php glass

শনিবার থেকে হাম-রুবেলার টিকা

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

দেশের ইতিহাসে বৃহত্তম টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে শনিবার। এ কর্মসূচির আওতায় নয় মাস থেকে ১৫ বছর বয়স পর্যন্ত দেশের পাঁচ কোটি ২০ লাখ শিশুকে হাম ও রুবেলা টিকা দেওয়া হবে। চলবে আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

ঢাকা: দেশের ইতিহাসে বৃহত্তম টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে শনিবার। এ কর্মসূচির আওতায় নয় মাস থেকে ১৫ বছর বয়স পর্যন্ত দেশের পাঁচ কোটি ২০ লাখ শিশুকে হাম ও রুবেলা টিকা দেওয়া হবে। চলবে আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

শনিবার সিটি কর্পোরেশনগুলোতে বিভিন্ন কেন্দ্রে এ কার্যক্রম শুরু হলেও আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে একদিন পর। রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।

যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুরা লেখাপড়া করে, সেসব প্রতিষ্ঠানই টিকাদান কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা বিভাগের লাইন ডিরেক্টর আবু জাফর মো. মুসা বলেন, যেসব শিশু স্কুলে যায় না কিংবা স্কুলে টিকা নেয়নি, তারা দ্বিতীয় ও তৃতীয় সপ্তাহে দেশের এক লাখ ২০ হাজার টিকাদান কেন্দ্র থেকে টিকা নিতে পারবে।

এ ছাড়া পথশিশু, কর্মজীবী শিশু, কর্মজীবী মায়ের শিশু বা শহর এলাকার অন্যান্য শিশু যারা টিকাকেন্দ্রে নাও যেতে পারে, তাদের জন্য রেলস্টেশন, বাসস্টেশন, লঞ্চ টার্মিনাল, পার্ক, ফুটপাত ইত্যাদি এলাকায় বিশেষ দল গঠন করে বা অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র চালু করা হবে বলে জানান তিনি।

মো. মুসা আরও জানান, টিকার কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। তারপরও প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি মেডিকেল স্কয়াড প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তবে গুরুতর অসুস্থ শিশুকে এই টিকা দেওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
 
ঢাকা শিশু হাসপাতালের অধ্যাপক মো. রুহুল আমিন বলেন, টিকাটি খুবই নিরাপদ। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই বললেই চলে। তবে অন্যান্য টিকা দিলে যেমন টিকা দেওয়ার জায়গাটি ফুলে যায় বা হালকা জ্বর আসে‍, এই টিকাটির ক্ষেত্রেও কারও কারও এমন হতে পারে। কিন্তু এতে ঘাবড়ানোর কোনো কারণ নেই।

রুবেলা ভাইরাসজনিত রোগ। গর্ভধারণের তিন মাসের সময় রুবেলা ভাইরাস আক্রমণ করলে ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে মায়ের থেকে গর্ভের শিশু আক্রান্ত হতে পারে। সে ক্ষেত্রে গর্ভপাত; এমনকি গর্ভের শিশুর মৃত্যুও হতে পারে। শিশুর হৃদযন্ত্রে ছিদ্র হতে পারে, শিশু অন্ধও হতে পারে।

বাংলাদেশে প্রতি ১০ লাখে দুই হাজার ৯৭৯ জন রুবেলায় আক্রান্ত হয়। রুবেলা নিয়ে কোনো শিশু যাতে জন্ম না নেয়, সে জন্য ২০১৩ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে সরকার বিনা মূল্যে রুবেলা টিকা দিতে শুরু করে।

হামও একটি ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ। যে কোনো বয়সে হাম হতে পারে। তবে শিশুদের মধ্যে এর প্রকোপ, জটিলতা ও মৃত্যু বেশি। জটিলতাগুলোর মধ্যে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, অপুষ্টি, এনকেফালাইটিস, অন্ধত্ব, বধিরতা অন্যতম।

২০১৬ সালের মধ্যে হাম ও রুবেলা টিকার হার জাতীয় পর্যায়ে ৯৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যে কাজ করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, এর আগে এত বেশিসংখ্যক শিশুকে একযোগে একটি কর্মসূচির আওতায় টিকা দেওয়া হয়নি। এ ছাড়া এবারই প্রথম ১৫ বছর বয়স পর্যন্ত ছেলে ও মেয়ে শিশু টিকা পাবে।  এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে খরচ হচ্ছে ৫১২ কোটি ৭০ লাখ টাকা।

২০০৬ সালে ক্যাচ আপ ক্যাম্পেইনের আওতায় নয় মাস থেকে ১০ বছর বয়স পর্যন্ত সাড়ে তিন কোটি শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়। ২০১০ সালে টিকা দেওয়া হয়েছিল এক কোটি ৮০ লাখ শিশুকে।
 
বাংলাদেশ সময়: ২১০০ ঘণ্টা; জানুয়ারি ২৪, ২০১৪

প্রধানমন্ত্রীকে বিএনপির এমপি হারুনের ধন্যবাদ
পিএসএলে নেই কোনো বাংলাদেশির নাম
রোহিঙ্গাদের এনআইডি: ২ ইসি কর্মচারী ৭ দিনের রিমান্ডে
বগুড়ায় চার জেলার ২৮ করদাতাকে সম্মাননা
সুন্দরবনে অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক ৫৫


কলকাতায় শীতের আমেজ
‘সুস্থ জীবনযাপনে খাবার গ্রহণ পরিমিত হওয়া প্রয়োজন’
আরেকটা ‘চমক’ দেখাতে পারবে বাংলাদেশ?
কোটালীপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু
‘গণতন্ত্র ও ছাত্র রাজনীতি না থাকলে ক্ষমতাও থাকবে না’