php glass

অস্ট্রেলিয়ায় দর্শনার্থীদের জন্য ৩০ মসজিদ উন্মুক্ত

ইসলাম ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

অস্ট্রেলিয়ায় ‘ওপেন ডে মস্ক’

walton

অস্ট্রেলিয়ার ৩০টি মসজিদ জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে শনিবার (২৭ অক্টোবর)। এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো, ইসলাম সম্পর্কে স্থানীয় অমুসলিমদের ‘ভুল’ ধারণা দূর করা। 

ক্যানবেরা ইসলামিক সেন্টারের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাফর আহমদ স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, কমিউনিটিতে ইসলাম সম্পর্কে ধারণা দেয়ার জন্য একটি ‘ওপেন ডে’র গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। আর যাদের ইসলামিক ব্যাকগ্রাউন্ড নেই, তাদের জন্য এটি মতামত বিনিময় ও স্থান পরিদর্শনের দারুণ সুযোগ তৈরি করে দেবে।

তিনি বলেন, আমরা কিছু বাধা-বিপত্তি ভেঙে দিতে চাই। এ ক্ষেত্রে ‘আমাদের’ ও ‘তাদের’-এ ধরনের পরিভাষাগুলো না থাকা উচিত। যাতে অন্যরা আমাদের কাছে আসতে পারে এবং আমাদের সম্পর্কে আরো বেশি জানতে পারে।

আহমদ আরো বলেন, এ ধরনের আয়োজন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ অন্যরা যদি মুসলমানদের সঙ্গে দেখা না করে ও কথা না বলে, তাহলে মুসলমানদের সম্পর্কে তাদের ধারণা অস্পষ্ট রয়ে যাবে। অনেক সময় কিছু লোক কারো ইসলামবিদ্বেষী কথা শোনে মুসলমানদের সম্পর্কে একটা নেতিবাচক ধারণা পোষণ করতে শুরু করে। কিন্তু তিনি চাইলে কোনো মুসলমানের সঙ্গে যোগাযোগ করে অথবা কোনো মসজিদে গিয়ে ইসলাম সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা নিতে পারতেন।

ক্যানবেরা ইসলামিক সেন্টারে প্রশ্ন-উত্তর পর্বে সবাইকে ইসলাম সম্পর্কে জানার জন্য সুযোগ করে দেয়া হয়। এতে ক্যানবেরার মুসলিম সম্প্রদায়ও অংশগ্রহণ করে। ইসলাম সম্পর্কে জনসাধারণের ধারণা ও জানা-শোনা আরো উন্নত করতে প্রতি বছর নিয়মতান্ত্রিকভাবে অস্ট্রেলিয়ায় ‘ওপেন ডে মস্ক’ পালন করা হয়। এবারের ‘ওপেন ডে মস্ক’র আয়োজনে প্রায় ৪শ দর্শনার্থী শনিবারের ব্যস্ত সন্ধ্যায় অংশ নিয়েছে।

ইসলামিক সেন্টার মসজিদের ইমাম আদম কন্ডা জানিয়েছেন, ‘ওপেন ডে’র আয়োজন ইসলাম সম্পর্কে মানুষের সন্দেহগুলো দূর করতে ভূমিকা রাখবে। এছাড়াও তারা অনেক অজানা সম্পর্কে জানতে ও সচেতন হতে পারবে। পাশাপাশি মন্দ ধারণাগুলো তাদের মন থেকে সরে যাবে।

অস্ট্রেলিয়ায় মোট জনসংখ্যার ২.৬ ভাগ মুসলিম। গত ৫ বছরে মুসলমানদের সংখ্যা ৪০ ভাগ বেড়েছে। ইন্দোনেশিয়ার মুসলিম ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ায় ইসলামের আগমন হয়। তবে পাকিস্তানের করাচি বন্দর থেকে আফগান উট চালকদের বড় একটি দল ৩১ ডিসেম্বর ১৮৬৫ খ্রিস্টাব্দে অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছে। তাদের মাধ্যমেই মৌলিকভাবে সেখানে ইসলাম প্রসার লাভ করে।

অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেডে ১৮৯০ খ্রিস্টাব্দে ও পার্থে ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে নির্মাণ করা হয় মসজিদ। আর সিডনিতে প্রথম মসজিদটি নির্মিত হয় ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দে। অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বড় মসজিদ লাকেম্বা ও অবার্নে। লাকেম্বা এলাকায় অনেক বাঙালি মুসলমানের বসবাস রয়েছে।

জার্মান, তুরস্ক, লেবানন, মিসর, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে বহুসংখ্যক মুসলমান অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব নিয়ে সেখানে বসবাস করছেন। নিউসাউথ ওয়েলস,  ভিক্টোরিয়া, কুইন্সল্যান্ড ও মুসলমানদের সর্বাধিক বসবাস।

অস্ট্রেলিয়ায় মুসলমানদের আলাদা একটি টেলিভিশন চ্যানেল রয়েছে। চ্যানেলটির নাম ‘ওয়ান পাথ নেটওয়ার্ক’ (One Path Network)। প্রতি বছর অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে তাবলিগ-জামাতের মিনি ইজতেমাও অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।

ইসলাম বিভাগে লেখা পাঠাতে ই-মেইল করুন: [email protected]

বাংলাদেশ সময়: ১৬০৯ ঘণ্টা, অক্টোবর ২৯, ২০১৮
এমএমইউ/এসএইচ

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন: ইসলাম
ksrm
লিখিত পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণদের এবার এমসিকিউ দিতে হবে না
বগুড়ায় ভেজাল ওষুধের বিরুদ্ধে অভিযান
নাজনীনের ঘাতক স্বামী রবিউলের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন
ঢাকা কমার্স কলেজে কোচিংয়ে বছরে ১২ কোটি টাকার দুর্নীতি!
লালমনিরহাটে বজ্রপাতে ৫ শ্রমিক আহত


সিলেট সীমান্তে ৪৮০ বোতল ফেনসিডিল জব্দ
চিরকুট লিখে পালিয়ে যাওয়া স্কুলছাত্র চট্টগ্রামে উদ্ধার
না’গঞ্জে ইয়াবাসহ মাদককারবারি মুন্না গ্রেফতার
দুই বছরে ৪২০ রোহিঙ্গা পাচার
বার্সায় ফেরার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি, পিএসজি যেতে দেয়নি