php glass

কলকাতার চিড়িয়াখানার প্রাণী-পাখিদের খাবার-দাবার

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

বিভিন্ন ধরনের ফল খাচ্ছে বানর। ছবি: বাংলানিউজ

walton

কলকাতা: শীতকাল মানেই যদি পিকনিক আর ঘুরতে যাওয়া হয় তবে তার একটা অতিপরিচিত জায়গা ‘চিড়িয়াখানা’। ছোটদের তো বটেই, বড়দের কাছেও চিড়িয়াখানার আকর্ষণ কম নয়। কলকাতার আলিপুর চিড়িয়াখানায় ছুটির দিনগুলোতে প্রচুর জনসমাগম হয়। ছুটির দিনে সাধারণভাবে গড়ে ৫০ থেকে ৬০ হাজার মানুষ আলিপুর চিড়িয়াখানায় ভিড় করেন। শীত মৌসুমে সংখ্যাটা দেড় লাখ ছাড়িয়ে যায়।

বাঘ, সিংহ, হাতি, শিম্পাঞ্জি ছাড়াও আছে ১৩শ’ প্রজাতির প্রাণী। এই বৈচিত্র্যময় প্রাণীদের প্রতিদিনের ‘মেনু’ কি, কিভাবে তাদের খাবার পরিবেশন হয়?

কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বেশকিছু চমকপ্রদ তথ্য জানা গেছে। প্রতিটি প্রাণীর আলাদা খাবারের তালিকা শুধু নয়- ওজন, বয়স প্রভৃতি হিসেব করেই তাদের খাবারের পরিমাণ ঠিক হয়। সপ্তাহে ছয়দিন খাবার দেওয়া হয় প্রত্যেক সুস্থ পশুকে। বৃহস্পতিবার আলিপুর চিড়িয়াখানায় কোনো পশুকে খাবার পরিবেশন করা হয় না।

কোন প্রাণী কি ধরনের খাবার খায় এই নিয়ে সমস্ত দর্শকদেরই একটা স্বাভাবিক কৌতূহল থাকে। তবে এই ‘ভোজন পর্ব’ চলে দর্শকদের চোখের আড়ালে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্তব্যরত কর্মচারী জানান, ঠিক সকাল ৮টা বাজতে না বাজতেই তার স্বরে ডাকাডাকি শুরু হয়ে যায় ম্যাকাও পাখিদের খাঁচা থেকে। সেই সময়ই সকালের খাবার নিয়ে খাঁচায় ঢোকেন ‘অ্যানিম্যাল হ্যান্ডেলার’। মেনুতে থাকে নানা ধরনের তাজা ফল এবং চিনে ও কাঠ বাদামের মতো শুকনো ফল।খাবার খাচ্ছে টিয়া পাখি। ছবি: বাংলানিউজখাবারের কথা উঠবে আর হাতির প্রসঙ্গ আসবে না তাই কি হতে পারে! জানা গেছে, প্রতিটি হাতি দিনে ১শ’ থেকে ১৩০ কেজি খাবার খায়। প্রতিটি জলহস্তী খায় ৫০ থেকে ৭০ কেজি খাবার। যার মধ্যে থাকে নানা রকম সবজি এবং ঘাস। এক একটি কুমির প্রতিদিন ৫ থেকে ৬ কেজি মাছ খায়। এদের খাবার দেওয়া হয় সপ্তাহে তিনদিন। বানরদের জন্য থাকে আপেল, কলা, শসাসহ রকমারি ফল।

এছাড়া আছে আটটি রয়েল বেঙ্গল টাইগার অর্থাৎ বাংলার বাঘ। প্রতিটি রয়েল বেঙ্গল টাইগার প্রতিদিন প্রায় আট কেজি করে মাংস খায়। সিংহের খাবার পরিমাণও প্রায় একই রকম। দেওয়া হয় সন্ধক লবণ। প্রয়োজন মতো দেওয়া হয় নানা ধরনের ওষুধ। তবে সব প্রাণী কিন্তু ম্যাকাওদের মতো খাবারের জন্য ডাকাডাকি করে না। কোনো বন্যপশুকে চিড়িয়াখানায় আনা হলে তাকে প্রথমে চিড়িয়াখানার খাবারে অভ্যস্ত করে তুলতে হয়। যেটা বেশ কষ্ট সাধ্য বিষয়।

বহুদিন পশুদের নিয়ে কাজ করতে করতে তাদের সঙ্গে একটা মায়ার বাঁধন গড়ে ওঠে। অনেক সময় এমনও হয় একটি বিশেষ খাঁচার ‘হ্যান্ডেলার’ ছুটি নিলে ওই খাঁচার পশু খেতে চায় না। একটা ভালোবাসার সম্পর্ক তৈরি হয়ে যায়, তবে সেটা অবশ্যই নিরাপদ দূরত্ব থেকে।

বাংলাদেশ সময়: ১০১১ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২৭, ২০১৯
ভিএস/আরবি

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন: কলকাতা
ksrm
আইভী রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী শনিবার
শিল্পকলায় আন্তর্জাতিক আলোকচিত্র প্রদর্শনী
বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর এদেশে কালো অধ্যায়ের সূচনা হয়েছিল
রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে সরকার হাল ছাড়েনি: ওবায়দুল কাদের
৬৭ রানেই গুটিয়ে গেল ইংল্যান্ড!


কলাপাড়ায় ধর্ষণ মামলার ২ আসামি গ্রেফতার
যুক্তরাষ্ট্রকে টেক্কা দিয়ে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণে পুতিন
আর্জেন্টিনার বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান
দিনাজপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় এডিসিসহ আহত ৮ 
স্কোয়াড থেকে নেইমারকে বাদ দিয়েছে পিএসজি!