ঢাকা, শনিবার, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ১৮ রবিউস সানি ১৪৪২

শিক্ষা

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ল ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১২১৬ ঘণ্টা, অক্টোবর ২৯, ২০২০
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ল ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ফাইল ফটো

ঢাকা: করোনা ভাইরাস মহামারির কারণে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আরও বাড়ানো হয়েছে। আগামী ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধই থাকছে।

 

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) অনলাইনে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।  এ সময় সংবাদ সম্মেলনে অনলাইনে সংযুক্ত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান।

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার চিন্তাও করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, করোনা ভাইরাস সংকটকালে পরিস্থিতি বিবেচনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে হচ্ছে। শিক্ষক-শিক্ষার্থী অভিভাবকদের কথা ভেবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। আমরা দেখছি সীমিত পরিসরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা যায় কি-না। আগামী দুই সপ্তাহ আমরা দেখব, যদি পরিস্থিতি অনুকূলে হয় তাহলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সীমিত পরিসরে খোলার বিষয়টা বিবেচনা করব। ভারতসহ অন্যান্য দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। সবকিছুই আমরা বিবেচনায় রাখছি।

করোনা ভাইরাসের কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি চলছে। দফায় দফায় ছুটি বাড়িয়ে তা আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত করা হয়। এবার তা বাড়িয়ে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত করা হলো।

করোনার বাস্তবতায় দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকায় প্রায় চার কোটি শিক্ষার্থীর পড়াশোনা অত্যন্ত ঝুঁকিতে পড়েছে। বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য বলছে, দেশের মোট শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রাথমিক পর্যায়ে পড়ে প্রায় পৌনে দুই কোটি ছেলেমেয়ে। আর মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা সোয়া কোটির কিছু বেশি। বাকিরা অন্যান্য স্তরে পড়ছেন। এ অবস্থায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জিজ্ঞাসা ছিল ছুটি কী আরও বাড়বে, না-কি খুলে দেওয়া হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

এদিকে, করোনা পরিস্থিতির কারণে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা এবং জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। বাতিল হয়েছে উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষাও, এর পরিবর্তে জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের গড়ের ওপর ভিত্তি করে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে।

বাংলাদেশ সময়: ১২১৫ ঘণ্টা, অক্টোবর ২৯, ২০২০
জিসিজি/টিএ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa