ফ্রি-ফ্লোট ভিত্তিতে ডিএসইর নতুন সূচক চালুর সিদ্ধান্ত

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) নতুন সূচক চালুর বিষয়ে করণীয় নির্ধারণে সোমবার সংশ্লিষ্ট তিনটি সংস্থার সঙ্গে বৈঠক করেছে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।

ঢাকা: দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) নতুন সূচক চালুর বিষয়ে করণীয় নির্ধারণে সোমবার সংশ্লিষ্ট তিনটি সংস্থার সঙ্গে বৈঠক করেছে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।

বৈঠকে এসইসির কর্মকর্তাসহ ডিএসই, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) এবং সেন্ট্রাল ডিপজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
 
বেলা ১১টা ৪০ থেকে ১২টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত ডিএসইসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করে এসইসি।

বৈঠকে আন্তর্জাতিক মানের সূচক প্রবর্তনের উপর আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে শুধু লেনদেনযোগ্য শেয়ারের (ফ্রি-ফ্লোট) ভিত্তিতে ডিএসইর নতুন সূচক চালুর সিদ্ধান্ত হয়। এছাড়া ফ্রি-ফ্লোটের সংজ্ঞা নির্ধারণের জন্য এসইসির সদস্য আরিফ খানকে আহবায়ক করে সিএসই, ডিএসই ও সিডিবিএল’র প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এ কমিটিকে কমিশনের কাছে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

কমিশনের নির্বাহী পরিচালক আনোয়রুল করিম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সোমবার দুপুরে এসব তথ্য জানানো হয়।

এর আগে গত ১২ অক্টোবর ডিএসইর নতুন সূচক চালুর বিষয়ে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি। কমিশনের নির্বাহী পরিচালক এটিএম তারিকুজ্জামানকে প্রধান করে গঠিত কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারুল ইসলাম এবং পরিচালক মাহবুবুল আলম। কমিটিকে তাদের কাজ শেষ করে ১৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়।

পরবর্তীতে গত ৩০ অক্টোবর এ কমিটি এসইসির চেয়ারম্যান এম খায়রুল হোসেনের কাছে প্রতিবেদন জমা দেন। এ কমিটি প্রতিবেদনে লেনদেনযোগ্য (ফ্রি ফ্লোট) শেয়ারের ভিত্তিতে সম্পূর্ণ নতুন একটি সূচক চালুর সুপারিশ করে। এতে তালিকাভুক্ত কোনো কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হলেই কেবল তা সূচকে অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দেন। কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে প্রচলিত সূচকগুলো কোম্পানির মোট পরিশোধিত মূলধনের ভিত্তিতে চালু করা হয়েছিল। পরে নতুন কয়েকটি কোম্পানিকে সূচকে অন্তর্ভুক্ত করার সময় লেনদেনযোগ্য শেয়ারকে বিবেচনায় নেয়া হয়। এ কারণে বর্তমান সূচকে বাজারের প্রকৃত চিত্র প্রতিফলিত হচ্ছে না। নতুন সূচক চালুর আগে লেনদেনযোগ্য শেয়ার এবং স্পন্সর বা উদ্যোক্তাতাদের সংজ্ঞা নির্ধারণের কথাও বলা হয় ওই প্রতিবেদনে। কারণ কোনও কোম্পানির উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে থাকা শেয়ার এবং লেনদেনে নিষেধাজ্ঞায় (লক ইন) রয়েছে, এমন শেয়ার বাদে বাকি শেয়ারকে লেনদেনযোগ্য হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। এ ধরনের শেয়ারের তাৎক্ষণিক হিসাব সংগ্রহের জন্য স্টক এক্সচেঞ্জকে একটি কার্যকর পদ্ধতি চালু করতে হবে।

গত ২০ ডিসেম্বর ডিএসইর নতুন সূচক চালুর বিষয়ে গঠিত কমিটির সদস্যদের সঙ্গে নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তাতে কমিটির সদস্যরা ভুল সূচকের পরিবর্তে নতুনভাবে মূল্যসূচক চালুর পক্ষে তাঁদের মতামত তুলে ধরেন। একই সঙ্গে ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে নতুন মূল্যসূচক চালুর সুপারিশ করা হয়।

এছাড়া ডিএসইও নতুন সূচক নির্ধারণের বিষয়ে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শামসুল হক, মাহমুদ ওসমান ইমাম ও সাদিকুল ইসলামকে নিয়ে ওই কমিটি গঠিত হয়। তারাও এ   বিষয়ে এসইসির কাছে প্রতিবেদন দাখিল করে। তাতে সূচক পরিমাপ বা নির্ধারণে হিসাবজনিত অসংগতির কারণে ২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডিএসইর সাধারণ সূচক প্রায় আড়াই হাজার পয়েন্ট বেশি দেখানো হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ সময়: ১২১০ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ২৬, ২০১১

Nagad
দিরাইয়ে করোনা আক্রান্ত হয়ে বৃদ্ধার মৃত্যু
কমলনগরে নদী ভাঙন রোধের দাবিতে মানববন্ধন
করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৩৯ মৃত্যু, শনাক্ত ৩০৯৯
ঈদুল আজহার ছুটি বর্ধিত করা হবে না: মন্ত্রিপরিষদ সচিব
সিলেটে ৫ উপজেলার ৩৭ ইউনিয়ন বন্যা কবলিত


রাজশাহীতে দেরি হচ্ছে ফ্লাইট চালু
আদালতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেন ডা. সাবরিনা
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ঝরনায় পড়ে যুবকের মৃত্যু
দেশের ৬৫ শতাংশ তরুণ জনগোষ্ঠীই দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে
ভারতের সঙ্গে পার্সেল ট্রেন চলাচল শুরু, এলো ৩৮৪ টন মরিচ