তরুণ চিকিৎসকদের দ্রুত উপরে ওঠার প্রবণতা লক্ষণীয়

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ছবি : পিয়াস/বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton
তরুণ চিকিৎসকদের দ্রুত উপরে ওঠার প্রবণতা লক্ষণীয় বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। শনিবার (১৯ ডিসেম্বর) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) মিলন হলে অ্যাসোসিয়েশন অব পেডিয়াট্রিক সার্জন'র চতুর্থ কংগ্রেসে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ঢাকা: তরুণ চিকিৎসকদের দ্রুত উপরে ওঠার প্রবণতা লক্ষণীয় বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।

শনিবার (১৯ ডিসেম্বর) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) মিলন হলে অ্যাসোসিয়েশন অব পেডিয়াট্রিক সার্জন'র চতুর্থ কংগ্রেসে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মোহাম্মদ নাসিম বলেন, তরুণ চিকিৎসকদের মধ্যে দ্রুত উপরে ওঠার প্রবণতা লক্ষণীয়। এ কারণে তারা ভালো করতে পারছে না।

হাসপাতালে চিকিৎসক থাকলেও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং মেডিকেল শিক্ষায় বিশেষজ্ঞ শিক্ষকের অভাব লক্ষণীয় বলেও জানান তিনি।

নাসিম বলেন, ভালো কাজের পুরস্কার আমরা দিই। মন্ত্রণালয়ে চিকিৎসকদের ফুলের মালা দিয়েও বরণ করা হয়েছে। তবে এটা বলতেই হবে সার্ভিস এখনও আশানুরূপ নয়।

স্বাস্থমন্ত্রী বলেন, আমি জানি হাসপাতালে রোগীর চাপ বেশি। তবে কাউকে ফিরিয়ে দেবেন না। রোগী আপনাদের সৃষ্টিকর্তার পরেই ভাবেন। তাই তাদের অভিযোগও থাকবে। সেটা মেনে নিয়েই সেবা দিয়ে যেতে হবে। রোগীর মাথায় হাত দিয়ে কথা বললেও রোগী নিজেকে নিরাপদ ভাবেন। 

তিনি বলেন, অনেক হাসপাতাল রয়েছে, সেখানে কোনো চিকিৎসক নেই, জনবল নেই।

দামী যন্ত্রপাতি পড়ে আছে। ঠিক করেছি এখন থেকে এ ধরনের অবকাঠামো আর করা হবে না। যেখানে চিকিৎসক, নার্স দেওয়া যাবে সেখানেই অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে।

নাসিম বলেন, মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীদের এমবিবিএস ডিগ্রির পর ২ বছর ইন্টার্নশিপ করতে হবে। এক বছর নিজের প্রতিষ্ঠানে এবং আরেক বছর নিজগ্রামে। ২ বছরের ইন্টার্নশিপ ছাড়া কাজে যোগ দেওয়া যাবে না।

গ্রামে সেবা দিলে চিকিৎসকদের মধ্যে দায়িত্ব বাড়বে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

শ্রীলংকার উদাহরণ টেনে নাসিম বলেন, পৃথিবীর অনেক উন্নত দেশে ২ বছর ইন্টার্নশিপ করতে হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাতে চারটি সমস্যা চিহ্নিত করা হয়েছে। অবকাঠামো নির্মাণের জন্যে জায়গার অভাব, বাজেট ও ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা এবং হাসপাতালগুলোতে রোগীর বেশি চাপের কারণে চাহিদা অনুযায়ী সেবা না দিতে পারা।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ডা. শাহেলা খাতুন, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব অধ্যাপক ডা. ইকবাল আর্সনাল, জাপানের অতিথি অধ্যাপক ডা. আকিও কুবোতা।

বাংলাদেশ সময়: ১৭১৯ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ১৯, ২০১৫
এমএন/টিআই

** এমবিবিএস’র পর ইন্টার্নশিপ ২ বছরের

Nagad
‘করোনার মধ্যেও মেগা প্রকল্পের কাজে গতি সঞ্চার হয়েছে’
‘করোনা অনুপ্রবেশকারীদের চেনার সুযোগ করে দিয়েছে’
শূন্য ১৮০ পদ, বন্ধের পথে রেলওয়ের অপারেশন কার্যক্রম
আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শেখ হাসিনা
পাটকল বন্ধের সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী


ঢাকায় ৭ জুলাই থেকে ফ্লাইট চালাবে মালিন্দ এয়ার
দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ষসেরা ক্রিকেটার ডি কক
কাউকেই অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে হবে না: সচিব
ডিএসইর চেয়ে বেশি লেনদেন সিএসইতে
সৈয়দপুরে করোনায় আরও একজনের মৃত্যু