সুপ্ত ম্যালেরিয়া জীবাণু রুখবে নতুন ওষুধ

স্বাস্থ্য ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ছবি: সংগৃহীত

walton

ঢাকা: ‘প্লাসমোডিয়াম ভিভাক্স’ জীবাণুর ম্যালেরিয়া প্রতিষেধক একটি ওষুধ ৬০ বছরের মধ্যে প্রথম অনুমোদন পেতে যাচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ ‘টেফিনোকুইন’ নামের ওই ওষুধটি অনুমোদনের জন্য ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে।

php glass

প্রত্যেক বছর ৮৫ লাখের বেশি মানুষ ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়। অনুমোদন পেতে যাওয়া নতুন ওষুধটি ম্যালেরিয়া সংক্রমণ থেকে নিরাময়ের জন্য বিশেষভাবে ব্যবহার হবে।

ম্যালেরিয়া সাধারণত মানুষের যকৃতে সুপ্ত অবস্থায় থাকে। অনেক ক্ষেত্রেই বহু বছর সুপ্ত থাকার পর সংক্রমণটি সক্রিয় হয়। নতুন এ প্রতিষেধকটি ম্যালেরিয়ার সুপ্তাবস্থার মোকাবেলা করবে।

বিজ্ঞানীরা অনুমোদন পেতে যাওয়া প্রতিষেধক টেফিনোকুইনকে ‘বিস্ময়কর অর্জন’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।

ম্যালেরিয়া রোগের একটি জীবাণুর নাম ‘প্লাসমোডিয়াম ভিভাক্স’। সাব-সাহারান আফ্রিকা অঞ্চলের বাইরে এ ধরনের ম্যালেরিয়া জীবাণু পাওয়া যায়।

জীবাণুটির কারণে শিশুরা সবচেয়ে বেশি সংক্রমিত হয়। একজনের শরীর থেকে আর একজনের শরীরে মশার কামড়ের মাধ্যমে প্রবাহিত হয়। যার ফলে এ জীবাণুর ম্যালেরিয়া সংক্রমণ থেকে নিরাময় কঠিন হয়ে পড়ে।

যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) ‘টেফিনোকুইন’ প্রতিষেধকটির অনুমোদন দিচ্ছে। প্রতিষেধকটি সুপ্ত থাকা ম্যালেরিয়ার জীবাণু সংক্রমণ থেকে রক্ষা করবে। এছাড়া পুনরায় এ জীবাণুর সংক্রমণ থেকেও রক্ষা করবে।

ম্যালেরিয়া সংক্রমণ থেকে রক্ষার অন্যান্য ওষুধের পাশাপাশি এটিও ব্যবহার করা যাবে।

যকৃতে সুপ্ত অবস্থায় থাকা ম্যালেরিয়া জীবাণুর সংক্রমণ থেকে বাঁচতে এক ধরনের ওষুধ বাজারে পাওয়া যায়। এ ওষুধটির নাম ‘পিরামাকুইন’। সাধারণত ১৪ দিন সেবন করতে হয়। আর নতুন এই টেফিনোকুইনের শুধুমাত্র একটি ডোজের প্রয়োজন পড়ে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পিরামাকুইন সেবনের কিছুদিন পর অনেকেই সুস্থ হয়ে যায় এবং ওষুধ সেবন বাদ দিয়ে দেয়। কিন্তু এর ফলে পরজীবীটি আবার সক্রিয় হয়ে উঠে।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর রিক প্রাইস বলেন, টেফিনোকুইনের শুধুমাত্র এক ডোজের মাধ্যমে যকৃতে সুপ্ত থাকা ম্যালেরিয়া জীবাণুর নিরাময় একটি ‘বিস্ময়কর অর্জন’। আমার মতে গত ৬০ বছরের ইতিহাসে ম্যালেরিয়া চিকিৎসার ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।

গ্লাসকো স্মিথক্লাইনের (জিএসকে) গবেষণা ও উন্নয়ন প্রেসিডেন্ট ড. হাল ব্যারন বলেন, ক্রিনটাফেল (টেফিনোকুইনের ব্র্যান্ড নাম) যা ৬০ বছরের মধ্যে প্রথম ‘প্লাসমোডিয়াম ভিভাক্স’ জীবাণুর ম্যালেরিয়া প্রতিষেধক। এর অনুমোদন ম্যালেরিয়া সংক্রমণ নিরাময়ের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

৭০’র দশক থেকে টেফিনোকুইন রয়েছে কিন্তু এতোদিন ম্যালেরিয়ার অন্যান্য ওষুধের মধ্যে এটি ব্যবহার করা হতো। জিএসকে টেফনোকুইনকে যকৃতে সুপ্ত অবস্থায় থাকা ম্যালেরিয়া জীবাণু সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে নতুনভাবে ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হলো।

বাংলাদেশ সময়: ০১২৯ ঘণ্টা, জুলাই ২৪, ২০১৮
এএইচ/টিএ

‘শেখ হাসিনার গড়া ফিল্ম আর্কাইভে পূর্ণতা পেয়েছে এফডিসি’
রাজউকে নতুন চেয়ারম্যান, পরিবেশ অধিদপ্তরে ডিজি
পুত্রবধূকে হত্যার অভিযোগে শাশুড়ি গ্রেফতার
বরিশালে চিংড়ির রেনু পোনাসহ আটক ৪ জনের জরিমানা
কেন্দুয়ায় অটোরিকশা উল্টে কলেজছাত্র নিহত


মধ্যবর্তী নির্বাচন দিতে সরকারকে বাধ্য করা হবে: অলি আহমদ
মধুর ক্যান্টিনের ঘটনায় ছাত্রলীগের ৫ নেতা বহিষ্কার 
মুক্তাগাছায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমিকের মৃত্যু
রশিদ-নবীদের ওপরই আফগানের ভরসা
ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৯

রশিদ-নবীদের ওপরই আফগানের ভরসা

চমেক হাসপাতালে আগুন