বিশ্ব এইডস দিবস

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

১ ডিসেম্বর বিশ্ব এইডস দিবস। এ বছরের প্রতিপাদ্য বিষয়- গেটিং টু জিরো অর্থাৎ ‘নতুন এইচআইভি সংক্রমণ ও এইডস রোগীদের সাথে বৈষম্যমূলক আচরণ এবং এইডস সম্পৃক্ত মৃত্যু- এই তিনটি বিষয়ই শূন্যে নামিয়ে আনা।’ বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো  বাংলাদেশেও প্রতি বছর ১ ডিসেম্বর বিশ্ব এইডস দিবস পালিত হয়ে আসছে। ১৯৮৮ সালে গঠন করা হয় আন্তর্জাতিক এইডস সোসাইটি এবং সে বছরই ১ ডিসেম্বরকে বিশ্ব এইডস দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

php glass

১ ডিসেম্বর বিশ্ব এইডস দিবস। এ বছরের প্রতিপাদ্য বিষয়- গেটিং টু জিরো অর্থাৎ ‘নতুন এইচআইভি সংক্রমণ ও এইডস রোগীদের সাথে বৈষম্যমূলক আচরণ এবং এইডস সম্পৃক্ত মৃত্যু- এই তিনটি বিষয়ই শূন্যে নামিয়ে আনা।’ বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো  বাংলাদেশেও প্রতি বছর ১ ডিসেম্বর বিশ্ব এইডস দিবস পালিত হয়ে আসছে। ১৯৮৮ সালে গঠন করা হয় আন্তর্জাতিক এইডস সোসাইটি এবং সে বছরই ১ ডিসেম্বরকে বিশ্ব এইডস দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। সেই থেকে এই দিবস পালনের সূচনা। দিবসটি পালনের মধ্য দিয়ে ব্যাপক গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে এইডস-এর প্রতীক হিসেবে নির্ধারণ করা হয় লালফিতা বা রিবন। লালফিতার মাধ্যমে এইচআইভি/এইডস আক্রান্তদের প্রতি সহমর্মিতাসহ প্রতিরোধের অঙ্গিকার ব্যক্ত করা হয়।

বর্তমান বিশ্বে প্রতিবছরই প্রায় ২৭ লাখ লোক এইচআইভি বা এইডসে আক্রান্ত হচ্ছে। ইউএন এইডস-এর রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশে এইচআইভি আক্রান্ত লোকের সংখ্যা বর্তমানে আনুমানিক ১১ হাজার বলে জানানো হয়েছে, যা আমাদের মোট জনসংখ্যার ০.১ শতাংশেরও কম। আপাতদৃষ্টে এর প্রাদুর্ভাব কম হলেও এইডসের ঝুঁকিতে আছে এমন জনগোষ্ঠীর হার শতকরা ০.৭। আর তাই এ বিষয়ে আমাদের ধারণা থাকা দরকার।

আমাদের প্রথমেই জানা দরকার এইডস কি ? AIDS হলো এক প্রকার ভাইরাস দ্বারা গঠিত রোগ। যে রোগ HIV নামক ভাইরাসের কারণে হয়ে থাকে। অন্যদিকে Acquired Immune Deficiency Syndrome এর সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে AIDS| এইচআইভি একটি ভাইরাস যা মানুষের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে নষ্ট করে দেয়। তাছাড়া এই ভাইরাসটি রক্তের সাদা কোষ ( সিডি-৪ বা টি সেল) নষ্ট করে দেয়, যার ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অকার্যকর হয়ে পড়ে। এইচআইভিতে আক্রান্ত হওয়ার চূড়ান্ত পরিণতি হচ্ছে এইডস রোগে আক্রান্ত হওয়া। তবে এইচআইভি এবং এইডস কিন্ত একই বিষয় নয়। এইচআইভি একটি ভাইরাস এবং এইডস একটি অসুস্থতা, যা এইচআইভির কারণে হয়।

বর্তমানে এইডস একটি মারাত্মক রোগ হিসেবে বিশ্বব্যাপি আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। এইডস সর্ব প্রথম ১৯৮১ সালে আমেরিকায় আবিস্কৃত হয়। ১৯৮৫ সাল থেকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা রক্ত পরিসঞ্চালনের আগে রক্তে এইচআইভি ভাইরাস জীবাণুমুক্ত কি না স্ক্রিনিং করে নিশ্চিত হওয়ার পরই কেবল রক্ত সরবরাহ করার পরামর্শ দেয়। এইডস রোগের বাহক হল অতিক্ষুদ্র এক বিশেষ ধরনের ভাইরাস, এই ভাইরাস দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন সেলকে আক্রমন করে ধংস করে ফেলে। ফলে মানবদেহ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। এই এইডস ভাইরাসকেই Human Immune Virus বা এইচআইভি (HIV) বলা হয়। এইচআইভি সংক্রমণের সর্বশেষ পর্যায় হল এইডস। এইডস আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু অনিবার্য ছিলো একসময়, তখন তাই এই রোগকে ঘাতক রোগ বলা  হতো ।

