সড়ক-কাঁচাবাজারে মানুষের ভিড়, পুরনো চেহারায় রাজধানী

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট  | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

বাজারে মানুষের ভিড়। ছবি: শাকিল

walton

ঢাকা: করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়লেও শারীরিক দূরত্ব মানছেন না কেউ। রাজধানীর হাট-বাজার ও সড়কে মানুষের ভিড়। প্রতিটি সিগন্যালেও যানবাহনের চাপ। স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করছেন লোকজন। পুরোদমে পুরনো চেহারায় ফিরছে রাজধানী। এতে করোনা ঝুঁকি বাড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। 

শুক্রবার (১৫ মে) রাজধানীর আব্দুল্লাহপুর, হাউজ বিল্ডিং, বনানী ও বিজয় সরণি এলাকা ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি সিগন্যালে যানজট। গণপরিবহন ছাড়া সবধরনের যানবাহন চলছে। রিকশা, সিএনজি ও ব্যক্তিগত গাড়িতে শারীরিক দূরত্ব মানছেন না কেউ। গাদাগাদি করেই যাতায়াত করছেন মানুষ।

যাত্রাবাড়ী ও সায়েদাবাদে দেখা গেছে প্রচণ্ড যানজট। কাঁচাবাজার ও সড়ক মিলে একাকার হয়ে গেছে। ফ্লাইওভারের নিচের সড়কে সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ইজিবাইক, রিকশা আর সড়কের পাশের কাঁচাবাজার মিলে একাকার। মানুষের ভিড়ে সেখানে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা দূরের কথা, হাঁটাই দায় যে কারো। 

টিকাটুলি পয়েন্টে গিয়ে দেখা যায়, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যানবাহনের চলাচল বাড়ছে। প্রচুর গাড়ি থাকায় যানজটও তৈরি হয়েছে। অটোরিকশা, ইজিবাইক, রিকশা, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, পিকআপ, মিনিট্রাকসহ সবধরনের যানবাহনই চলছে। শনির আখরা, কাজলা, যাত্রাবাড়ী, গুলিস্তান পয়েন্টে যাত্রী পরিবহনের জন্য অনেক মোটরসাইকেল অপেক্ষা করছে। শুধু এসব এলাকা নয়, পুরো রাজধানীরই একই চিত্র। 

..রাজধানীর কাওরানবাজার, মহাখালী কাঁচাবাজার, বনানী কাঁচাবাজার ও নতুন বাজার ঘুরে দেখা যায়, কোথাও শারীরিক দূরত্ব মানার বালাই নেই। ক্রেতারা যেমন মানছেন না, তেমনই বিক্রেতারাও। শারীরিক দূরত্ব মানার কোনো সুযোগই নেই সেখানে। 

দুপুরের পরই মিরপুরের অলিগলি সরগরম হয়ে ওঠে। পাড়ার দোকানপাট ও শপিংমলে মানুষ আসছে ঈদের কেনাকাটা করতে। সেখানকার চিত্র দেখলে মনে হবে, দেশে কোনো করোনা ভাইরাসই নেই। মানুষ যেভাবে গাদাগাদি করে ছুটে চলছে, তাতে কারো মধ্যে কোনো চিন্তাই নেই। 

মিরপুরের ব্যবসায়ী আকিল উদ্দিন বলেন, এভাবে বসে থেকে আর কতো। পেটে ভাত না থাকলে তো দোকান খুলতে হবে। করোনায় যা হওয়ার হবে, সেটা নিয়ে টেনশন করে লাভ নেই। 

বনানী কাঁচাবাজারের ব্যবসায়ী শফিক মিয়া বলেন, কাঁচাবাজারে শারীরিক দূরত্ব মানা সম্ভব হয় না। ঘনঘন দোকান আর মানুষের ভিড়ে সব একাকার। করোনার আতঙ্ক নিয়েই প্রতিদিন বাসায় ফিরি। 

শনির আখড়া বাজারের ক্রেতা নঈম মিয়া বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী কিনতে বের হতে হয়। কিন্তু বাজারে মানুষের যে ভিড়, এতে করোনা যে কোন পর্যায়ে যাবে, আল্লাহ ভালো জানেন। 

অটোরিকশা চালক রাজীব বিশ্বাস বলেন, এখন তো সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে যাচ্ছে। তাই গাড়ি নিয়ে বের হয়েছি। 

বাংলাদেশ সময়: ১৫০৭ ঘণ্টা, মে ১৫, ২০২০
টিএম/আরবি/

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন: করোনা ভাইরাস
একা প্লেনে করে মায়ের কাছে ফিরলো পাঁচ বছরের বিহান
২০০ এতিম শিশুদের নিয়ে ঈদ উদযাপন
নজরুলজয়ন্তীতে ছায়ানটের নিবেদন
মঈনুল আহসান সাবেরের জন্ম
ইতিহাসের এই দিনে

মঈনুল আহসান সাবেরের জন্ম

চট্টগ্রামে ঈদের দিন করোনায় আক্রান্ত ১৭৯ জন


গান-আড্ডায় করোনা রোগীদের ঈদ উদযাপন ফিল্ড হাসপাতালে
প্লেন চালুর শুরুতেই ধাক্কা ভারতে, একের পর এক ফ্লাইট বাতিল
দেশবাসীকে ঘরে থাকার আহবান খালেদা জিয়ার
নারায়ণগঞ্জে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত
আড়াইহাজারে মাজার খাদেমের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার