php glass

ছ’দিন ধরে বন্ধ খুলনা হার্ডবোর্ড মিল, দশ কোটি টাকা চেয়েছে কর্তৃপক্ষ

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

লাভজনক শিল্প প্রতিষ্ঠান খুলনা হার্ডবোর্ড মিলের উৎপাদন গত ছয় দিন ধরে বন্ধ আছে। মিল কর্তৃপক্ষের দাবি- কাঁচামাল, ফার্নেস অয়েল, মেশিনে ত্রুটি, সর্বপরি চলতি মূলধনের অভাবে গত ১৬ ডিসেম্বর মিলটির উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।

খুলনা: লাভজনক শিল্প প্রতিষ্ঠান খুলনা হার্ডবোর্ড মিলের উৎপাদন গত ছয় দিন ধরে বন্ধ আছে।

মিল কর্তৃপক্ষের দাবি- কাঁচামাল, ফার্নেস অয়েল, মেশিনে ত্রুটি, সর্বপরি চলতি মূলধনের অভাবে গত ১৬ ডিসেম্বর মিলটির উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। মিলটি চালু করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে দশ কোটি টাকার বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। তবে অনেক শ্রমিকই মিল বন্ধ হওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করছেন।

এদিকে মিলটির অধিকাংশ মজুর-কর্মচারী-কর্মকর্তা দৈনিক হাজিরা ভিত্তিতে কাজ করেন বলে এখন দারুণ ভোগান্তিতে পড়েছেন তারা।

মিল সূত্র জানায়, মিলটির প্রধান কাঁচামাল কাঠের সরবরাহ না থাকা ও অর্থের অভাবে বেশ কিছু দিন ধরেই মিলটি খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছিলো। মাঝেমধ্যেই মিল থাকার ঘটনাও ঘটতো। ১৬ ডিসেম্বর থেকে এর উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।
 
মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. হাবিবুর রহমান বাংলানিউজকে বলেন, ‘অর্থ সংকটের কারণে মিলটি সচল রাখা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে মেইনটেনেন্সের কাজ চলছে। কাঠ সংকট, ফার্নেস অয়েল না থাকা ও অর্থের যোগান না পাওয়ায় মিলটি বন্ধ হয়ে আছে। অর্থের সংস্থান হলে এটি চালু করা যাবে।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে মিলের প্রধান কাঁচামাল লালচে শক্ত প্রজাতির প্রতি কুইন্টাল কাঠের মূল্য ৩২৫ টাকা, গ্রাম্য প্রজাতির মিশ্রিত শক্ত জ্বালানি কাঠ কুইন্টাল প্রতি ২৭৫ টাকা এবং শিরিষ, ইপিল ইপিল ও ব্যবহার উপযোগী  গাছের গোড়া ২৩০ টাকা দরে  কেনা  হচ্ছে। কিন্তু  কাঠের যোগান সঠিকভাবে পাওয়া যাচ্ছে না।’

কাঠের যোগান সঠিকভাবে না পাওয়া কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে ইটভাটায় ইট পোড়ানোর মওসুম শুরু হয়েছে। বাটা মালিকেরা এ দামের চেয়ে বেশি দামে কাঠ কিনছে। এতে করে তুলনামুলক কম দামে ব্যবসায়ীরা এই মিলে কাঠ সরবরাহ করতে চাচ্ছে না। এছাড়া সুন্দরবনের আগামরা সুন্দরী কাঠ ব্যবহার বন্ধ হয়ে গেছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘লাভজনক প্রতিষ্ঠান খুলনা হার্ডবোর্ড মিলকে চালিয়ে রাখার স্বার্থে চলতি মূলধন হিসেবে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে ১০ (দশ) কোটি টাকা পাওয়া গেলে মিলটি চালু করা সম্ভব হবে।’
 
হার্ডবোর্ড এমপ্লয়ীজ ইউনিয়নের সভাপতি মো. আব্দুল হান্নান বাংলানিউজকে বলেন, ‘মিলটি বন্ধ থাকার কারণে শ্রমিকের কাজ নেই। যার ফলে তাদের কাটাতে হচ্ছে অভাবে ও অনাহারে।’

তবে অনেক শ্রমিক মিলটি বন্ধ হওয়ার পেছনে মিল কর্তৃপরে অব্যবস্থাপনারকে দায়ী করেন।

সূত্র জানায়, খুলনা হার্ডবোর্ড মিলে বর্তমানে শ্রমিক-কর্মচারী-কর্মকর্তা মিলিয়ে প্রায় ৩শ’ জন নিয়োজিত আছেন। এরমধ্যে মাত্র ১২ (বার) জন স্থায়ী কর্মকর্তা। অন্যরা দৈনিক হাজিরা ভিত্তিতে কাজ করেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৬০০ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ২১, ২০১০

‘দেশে লবণের সংকট নেই, দাম বৃদ্ধির বিষয়টি গুজব’
সৈয়দপুরে ভেজালবিরোধী অভিযানে ৪২ হাজার টাকা জরিমানা
নীলফামারীতে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা
করাগারে বাহুবল যুবলীগ সভাপতি
তিন বিলে রাষ্ট্রপতির সম্মতি


চাঁপাইনবাবগঞ্জে আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ১
৩ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা, নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ
নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি, ৩ বেকারিকে জরিমানা
বরিশালে ৫ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে দিল্লি-বাংলার পয়েন্ট ভাগাভাগি