H = Human  (মানুষ)
I  = Immune-deficiency (রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ঘাটতি বা হ্রাস)
V = Virus (ভাইরাস/জীবাণু)

অর্জিত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ঘাটতির লক্ষণ সমষ্টিকে এইডস বলে।
A = Acquired (অর্জিত)
I  = Immune (রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা)
D = Deficiency (ঘাটতি/হ্রাসজনিত)
S = Syndrome (অবস্থা/রোগের লক্ষণ/ উপসর্গসমূহ)

আমাদের জানা দরকার এইডসের উপসর্গ বা লক্ষণগুলো  কি কি ?

*     এইডস আক্রান্ত ব্যক্তির দেহের ওজন হ্রাস পেতে থাকে।
*    আক্রান্ত ব্যক্তির গ্ল্যান্ড ফুলে ওঠে।
*     দীর্ঘমেয়াদি জ্বর থাকে।
*     যে কোন সময় রক্তক্ষরণ ঘটতে পারে।
*     দীর্ঘমেয়াদি শুকনো কাশির প্রভাব অব্যাহত থাকে।
*     মুখের অভ্যন্তরে ঘা সৃষ্টি হয়।  
*    শরীরের যে কোন স্থানের চর্মে দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতের সৃষ্টি হয়।  
*    রাতে প্রচুর ঘামের সৃষ্টি হয়।
*    কৃমির প্রভাব দেখা দেয়।
*    নিউমোনিয়া আক্রান্ত হয়ে পড়ে।
*    মস্তিষ্কে প্রদাহ সৃষ্টি হয়।
*    স্বাস্থ্যের ক্রমশ অবনতি ঘটে।
*    স্মৃতিশক্তি হ্রাস পায়।

এইডস কিভাবে ছড়ায় বা এ রোগের কারণগুলো কি কি ?

চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বলেন- জীবদেহে বিভিন্নভাবে ‘এইডস’ রোগের সংক্রমণ ঘটতে পারে। ‘এইডস’ আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত বা বীর্য বা জরায়ু রসের সঙ্গে যদি সুস্থ কোন ব্যক্তির রক্ত, শরীর রস বা মিউকাস আবরণের সংস্পর্শ ঘটে, তবে এইচআইভি তথা এইডস রোগের বিস্তার ঘটে। এসব সংস্পর্শ নানাভাবে ঘটতে পারে। যেমনÑ অনিরাপদ বা কনডম ব্যবহার না করে অবাধ যৌন সহবাস, এইডস আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত শরীরে ধারণ বা গ্রহণ, অঙ্গ প্রতিস্থাপন বা দাঁতের চিকিৎসা বা অপারেশনসহ আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহƒত সিরিঞ্জ ব্যবহার এমনকি সংক্রমিত গর্ভবতী নারী থেকে শিশুর দেহে পর্যন্ত এ রোগ ছড়াতে পারে। এইচআইভি ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করার পর রক্ত পরীক্ষায় ধরা পড়তে সাধারনত: ৩ থেকে ৬ মাস সময় নেয়। ক্ষেত্রবিশেষে রোগীর লক্ষণ প্রকাশ ছাড়া ১৫ বছর পর্যন্ত বাহক পর্যায়ে থেকে যেতে পারে। বাহকদের মধ্যে শতকরা ৫০ ভাগের ক্ষেত্রে ৮ বছর এবং ৫০ ভাগের ক্ষেত্রে ১৫ বছর পর এ এইডস রোগ বিকশিত হয়।

কোন কোন কারণে এইডস ছড়ায় না ?
 
