ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ শ্রাবণ ১৪২৭, ০৪ আগস্ট ২০২০, ১৩ জিলহজ ১৪৪১

জাতীয়

নরসিংদীতে দু’দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে ১০ টেঁটাবিদ্ধসহ আহত ৪০

মোর্শেদ শাহরিয়ার, জেলা প্রতিনিধি | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১০-১২-৩১ ০১:৩৭:০৬ পিএম

নরসিংদী: নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার দু’দল গ্রামবাসীর সংর্ঘষে কমপক্ষে ৪০ জন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে ১০ জন টেঁটা বিদ্ধ হয়েছেন।

ছয় জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এ ঘটনায় পুলিশ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

শুক্রবার সকাল নয়টায় উপজেলার দূর্গম চরাঞ্চল সায়দাবাদ গ্রামে এলাকায় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে হানিফ মাস্টার ও ফিরোজ মেম্বারের গ্রুপের সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

টেঁটাবিদ্ধ গুরুতর আহত অবস্থায় ফিরোজ মেম্বারের সমর্থক শাজাহান (৩৫), ফজলুল হক (৩২), বাছেদ (২৮), নজরুল (২৪), সালাউদ্দিন (২৫) ও মাইনুদ্দিনকে (২৬) রায়পুরা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছে।

সায়দাবাদ এলাকার জামাল মিয়া বাংলানিউজকে জানান, একমাস আগে হানিফ মাস্টার গ্রুপের সমর্থক সুলমানকে গ্রাম্য সালিসে ১০টি গরু চুরির ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত করে গ্রামছাড়া করা হয়। এ ঘটনার জের ধরে গত সোমবার সুলমানের সহযোগীরা সন্ধ্যায় স্থানীয় সায়দাবাদ বাজারে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে। এতে ফিরোজ মেম্বার ও হানিফ গ্র“পের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার সকাল নয়টার দিকে হানিফ গ্রুপের সমর্থকরা আগ্নেয়াস্ত্র ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে ফিরোজ মেম্বার গ্রুপের সমর্থক শাহ আলম মিয়ার বাড়িতে হামলা চালিয়ে জলিল মিয়া ও রহিম মিয়ার দুটি ঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করে।

খবর পেয়ে ফিরোজ মেম্বারের সমর্থকরা টেঁটা, বল্লম ও দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।

এসময় উভয় গ্রুপের কমপে ৪০ জন আহত হয়। আহতদের নরসিংদী, ভৈরব হাসপাতালসহ বিভিন্ন কিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।

রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল বাতেন বাংলানিউজকে জানান, দাঙ্গা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এর আগে সায়দাবাদ গ্রামে টেঁটাযুদ্ধে এক ব্যক্তি নিহতসহ শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছিল।

বাংলাদেশ সময়: ১৩২০ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ৩১, ২০১০

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa