ঢাকা, বুধবার, ১৫ আশ্বিন ১৪২৭, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১ সফর ১৪৪২

ভারত

ডেঙ্গুর প্রকোপ ঠেকাতে গাপ্পি মাছের শরণাপন্ন পশ্চিমবঙ্গ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ০৬৫৪ ঘণ্টা, জুলাই ১৪, ২০২০
ডেঙ্গুর প্রকোপ ঠেকাতে গাপ্পি মাছের শরণাপন্ন পশ্চিমবঙ্গ

কলকাতা: চলমান মহামারি করোনার পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গে ধীরে ধীরে বিপদজনক ভাবে উঁকি মারছে ডেঙ্গু। ইতোমধ্যে কলকাতার কয়েকটি হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের ভর্তি হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। ফলে শহর পরিষ্কারের পাশাপাশি পুরসভার বিভিন্ন জায়গায় অর্থাৎ খোলা নিকাশি নালা, জলাজমি, পুকুর, কুঁয়োতে গাপ্পি মাছ ছাড়ার কাজ শুরু করেছে রাজ্য সরকার।

সারা শহরে ধাপে ধাপে মোট ৩৫ লাখ গাপ্পি মাছ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। সোমবার (১৩ জুলাই) থেকে গাপ্পি মাছ ছাড়া শুরু হয়েছে।

মূলত গাপ্পি মাছ মশার লার্ভা খেয়ে থাকে। ডেঙ্গু ঠেকাতে এই মাছের কার্যকারিতা প্রমাণিত। বিগত বছরগুলোতে এই মাছ বিভিন্ন জলাশয়ে ছেড়ে মশার উপদ্রব থেকে কিছুটা হলেও রক্ষা পাওয়া গিয়েছে বলে এবার অনেক আগে থেকেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানায় পুরসভা সূত্র।

পুরসভা সূত্রে আরও জানা যায়, গত বছর থেকে এবছর ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা এখনো পর্যন্ত কম। একদিকে যেমন স্বাস্থ্যকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে করোনা সংক্রান্ত খোঁজখবর নিচ্ছেন, পাশাপাশি ডেঙ্গু সম্পর্কেও নাগরিকদের সচেতন করা হচ্ছে। বাড়ির কোথাও জমা পানি না রাখা বা পানি জমার ছোট ছোট জায়গা যাতে কোথাও না তৈরি হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে অনুরোধ করা হচ্ছে।

এর পাশাপাশি ডেঙ্গুবাহক এডিস মশার লার্ভা খেয়ে ফেলা গাপ্পি মাছ ব্যাপক পরিমাণে ছেড়ে ডেঙ্গু ঠেকাতে চাইছে কলকাতা পুরসভা।

পুরসভার এক কর্মকর্তা জানান, গাপ্পি মাছগুলো ছাড়া হচ্ছে পুরসভার প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোর মাধ্যমে। কর্মীরাই এলাকা ঘুরে ঠিক করছেন, কোথায় কোথায় এই মাছ কত পরিমাণ ছাড়া হবে। মাছ ছাড়ার সময় বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করা হচ্ছে। কারণ যেমন তেমন ভাবে এই মাছ ছেড়ে দিলে মরে যাবে। তাই সব ধরনের সাবধানতা ও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মেনে কাজ করা হচ্ছে। এছাড়া গত বছর শহরে যে যে ওয়ার্ডগুলোতে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি হয়েছে সেইসব ওয়ার্ডগুলোতে বেশি নজর দেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ সময়: ০৬৫৪ ঘণ্টা, জুলাই ১৪, ২০২০
ভিএস/এইচএডি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa