ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রে দক্ষতার বিকল্প নেই

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

সম্মেলনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমানসহ বিশিষ্টজনেরা, ছবি: বাংলানিউজ

walton

ঢাকা: ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রে তরুণদের ভালো করতে হলে দক্ষতার বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্টজনেরা। তরুণদের দক্ষ করে তুলতে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের প্রতি তাগিদ দিয়েছেন তারা।

বৃহস্পতিবার (০৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘ন্যাশনাল কনফারেন্স অন স্কিলস অ্যান্ড ফিউচার অব ওয়ার্ক’ শীর্ষক সম্মেলনে অংশ নেন বিশিষ্টজনেরা।

দিনব্যাপী এই সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান।

ইয়াফেস ওসমান বলেন, আজকের ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর ভিশন থেকে এসেছে। যা বাস্তবায়নে সামনে থেকে কাজ করছেন তার পুত্র এবং যোগ্য উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। এই ভিশনের পর দেখেন আমরা কতখানি এগিয়ে গেছি। আজ যে আলোচনা হচ্ছে, তা কিন্তু ১০ বছর আগে হতো না। এখন পর্যন্ত যে অর্জন হয়েছে, তা অনেক। বাকিটুকুও আমাদের অর্জন করতে হবে। আর এতে নেতৃত্ব দেবে আমাদের তরুণ প্রজন্ম। তাই তাদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। এর জন্য নারী ও পুরুষ সবাইকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে। আমরা যখন কর্মসংস্থানের কথা বলছি, তখন উভয়ের কর্মসংস্থানের কথা বলতে হবে।

মন্নুজান সুফিয়ান বলেন, সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং বিভাগ জনসাধারণকে বিভিন্ন ধরনের কাজের প্রশিক্ষণ দেয়। প্রায় ১৯ ধরনের কর্মের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এর জন্য আছে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। প্রধানমন্ত্রী আদেশ দিয়েছেন, এসব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উপজেলা পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে। আমরা সে লক্ষ্যে কাজ করছি। এসব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে নারী ও পুরুষ উভয়কে দক্ষ করে গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, আজকের আয়োজনের অন্যতম সার্থকতা হচ্ছে ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রের পরিবেশ এবং দক্ষতা নিয়ে যেসব সমস্যার সম্মুখীন আমাদের হতে হবে, সেগুলো চিহ্নিত করা গেছে। একইসঙ্গে সেগুলোর সম্ভাব্য সমাধানও এখানে উঠে এসেছে। ২০২৪ সালের মধ্যে এক লাখ ডিজিটাল উদ্যোক্তা তৈরি করার লক্ষ্যমাত্রা আছে। যা বাস্তবায়ন করা সম্ভব। এর জন্য আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি আগ্রহীদের শেখার প্রতি। শেখানোর প্রতি না। তারা যা ‘লার্নিং; করতে চায়, সেখানে আমরা তাদের দিকনির্দেশনা দেব। আমরা কী শেখাতে চাই। একেক রোগের একেব ওষুধ, সবার শিখতে চাওয়ার আগ্রহের বিষয় আলাদা। একই শিক্ষা দিয়ে হবে না। একইসঙ্গে তরুণদের নিয়ে ইন্ডাস্ট্রি এবং একাডেমির মাঝে একটি সেতুবন্ধন তৈরি করতে চাচ্ছি আমরা। এভাবেই ভবিষ্যৎ তরুণদের দক্ষ করে তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা সম্ভব।

সম্মেলনে সঞ্চালনা করেন একসেস টু ইনফরমেশনের (এটুআই) পলিসি অ্যাডভাইজর আনীর চৌধুরী। এটুআই, একশন এইড এবং ইউনিসেফের যৌথ উদ্যোগে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশ সময়: ১৬৩০ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ০৫, ২০১৯
এসএইচএস/টিএ

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন: তথ্যপ্রযুক্তি
কক্সবাজার সৈকতের বালিয়াড়ি তৈরিতে হচ্ছে সাগরলতা বনায়ন 
ঠাকুরগাঁওয়ে করোনা সন্দেহে ১৪ জনের নমুনা সংগ্রহ 
নদী তীরের মাটি কাটায় সোয়া লাখ টাকা জরিমানা
ব্যক্তি উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ করলো ‘সহযোগী’
উপোস থাকবে না রাস্তার কুকুরগুলোও


দেশের ৯ জেলায় ছড়িয়েছে করোনা সংক্রমণ 
না’গঞ্জের পুরাতন পালপাড়ায় অঘোষিত লকডাউন 
র‌্যাব সদস্য করোনা আক্রান্ত, টেকনাফে ১৫ বাড়ি-দোকান লকডাউন
তালিকা টাঙিয়ে হঠাৎ ১৮৯ পোশাক শ্রমিককে অব্যাহতি
লংগদুতে প্রেমের জেরে কিশোরীর আত্মহত্যা