php glass

হ্যান্ডশেক বা করমর্দন রীতি যেভাবে চালু হয়

ইচ্ছেঘুড়ি ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

হ্যান্ডশেক

walton

ঢাকা: আমরা অনেকদিন পর কারও সঙ্গে দেখা হলে কিংবা কোনো সৌজন্য সাক্ষাতে একে অন্যের সঙ্গে হাত মিলিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করি। একে বলা হয় হ্যান্ডশেক বা করমর্দন। এ রীতি সেই আদিকালের।

জানা যায়, আদিকাল থেকেই মানুষ হাতকে শক্তি ও ক্ষমতার প্রতীক মনে করতো। শত্রুর সঙ্গে যুদ্ধ করতে গেলেও হাত ছিলো প্রধান অস্ত্র। তখনও ভাষা মানুষকে সমৃদ্ধ করেনি। আবার একে অন্যকে বিশ্বাস করে বোঝাতেও করমর্দন করা হতো বলে গল্প চালু রয়েছে।

সে সময় কোনো কারণে একে অন্যের দিকে হাত বাড়ালে মনে করা হতো বন্ধুত্ব ‍ও শুভেচ্ছার বার্তা। আর এই রীতি প্রথম চালু হয় ইউরোপের শিল্প-সংস্কৃতি-সভ্যতার অন্যতম ধারক-বাহক গ্রিসে।

গ্রিসে এই রীতি চলতে চলতে এমন জনপ্রিয় হয়ে ওঠে যে পরবর্তীতে তা ছড়িয়ে পড়ে গোটা বিশ্বে। হয়ে যায় একটি সাধারণ প্রথা বা রীতি।

আমরা এখন যখনই কোনো পরিচিতজনের সঙ্গে মিলিত হই তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবেই ডান হাত বাড়িয়ে অভ্যর্থনা জানাই।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ফ্রাংলিন রুজভেল্ট ১৯০৭ সালের ১ জানুয়ারি ৮ হাজার ৫শ ১৩ জনের সঙ্গে হ্যান্ডশেক করে বিশ্বরেকর্ড করেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৭১১ ঘণ্টা, জুলাই ০৪, ২০১৭
এএ

বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য ইউরেনিয়াম কেনার প্রস্তাব অনুমোদন
খুলনায় অজ্ঞাত বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার
‘পরিবহন সেবার জন্য, মানুষকে জিম্মি করার জন্য নয়’
আদিতমারীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু
সিএনজিচালক হাসমত হত্যায় ৮ ছিনতাইকারীর ৬০ বছর কারাদণ্ড


গোদাগাড়ীতে ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেলো অজ্ঞাত যুবকের
দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর কাজ শুরু করার দাবি
জান্নাতিকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় রিমান্ডে আসামিরা 
বাংলাদেশ ব্যাংকের ইতিহাস গ্রন্থ: রিটকারীকে তলব
সেবা বাড়াতে নতুন বিভাগ খোলা হচ্ছে রাসিকে: মেয়র লিটন