php glass

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যস্ততার বছর

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

আবেগ, উৎকণ্ঠা, আহাজারী আর উদ্বেগের মধ্যে ২০১০ সাল অতিক্রম করেছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। এ বছর ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডসহ বেশ কয়েকটি দুর্ঘটনার কারণে এখানকার চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীরা বছরের অধিকাংশ সময়ই ব্যস্ততার মধ্যে কাটিয়েছেন।

ঢাকা: আবেগ, উৎকণ্ঠা, আহাজারী আর উদ্বেগের মধ্যে ২০১০ সাল অতিক্রম করেছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। এ বছর ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডসহ বেশ কয়েকটি দুর্ঘটনার কারণে এখানকার চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীরা বছরের অধিকাংশ সময়ই ব্যস্ততার মধ্যে কাটিয়েছেন।

স্বাভাবিক মৃত্যু
২০১০ সালে রাজধানী ও এর আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের মধ্যে ৫ হাজার ২৯০ জন স্বাভাবিকভাবে হাসপাতালে মারা গেছেন। এর মধ্যে ২ হাজার ৪৭ জনকে হাসপাতালে আসার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

আর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বাকি ৩ হাজার ২৪৩ জন।

অস্বাভাবিক মৃত্যু   
এ বছর বিভিন্ন ধরনের আঘাতজনিত কারণে ঢামেক হাসপাতালে মারা গেছেন ২ হাজার ৮৯০ জন। এর মধ্যে জরুরি বিভাগে আনার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক ৮৭১ জনকে মৃত ঘোষণা করেন।

এছাড়া বাকি ২ হাজার ১৯ জন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। আঘাতজনিত মৃত্যুর মধ্যে রয়েছে- সড়ক ও রেল দুর্ঘটনা, গুলি, ছুরিকাঘাত, বোমা, প্রহার ইত্যাদি।

হাসপাতাল সূত্রমতে, আঘাতজনিত কারণে যারা মারা গেছেন, তাদের মধ্যে শতকরা ৫৫ ভাগ সড়ক, ট্রেন ও অগ্নি দুর্ঘটনায়, শতকরা ২৫ ভাগ গুলি, ছুরিকাঘাত, বোমা ও প্রহারে । আর বাকি ২০ ভাগ করেছেনআত্মহত্যা।

ময়নাতদন্ত
২০১০ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে ২ হাজার ১৮০টি লাশের ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। তবে এ বছর মর্গে যতগুলো লাশ এসেছিল, তার শতকরা ৪৫ ভাগই ময়নাতদন্ত ছাড়া পুলিশ ছাড়পত্রের মাধ্যমে তাদের পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের প্রভাষক ডা. আবুল খায়ের বাংলানিউজকে এ তথ্য জানান।

হাসপাতালের ব্যস্ততা
এ বছর ভালই ব্যস্ততার মধ্যে দিয়ে কাটিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীরা।
২০১০ সালে ঘটেছে স্মরণকালের ভয়াবহতম নিমতলী-অগ্নিকাণ্ড, সাভারে হামীম গ্রুপের পোশাক কারখানা, লিলি কেমিকেল, খিলক্ষেতে কয়েল কারখানাসহ বেশ কয়েকটি বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড, নরসিংদী ট্রেন দুর্ঘটনা, আমিন বাজারে বাসডুবি প্রভৃতি দুর্ঘটনা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে মোকাবেলা করতে হয়েছে।

এসব ঘটনার পর এ হাসপাতালের সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা ছিল চোখে পড়ার মত। বিশেষ করে হাসপালের বার্ন ইউনিট সারা বছরই ছিল ব্যস্ত। নিমতলীর ভয়াবহ আগুনে পোড়াদের বাঁচাতে এ ইউনিটের চিকিৎসক, অধ্যয়নরত ছাত্র-ছাত্রী, নার্সসহ সবার প্রচেষ্টা ছিল প্রশংসনীয়।

২০১০ সালে এ হাসপাতালের কার্যক্রম মূল্যায়ন করতে গিয়ে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শহিদুল হক মল্লিক বাংলানিউজকে বলেন, ‘হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের সারিয়ে তুলতে এখানকার চিকিৎসক, নার্স, কর্মচারীরা সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালায়। এ বছর রোগীদের চিকিৎসার জন্য ওষুধের বেশিরভাগই হাসপাতাল থেকে সরবরাহ করার ব্যবস্থা করা হয়েছে।’ একই সঙ্গে হাসপাতালকে আরও আধুনিকায়ন করার চেষ্টা চলছে বলে তিনি জানান।

বাংলাদেশ সময়: ১৯১০ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ৩১, ২০১০

সাস্ট ক্লাবে প্রাণবন্ত পিঠা উৎসব
মানিকগঞ্জে শুরু হয়েছে বিজয় মেলা
১৪ ডিসেম্বর বান্দরবান মুক্ত দিবস
ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার
বিক্ষোভের মুখে শিলং যাত্রা বাতিল অমিতের


বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড
ইতিহাসের এই দিনে

বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস শনিবার
পর্দা নামলো ১৫তম স্বল্পদৈর্ঘ্য ও মুক্ত চলচ্চিত্র উৎসবের
ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী হাসপাতালে
তামিম-পেরেরা জেতালেন মাশরাফির ঢাকাকে