php glass

দেশের অর্থনীতি শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে গেছে : আতিউর রহমান

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

বাংলাদেশের অর্থনীতি সার্বিকভাবে একটি শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে গেছে বলে মত দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাকের  গভর্নর ড. আতিউর রহমান।  তিনি বলেছেন, ‘সার্বিকভাবে আমাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন আশানুরূপভাবেই হয়েছে।’

ঢাকা : বাংলাদেশের অর্থনীতি সার্বিকভাবে একটি শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে গেছে বলে মত দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাকের  গভর্নর ড. আতিউর রহমান।
 
তিনি বলেছেন, ‘সার্বিকভাবে আমাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন আশানুরূপভাবেই হয়েছে।’

মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি দেশের আর্থিক খাতে স্থিতিশীলতা রয়েছে উল্লেখ করে বলেন, ‘২০১০ সালে এই স্থিতিশীলতা সুসংহত করতে যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল তা সফলভাবেই কাজ করেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক দারিদ্র বিমোচন ও টেকসই সাম্য সহায়ক প্রবৃদ্ধি অর্জনে কৃষি, ক্ষুদ্র-মাঝারি প্রকল্প ও পরিবেশবান্ধব প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে।’
 
তবে আন্তর্জাতিক বাজারে জনশক্তি রফতানির ক্ষেত্রে ২০১০ সালকে কিছুটা পিছিয়ে পড়া বছর হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এ লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক গবেষণাধর্মী কিছু সুপারিশ সরকারকে দেবে, যা শ্রম রপ্তানির মাধ্যমে রেমিটেন্স বাড়িয়ে দেশের অর্থনীতিকে আরও মজবুত করবে।’

বিগত দিনের কিছু ভুলভ্রান্তি থাকলেও আগামী বছর নতুন করে কাজ শুরু করার উদ্যোগের কথায়ও জানান কেন্দ্রীয় ব্যাংক গভর্নর।
 
এ লক্ষ্যে ২০১১ সালের জানুয়ারির মাঝামাঝিতেই নতুন একটি বাস্তবসম্মত মুদ্রনীতি ঘোষণা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

গভর্নর বলেন, ‘বিশ্ব অর্থনীতির যে ধারা এতে করে আগামী দুয়েক বছরে মুদ্রানীতিতে বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন হবে না। মুদ্রাস্ফীতিকে সহনীয় পর্যায়ে রেখে প্রবৃদ্ধি সহায়ক মুদ্রানীতি অনুসরণ করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।’

তিনি বলেন, ‘খাদ্য সূচকে মূল্যস্ফীতি বাড়ছে এটা কিছুটা উদ্বেগজনক। তবে পাশাপাশি মূলধনী যন্ত্রপাতির আমদানি বাড়ছে। এতে করে আগামীতে উৎপাদন বাড়বে। আমদানি ব্যয় বাড়লেও কিংবা সরকারের ঋণ বাড়লেও অতটা উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। কারণ আমাদের বর্তমান যে রিজার্ভ তাতে ছয় মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। তবে আমাদের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর ওপর জোর দিতে হবে।’
 
গভর্নর বলেন, ‘দেশের ব্যাংকিং খাত আগের তুলনায় সুশৃংখল হয়েছে। শুধু বছর শেষের দিকে কিছুটা বিশৃংখলা লক্ষ্য করা গেছে। কিন্তু দুয়েকটি ব্যাংকের জন্য পুরো ব্যাংকিং খাতকে দায়ী করা ঠিক হবে না। যেসব ব্যাংক উচ্চ সুদে কলমানি মার্কেট থেকে টাকা ধার নিয়েছে তাদের তহবিল ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতা ও বোকামীর কারণে এটা করেছে।’

তিনি বলেন, ‘ব্যাংকগুলোর এতো চড়া সুদে ঋণ নেওয়ার কোনো প্রয়োজন ছিল না। কারণ নির্দিষ্ট পরিমাণ সিআরআর জমা রাখতে ব্যর্থ হলে ব্যাংকগুলোকে মাত্র ১০ শতাংশ হারে জরিমানা দিতে হতো।’

গভর্নর বলেন, ‘ব্যাংকগুলো যাতে তাদের এই তহবিল ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠতে পারে, বাংলাদেশ ব্যাংক সে জন্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে। ব্যাংকগুলোকে তাদের আমানতের কত শতাংশ বিনিয়োগ করতে পারবে তা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে কোনো কোনো ব্যাংক চলতি মূলধন হিসাব থেকেও বিনিয়োগ করেছে। যে দুয়েকটি ব্যাংক শৃংখলা ভঙ্গ করেছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাংলাদেশ সময় : ১৮০৮ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ২৮, ২০১০

বেশি দামে লবণ বিক্রি, ৫ দোকান সিলগালা-জরিমানা দেড় লাখ
আন্তর্জাতিক আদালতে গাম্বিয়ার মুখোমুখি হবে সু কি
চেকপোস্টে দুর্বৃত্তের হামলায় ৩ পুলিশ আহত, অস্ত্রসহ আটক ২
পাবনায় সরকারিভাবে আমন সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু
বায়িং হাউজগুলোর দক্ষতা বাড়ানোর ওপর জোরারোপ


ওয়ারীতে দেশি অস্ত্রসহ ৬ ডাকাত আটক
সিলেটে ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার
কেরানীগঞ্জে বাসচাপায় অটোরিকশাযাত্রী নিহত
পাইকগাছায় ঘের ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা 
দুর্গাসাগর দীঘিতে নিখোঁজের ৮ ঘণ্টা পর যুবকের মরদেহ উদ্ধার