অক্টোপাস শামুক ঝিনুক খাওয়া জায়েজ?

ইসলাম ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ছবি : প্রতীকী

walton

প্রশ্ন: খাবারসামগ্রী হিসেবে বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে অক্টোপাস, শামুক, ঝিনুক, স্কুইড ইত্যাদি এখন সহজলভ্য। এসব খাওয়া জায়েজ আছে? এগুলো সম্পর্কে ইসলামের নির্দেশনা কী?

উত্তর: মাছ ছাড়া অন্য কোনো জলজ প্রাণী খাওয়া জায়েয নেই। আর যেহেতু অক্টোপাস, স্কুইড (সামুদ্রিক বিশেষ প্রাণী), শামুক, ঝিনুক ইত্যাদি মাছ নয়, তাই এগুলো খাওয়াও নাজায়েজ। (ফাতাওয়া হিন্দিয়া ৩/১১৪; আল-বাহরুর রায়েক: ৮/৪৮৫; হাশিয়ায়ে তাহতাবি: ৪/৩৬০ ইমদাদুল ফাতাওয়া: ৪/১১৮)

প্রথমত এগুলো কোরআনে বর্ণিত ‘খাবায়েস’ (নোংরাবস্তু) এর অন্তর্ভুক্ত। সুরা আলআরাফ আল্লাহ তাআলা এগুলোকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। ‘খাবায়েস’ বলা হয়, যা মানুষ স্বভাবগত ঘৃণা করে। (দ্রঃ তাফসিরে কাবির, আদওয়াউল বায়ান, আল-লুবাব, আলহাবি সংশ্লিষ্ট আয়াত)। 

আর মাছ ছাড়া অন্যান্য জলজ প্রাণী রুচিশীল মানুষ স্বভাবতই ঘৃণা করে। সুতরাং সেগুলোও কোরআনের হুকুম অনুযায়ী নিষিদ্ধ।

দ্বিতীয়ত রাসুল (সা.) ও সাহাবায়ে কেরাম এ ধরনের জলজ প্রাণী খেয়েছেন বলেও কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় না। উপরন্তু আব্দুর রহমান বিন উসমান (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, ‘রসুল (সা.) জনৈক চিকিৎসককে ব্যাঙ মেরে ওষুধ বানাতে নিষেধ করেছিলেন।’ (আবু দাউদ, হাদিস নং: ৩৮৭১)

তৃতীয়ত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, রাসুল (সা.) বলেন, ‘তোমাদের জন্য দুই প্রকারের মৃত জীব ও দুই ধরনের রক্ত হালাল করা হয়েছে। মৃত জীব দুইটি হলো মাছ ও ফড়িং এবং দুই ধরনের রক্ত হলো কলিজা ও প্লীহা। (ইবনে মাজাহ, হাদিস নং : ৩৩১৫; মুসনাদ আহমাদ, হাদিস নং: ৫৬৯০, দারাকুতনি, হাদিস নং : ৪৬৮৭, শারহুস সুন্নাহ, হাদিস নং : ২৮০৩)

ইসলাম বিভাগে লেখা পাঠাতে মেইল করুন: [email protected]
বাংলাদেশ সময়: ১৭০০ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০১৯
এমএমইউ

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন: ইসলাম
ময়মনসিংহে কর্মহীনদের পাশে মহানগর যুবলীগ
করোনো: সাতক্ষীরায় মানুষকে ঘরে ফেরাতে কঠোর হচ্ছে পুলিশ
কোয়ারেন্টিন না মানায় সিলেটে প্রবাসীকে জরিমানা
শিগগিরই প্রস্তুত হচ্ছে বসুন্ধরার হাসপাতাল 
করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকবে চীন


করপোরেট কর হার ১০ শতাংশ চায় বিসিআই 
গজারিয়ায় শিশুর মৃত্যুতে করোনা আতঙ্ক
অজ্ঞাত রোগে দীঘিনালা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি আরো ৮ শিশু
করোনা: টোকিও অলিম্পিকের নতুন সূচি ঘোষণা
অসহায়-দিনমজুর ২০০ পরিবারে ডবলমুরিং থানার সহায়তা