সেহরি-ইফতার দিয়ে আনন্দ খুঁজেন ফুলকলির জিএম ও সহধর্মিণী

নিউজ ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

এম এ সবুরের উদ্যোগে সেহরি-ইফতার বিতরণ।

walton

চট্টগ্রাম: করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ার পর দরিদ্রদের মাঝে ব্যক্তিগত উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেছিলেন ফুলকলি ফুড ইন্ডাস্ট্রির জিএম এম এ সবুর। কিন্তু যারা ভবঘুরে, যাদের নেই চালচুলো- তারা কি করবেন এসব ত্রাণ নিয়ে?

সেই ভাবনা থেকেই তিনি উদ্যোগ নেন রান্না করা খাবার বিতরণের। সহযাত্রী হলেন সহধর্মিণী হাটহাজারী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস-চেয়ারম্যান সাজেদা বেগম। শুরুতে বিষয়টি গোপন থাকলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কারণে আর গোপন থাকেনি।

জানা গেছে, করোনা সংক্রমণের পর গত ২৫ মার্চ থেকে নগরীর হতদরিদ্র মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ শুরু করেন এম এ সবুর। গত ১৩ এপ্রিল হতে পর্যায়ক্রমে কোতোয়ালী, চকবাজার, বাকলিয়া, বায়েজিদ, পাহাড়তলী, আকবর শাহ, বন্দর, পাঁচলাইশ ও চান্দগাঁও থানার মাধ্যমে দৈনিক ১০০ হতে ১৫০ জন অভুক্ত মানুষের জন্য খিচুড়ি বিতরণ করেছেন।

এম এ সবুরের উদ্যোগে সেহরি-ইফতার বিতরণ।এছাড়াও প্রতিবন্ধী সংগঠনের মোহরা শাখা, বাদুরতলা শাখা, পতেঙ্গা শাখা এবং বিশ্ব এতিম দিবসে টিম কল্যাণ পরিচালিত রাস্তায় কুড়িয়ে পাওয়া পথশিশুদের স্কুল, সাকসেস স্কুলে খাবার বিতরণ করা হয়েছে। বর্তমানে দৈনিক ১৫০ জনের সেহরি ও ইফতার বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন।

এমএ সবুর নিষ্ঠা ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান, চট্টগ্রাম সাহিত্য পাঠচক্রের কার্যকরী সভাপতি, মিনহাজুল কোরান চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি, চট্টগ্রাম প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংগঠনের সভাপতি, চট্টগ্রাম প্রগ্রেসিভ ট্রাস্টের আজীবন সদস্য।

এমএ সবুর বলেন, প্রতিদিনের খাবার তৈরির রান্নায় সহযোগীতা করছেন আমার সহধর্মিণী। সেহরীতে ২ জন হেলপার আছেন আর ইফতারি আমার স্ত্রী একাই তৈরি করেন। খাবার প্যাকেজিং করার কাজে প্রতিবেশি সিটি করপোরেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা মনসুর আলমসহ  আবু সৈয়দ, নুরুল আমীন, মহিউদ্দিনের সক্রিয় সাহায্য রয়েছে। আমার ক্ষুদ্র সামর্থ্যে এই মানবিক সহায়তা কর্মসূচি শুরুর পর তা প্রচারের উদ্দেশ্য ছিল না। কিন্তু বিষয়টি লুকিয়ে রাখা যায়নি।

তিনি জানান, রমজানের প্রথম ১১দিন কোতোয়ালী থানার মাধ্যমে খাবার বিতরণ করা হয়। মাঝখানে ৩ দিন চকবাজার থানার মাধ্যমে এবং বর্তমানে বায়েজিদ থানার মাধ্যমে খাবার বিতরণ করে যাচ্ছি। সংশ্লিষ্ট থানার ওসি ও পুলিশ সদস্যরা এ কাজে সহযোগীতা করছেন।

তিনি আরও বলেন, খাদ্যের অভাবে থাকা ভবঘুরে মানুষদের হাতে সেহরি-ইফতার পৌঁছে দিয়ে আনন্দ খুঁজে পাই। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘আর তাদের (ধনীদের) অর্থ-সম্পদে প্রার্থী ও বঞ্চিতদের অধিকার রয়েছে।’ (সূরা আল-জারিআত, আয়াত ১৯)। মাহে রমজানে দানের ফজিলত অনেক বেশি। অন্য ১১ মাসের তুলনায় এ মাসে অধিক দান-সাদকা করা উচিত। রাসুলুল্লাহ (সা.) তাঁর উম্মতদের বাস্তব শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে রমজান মাসে দান-দক্ষিণা ও বদান্যতার হাত বেশি করে প্রসারিত করতেন।

বাংলাদেশ সময়: ১২২৫ ঘণ্টা, মে ২০, ২০২০
এসি/টিসি

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন: চট্টগ্রাম
লেভারকুসেনকে হারিয়ে শিরোপার আরও কাছে বায়ার্ন
করোনা উপসর্গ নিয়ে সীতাকুণ্ডে ৩ জনের মৃত্যু
এসএসসি পরীক্ষায় ফেল করে আত্মগোপন, ৫ দিন পর উদ্ধার
রাঙ্গুনিয়া পুলিশ গেলো লকডাউনে, রোগী তখন শহরে
ভোটের ফল দ্রুত প্রকাশ করতে কিউআর কোড


মহাসড়কে চাঁদাবাজির অভিযোগে পাল্টা-পাল্টি সংবাদ সম্মেলন
ঘরে বসেই মিলবে সিআইইউতে ভর্তির সুযোগ!
শাহরাস্তিতে শিশুকে হাত বেঁধে পানিতে ডুবিয়ে হত্যা
বিএসআরএম ফ্যাক্টরিতে দগ্ধ ১ জনের মৃত্যু, ৪ জন ঢাকায়
বেলকুচিতে আ’লীগের দুগ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১৫, গাড়ি ভাঙচুর