এইচআইভি ছড়ানোর কারণ নিয়ে মানুষের মধ্যে নানা প্রকার ভুল ধারণা রয়েছে। এইচআইভি সংক্রমণ ছোঁয়াচে নয়। আলোচিত কারণগুলো ছাড়া সাধারনত এইচআইভি ভাইরাস ছড়াতে পারে না, যেমন- একইসঙ্গে কাজ করলে, একইসঙ্গে খাবার খেলে, একইসঙ্গে ঘুমালে, হাত মেলালে, কোলাকুলি করলে, হাঁচি-কাশির মাধ্যমে, একই পুকুরে গোসল করলে, একই পায়খানা ব্যবহার করলে, মশা-মাছির কামড়ের মাধ্যমে এইচআইভি ছড়ায় না।

এইডস - সাম্প্রতিক পরিস্থিতি

এইচআইভি নামক ভাইরাস সর্বপ্রথম আমেরিকায় বিজ্ঞানীদের মাঝে ধরা পড়লেও রোগটি আফ্রিকা থেকেই বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে বলে জানা যায়। বর্তমানে এইডসের আতংক বিশ্বব্যাপী। আমেরিকা-ইউরোপ মহাদেশসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে এ রোগের বিস্তৃতি ঘটেছে। এইডসের বিস্তার ইতিমধ্যে মহামারীতে রূপ নিয়েছে বলে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্টে প্রকাশ। ইউএনএইডস-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০০৯ সাল পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী আনুমানিক ৬০ মিলিয়ন মানুষ এইচআইভিতে আক্রান্ত হয়েছে। মৃত্যুবরণ করেছে ২৫ মিলিয়ন মানুষ। আর প্রতিবছর ২.৭ মিলিয়ন মানুষ নতুন করে এইচআইভিতে আক্রান্ত হচ্ছে।

বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন দেশ ভারত, মিয়ানমার ও নেপালে ইতিমধ্যে এইডস মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ার তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। সরকারী তথ্যে জানা যায়, ২০০৭ সালে দেশের ৭ হাজার ৬৭৭ জন এইচআইভি ভাইরাস বহন করেছে। এরমধ্যে ৩ হাজার বিদেশ ফেরত, ৪৪৪ জন মাদকসেবী এবং বাকীরা বিভিন্ন যৌন পেশায় জড়িত। আবার  এনএএসপি-র ডিসেম্বর ২০০৯-এর হিসাব মতে বাংলাদেশে এইচআইভিতে আক্রান্তের সংখ্যা (পরীক্ষিত) ২০৮৮। আক্রান্তদের মধ্যে এইডস হয়েছে ৮৫০ জনের এবং এইডস-এর কারণে এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মারা গেছে ২৬১ জন। শুধু ২০০৯ সালে এইচআইভিতে আক্রান্তের সংখ্যা ২৩১ জন এবং মারা গেছে ৩৭ জন। আক্রান্তের মধ্যে বিদেশ ফেরতের সংখ্যা বেশী এবং আক্রান্তের মধ্যে আবার শিশুরাও রয়েছে। আক্রান্তের দিক থেকে বাংলাদেশ এখনো মৃদু আক্রান্তের দেশ হিসেবে বিবেচিত, তথাপি প্রতিবেশী দেশ ভারত, মায়ানমারে এ রোগের দ্রুত বিস্তার লাভ করছে। সেই হিসাবে বাংলাদেশ ঝুঁকিপূর্ণ। পাঁচবছর আগেও প্রতিবেশী দেশ ভারতে রোগটির প্রাদুর্ভাব ততটা ছিল না। কিন্তু বর্তমানে এইডস রোগীর সংখ্যার দিক থেকে ভারতের অবস্থান বিশ্বে দ্বিতীয়। এমনকি ঝুঁকিপূর্ণ পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত, মায়ানমার, থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যায়ের বাণিজ্যিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এসব দেশের মধ্যে ব্যবসায়ী ও পর্যটকদের আগমনও বাড়ছে। ঐসব দেশে যৌন ব্যবস্থা অবাধ ও আকর্ষণীয়। ফলে বিপুলসংখ্যক তরুণ-ব্যবসায়ী এইডসের ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী পৃথিবীর সাড়ে ৫ কোটিরও বেশি মানুষ বর্তমানে এইডসবাহী জীবাণু এইচআইভি দ্বারা আক্রান্ত। যে হারে বিশ্বে এইডস রোগীর সংখ্যা বাড়ছে তাতে আশংকা করা হচ্ছে ২০২০ সাল নাগাদ বিশ্বে এইডস রোগীর সংখ্যা ১০ কোটি ছাড়িয়ে যাবে।

কিভাবে এইডস রোগের প্রতিরোধ গড়ে তুলে প্রতিকার পেতে পারি আমরা ?

