ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৬ আশ্বিন ১৪২৭, ০১ অক্টোবর ২০২০, ১২ সফর ১৪৪২

জাতীয়

সব নগরীর মহাপরিকল্পনায় ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করা হবে

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট  | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৯২৯ ঘণ্টা, আগস্ট ১৩, ২০২০
সব নগরীর মহাপরিকল্পনায় ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করা হবে

ঢাকা: রাজধানীসহ দেশের সব নগরীর সমস্যা চিহ্নিত ও সমাধানের জন্য মহাপরিকল্পনা প্রস্তুত এবং বাস্তবায়নে একটি ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

এজন্য মন্ত্রী দেশের খ্যাতনামা নগর পরিকল্পনাবিদ, স্থপতি, প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে কাধেঁ কাঁধ মিলে একত্রে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে নগর পরিকল্পনাবিদ ও বিশেষজ্ঞদের নিয়ে জনকল্যাণমূলক মহানগরী বিনির্মাণে বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা চিহ্নিত করে সময়াবদ্ধ পরিকল্পনা প্রণয়ন সংক্রান্ত সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, দেশের শহরগুলোকে দৃষ্টিনন্দন ও আকর্ষণীয় করে নতুন প্রজন্মের জন্য বসবাসের উপযোগী করতে সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধান করার বিকল্প নেই। আর এজন্য অভিজ্ঞ ও বিশেষজ্ঞ নগর পরিকল্পনাবিদ যারা বহুদিন ধরে কাজ করছেন তাদের সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন।

তিনি মহানগরীগুলোতে নাগরিক সেবাদান কাঠামোতে সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা দেওয়ার জন্য নগরপরিকল্পনা বিশেষজ্ঞদের আহ্বান জানান।

১৯৫৯ সালে প্রথম ২০ বছর মেয়াদী মাস্টারপ্ল্যানের প্রসঙ্গ তুলে মন্ত্রী বলেন, মাস্টারপ্ল্যান সব সময় ৫০-১০০ বছর অর্থাৎ দীর্ঘমেয়াদী হতে হবে।  

এ প্রসঙ্গে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গৃহীত ডেল্টা প্ল্যান-১০০ কথার উল্লেখ করেন।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী জানান, এক সময় ঢাকা শহরে পাঁচ মিলিয়ন মানুষ ছিল, যা এখন ২০ মিলিয়নে দাঁড়িয়েছে। এখানে কোনো সুউচ্চ ভবন ছিল না। বর্তমানে শহরে কতগুলা সুউচ্চ ভবন আছে তার কোনো একাডেমিক রির্পোট নেই। সুতরাং মাস্টারপ্ল্যান করতে হলে সুদূরপ্রসারী চিন্তা-ভাবনা করে তৈরি করতে হবে।

আজকের এই সভা শুধু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সব নগর বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করা হবে এবং এই কমিটি নগরীর সমস্যা চিহ্নিত ও সমাধানের জন্য মহাপরিকল্পনা প্রস্তুত করে তা বাস্তবায়নে একযোগে কাজ করবে।

ইতোমধ্যে অনেক খাতে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জিত হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, ঢাকা মহানগরীর জলাবদ্ধতা, ড্রেনেজ ব্যবস্থা আধুনিকায়ন, মশক নিধনসহ বিভিন্ন সেক্টরে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এখনো অনেক সমস্যা ও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এগুলো মোকাবিলা করার জন্য সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে ফেজ ওয়াইজ কাজ করতে হবে।

সভায় উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম, দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদসহ দেশের খ্যাতনামা নগর পরিকল্পনাবিদ ও বিশেষজ্ঞরা এসময় বক্তব্য রাখেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৯২৬ ঘণ্টা, আগস্ট ১৩, ২০২০
এমআইএইচ/এএ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa