আচরণবিধি লঙ্ঘনে পৌর মেয়রসহ আ’লীগের ১১ নেতাকর্মীর দণ্ড

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

আচরণবিধি লঙ্ঘনে পৌর মেয়রসহ আওয়ামী লীগের ১১ নেতাকর্মীর দণ্ড

walton

রাজশাহী: রাজশাহীর দুর্গাপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার মেয়র তোফাজ্জল হোসেনসহ ১১ নেতাকর্মীকে আটকের পর পাঁচদিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

php glass

শনিবার (০৯ মার্চ) দুপুরে পৌরসভা ভবন থেকে তাদের আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করে তাদের দণ্ড দেওয়া হয়।

রাজশাহী পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ জানান, একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে ভোটের দিন নাশকতার পরিকল্পনা করতে তারা পৌরসভায় গোপন বৈঠক করছিলেন। খবর পেয়ে দুর্গাপুর থানা পুলিশ গিয়ে তাদের আটক করে। পরে সবাইকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে নেওয়া হয়। সেখানে তাদেরকে পাঁচ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

আটক অন্যরা হলেন- পৌরসভা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজহার আলী, ঝালুকা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোজাহার আলী, পৌরসভা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান মজনু, উপজেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের সভাপতি নুর হোসেন, পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সোলাইমান আলী, পৌরসভা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শরিফুজ্জামান শরীফ, দৌলিয়া বাড়ি ইউপি আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, মেয়র তোফাজ্জাল হোসেনের ছেলে মনিরুজ্জজামান মনি, ভাগ্নে রবিউল ইসলাম রবিন ও আওয়ামী লীগ কর্মী সাকিল। 

রাজশাহীর দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মোতালেব বলেন, শুক্রবার মধ্যরাত থেকে নির্বাচনী প্রচারণা বন্ধ করার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু মজিদের সমর্থকরা নির্বাচনী আচরণবিধি ভেঙে বৈঠক করে নাশকতার পরিকল্পনা করছিল। এই অপরাধে তাদের আটক করা হয়েছে। 

এ সময় মেয়র তোফাজ্জল হোসেনের কাছে তার লাইসেন্স করা একটি বৈধ আগ্নেয়াস্ত্রও পাওয়া যায়। অথচ উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অস্ত্র জমা দেওয়ার কথা থাকলেও তা জমা দেননি তিনি। 

তাদের আটকের সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাউসার হামিদ ও জর্জ মিত্র চাকমা উপস্থিত ছিলেন। পরে তাদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে প্রত্যেককে পাঁচ দিন করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এদিকে, রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম। তার বিপরীতে ভোটের মাঠে লড়ছেন একই দলের দুইজন প্রার্থী। তারা হলেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল মজিদ সরদার এবং উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল কাদের। 

এই উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যানের দু’টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আটজন প্রার্থী। 

এর মধ্যে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিনয় কুমার, আব্দুল মোতালেব, বেলাল হোসেন ও রেজাউল করিম এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বানেছা বেগম, সাহিদা বিবি, জলিদা বেগম ও সারমিন আহম্মেদ রয়েছেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৬৪৫ ঘণ্টা, মার্চ ০৯, ২০১৯
এসএস/জেডএস

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন: রাজশাহী উপজেলা পরিষদ নির্বাচন
মানুষের মৃত্যুর প্রহর গুনেন তারা
অসহ্য গরমের পর স্বস্তির বৃষ্টি চট্টগ্রামে
পাইকারিতে আড়াই টাকার লেবু খুচরা পর্যায়ে ১০ টাকা
মার্কেটে মার্কেটে পুলিশের সেবা বুথ
ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে লক্ষ্য সুনির্দিষ্ট: পলক


২৫০ রোগীর বিপরীতে ১ জন চিকিৎসক
বগুড়া-৬ উপ-নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন না খালেদা জিয়া
খিলগাঁয়ে কাভার্ড ভ্যানচাপায় শিক্ষার্থীর মৃত্যু
ট্রেনের টিকিটের জন্য রাত জাগছেন তারা
ক্রেতা টানতে বুলি, ফুটপাতে জমেছে বিকিকিনি