ঘাতক এইডস রোধকল্পে উন্নত দেশসহ তৃতীয় বিশ্বের চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন। এইডসের প্রতিষেধকও একদিন হয়তো আবিষ্কার হবে। তবে তার আগে এর প্রতিকারের বিষয়ে কিছু পদক্ষেপ নিলে ঘাতক এইডসের ছোবল থেকে মানুষ তার অস্তিত্ব নিয়ে টিকে থাকতে পারবে, এতে সন্দেহ নেই। যেমন-
* অবাধ যৌনাচারের অপসংস্কৃতি বর্জন।
* নিরাপদ ও বিশ্বস্ত শারিরীক সম্পর্ক স্থাপন।
* ধর্মীয় অনুশাসনের প্রতি অধিক গুরুত্বারোপ।
* মাদকদ্রব্য সেবন থেকে বিরত থাকা।
* যৌন মিলনের ক্ষেত্রে পরীক্ষিত ব্র্যান্ডের কনডম ব্যবহার নিশ্চিত করা।  
* রক্ত সংগ্রহের আগে রক্তদাতার রক্ত পরীক্ষা করা।
* গর্ভাবস্থায় মায়ের এইডস ছিল কিনা তা পরীক্ষা করা।
* এইডস আক্রান্ত রোগীর জীবন বৃত্তান্ত চিকিৎসকের জেনে নেয়া।
* আক্রান্ত ব্যক্তির অন্য কোথাও রক্ত নিয়েছে কিনা তা পরীক্ষা করা।  
* সুচ-সিরিঞ্জ জীবাণুমুক্ত করে ব্যবহার করা।
* প্রচার মাধ্যমগুলোকে এ ব্যাপারে সক্রিয় করা।

ঘাতক ব্যাধি হলেও আধুনিক বিশ্বের মানুষ এইডসকে প্রতিরোধ করার নিরলস প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। বাংলাদেশও এ থেকে দূরে নেই। আমাদের দেশে এইচআইভি/এইডস নিয়ে আরো খোলামেলা আলোচনা হওয়া দরকার। পাঠ্য বইতে এইচআইভি/এইডস বিষয়টি থাকলেও তা পড়াতে শিক্ষকগণ স্বচ্ছন্দ বোধ করেন না। নানা ধরনের সচেতনাতামূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি যৌন জীবনে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে তরুণদের জন্য কনডম সহজলভ্য করা দরকার। নিরাপদ যৌন সম্পর্ক স্থাপন কিংবা কনডমের ব্যবহার বাড়াতে যৌনকর্মীদের ক্ষমতায়িত করা প্রয়োজন যেন তারা খদ্দেরদের সাথে এ নিয়ে দরকষাকষি করতে পারে। আমেরিকাসহ অন্যান্য দেশেও এইডসের কালো থাবা থেকে বেঁচে থাকার জন্য সাংগঠনিকভাবে জনমত গড়ে উঠছে। এ ঘাতক ব্যাধির প্রতিষেধক চিকিৎসা বিজ্ঞানে আবিষ্কৃত হলে এইডসের অভিশাপ অন্য দশটি ভাইরাসের মতোই বিলীন হয়ে যাবে।

এইডসের ভাইরাস থেকে মুক্ত রাখার লক্ষ্যে বিভিন্ন দেশের সরকার তাদের প্রচারপত্র, বেতার, টেলিভিশনের মাধ্যমে এ ঘাতক ব্যাধি সম্পর্কে সচেতনতা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। সরকার এইডস প্রতিরোধে একটি টাস্কফোর্স গঠন করেছে। ব্যাপক প্রচার প্রচারনা চালিয়ে তৃণমূলের সকল মানুষের মাঝে এ সংক্রান্ত সঠিক তথ্য পৌছানো গেলে প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তোলা যাবে। তাছাড়া নৈতিক অবক্ষয় রোধ করতে পারলে মরণব্যাধি এইচআইভি/এইডস এর ছোবল থেকে সহজেই রক্ষা পাওয়া যাবে।

ছোটপর্দায় আজকের খেলা
শেষ দিনের মতো ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু
অতি কর্মব্যস্তরাই ৪ জুন বাড়ি ফিরতে চান
ট্রেনের টিকিট বিক্রিতে ধীরগতি
মাঠেই দুয়োধ্বনি, তবু স্মিথের সেঞ্চুরি


টেকনাফে ১ লাখ পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক
নাটোরে একসঙ্গে জন্ম নেয়া ৪ সন্তানের একজন মারা গেছে 
প্রভাব খাটিয়ে বাজারের নাম পরিবর্তন
বিরল সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত
ছুটি ছাড়াই ১ মাস ধরে কর্মস্থলে নেই শিবগঞ্জের টিএসও