php glass

বর্তমান সরকারের অধীনেই নির্বাচন চায় গণতন্ত্রী পার্টি

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ইসি ভবন; ফাইল ফটো

walton

ঢাকা: বর্তমান সরকার বা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনেই আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন চায় গণতন্ত্রী পার্টি।

বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপে বসে দলটি এমন সুপারিশ করেছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংলাপে গণতন্ত্রী পার্টির সভাপতি ব্যারিস্টার মোহাম্মদ আরশ আলীর নেতৃত্বে ১১ সদস্যের প্রতিনিধি দল অংশ নেন।

সংলাপে ২১ দফা সুপারিশ করে দলটি। এগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো-একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সংবিধানের আলোকে বর্তমান সরকারের বা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনেই অনুষ্ঠিত করা। তবে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর সরকার যেন দৈনন্দিন কার্যাবলী ছাড়া নীতিগত কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত না দেয় তার সুপারিশ করেছে দলটি।।

এছাড়া অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র, জনপ্রশাসন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় নির্বাচনকালীন সময়ে নির্বাচন কমিশনের অধীনস্থ করা; নির্বাচনকালীন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে সংবিধানে নির্বাচন কমিশনকে যে ক্ষমতা দেয়া হয়েছে সে মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া; যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত ও জঙ্গি তৎপরতায় যুক্ত ব্যক্তি, মিয়ানমার থেকে আগত রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভূক্ত না করা; প্রবাসীদের ভোটার ভোটাধিকার; ফৌজদারি দণ্ডাদেশ প্রাপ্ত ব্যক্তিকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে না দেয়া; নির্বাচনে ধর্মের সর্বপ্রকার ব্যবহার, সাম্প্রদায়িক প্রচার প্রচারণা ও ভোট চাওয়াকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে নিষিদ্ধ করা; স্বাধীনতা বিরোধী  ও ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক দলকে নিবন্ধন না দেয়ার সুপারিশও করেছে গণতন্ত্রী পার্টি।

আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে গত ৩১ জুলাই সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এবং ১৬ ও ১৭ আগস্ট গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সংলাপে বসেছিল ইসি। এরপর গত ২৪ আগস্ট থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করে নির্বাচন কমিশন।

সংলাপে আসা এ পর্যন্ত সুপারিশগুলোর মধ্যে সারাদেশে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন,সেনা মোতায়েন, বর্তমান সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলোকে নিয়ে অন্তবর্তীকালীন সরকার গঠন, প্রতি ভোটকেন্দ্রে সিসি টিভি/ক্যামেরা স্থাপন, নবম সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলোকে নিয়ে অন্তবর্তীকালীন সরকার গঠন, দশম সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলোকে নিয়ে অন্তবর্তীকালীন সরকার গঠন, ‘না ভোট’ প্রবর্তন, প্রবাসে ভোটারধিকার প্রয়োগ,জাতীয় পরিষদ গঠন, নির্বাচনকালীন অস্থায়ী সরকার গঠন, নির্দলীয় নির্বাচনকালীন সরকার, নির্বাচনের সময় সংসদ ভেঙ্গে দেওয়া, রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার, নির্বাচনকালীন সময়ে ইসির অধীনে জনপ্রশাসন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা, দলের নির্বাহী কমিটিতে বাধ্যতামূলকভাবে ৩৩ শতাংশ নারী সদস্য রাখান বিধান তুলে নেওয়া অন্যতম।

আগামী ১৫ অক্টোবর বিএনপি (ধানের শীষ) এবং ১৯ অক্টোবর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের (নৌকা) সঙ্গে বসবে ইসি।

এবারের সংলাপ শেষ হচ্ছে আগামী ২৪ অক্টোবর। ২২ অক্টোবর নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে, ২৩ অক্টোবর নারী নেত্রীদের সংলাপে বসছে নির্বাচন কমিশন।

বাংলাদেশ সময়: ১৫৫৭ ঘণ্টা, অক্টোবর ১২, ২০১৭
ইইউডি/আরআই

পরামর্শক ব্যয়ে পেছালো হাইস্পিড ট্রেন লাইনের সমীক্ষা
স্পেনের কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন এনরিকে
শিক্ষাঙ্গনেও খেলতে পারছে না কোমলমতি শিশুরা!
সৌরভকে পাওয়ার খবর জানায় অটোরাইসমিলের ম্যানেজার
ছোটপর্দায় আজকের খেলা


কিশোরগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষক নিহত
কদমতলীতে ছুরিকাঘাতে কিশোর নিহত
পাহাড়ের রসালো আনারসে কৃষকের হাসি
নিখোঁজের ১১ দিন পর সোহেল তাজের ভাগ্নে উদ্ধার
শিবগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত