আম্পান: চট্টগ্রামে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ছবি: সোহেল সরওয়ার

walton

চট্টগ্রাম: বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’ মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন, সিটি করপোরেশন, সিএমপি, ফায়ার সার্ভিস, রেডক্রিসেন্ট, মেডিক্যাল টিমসহ বিভিন্ন সেবা সংস্থার স্বেচ্ছাসেবকরা। সংস্থাগুলোর পক্ষে কন্ট্রোল রুমও খোলা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান গতি-প্রকৃতি বজায় থাকলে ঘূর্ণিঝড়টি বুধবার (২০ মে) বিকেল বা সন্ধ্যার মধ্যে বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করতে পারে। ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের ৯০ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ২২৫ থেকে ২৪৫ কিলোমিটার পর্যন্ত হচ্ছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের ৪৭৯টি আশ্রয়কেন্দ্র ছাড়াও ২ হাজার ২৬৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ১ হাজার ২৫০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ভবনকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে তৈরি করে এসব প্রতিষ্ঠানের চাবি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াস হোসেন। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত ৫০ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। 

ঘূর্ণিঝড় আম্পানের কারণে সম্ভাব্য দুর্যোগে ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ৩০০ মেট্রিক টন চাল, ৫০ লাখ নগদ টাকা, ২ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার, শিশু খাদ্যের জন্য ৩ লাখ এবং গো খাদ্যের জন্য ১ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

যে কোনো জরুরি প্রয়োজনে জেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ কক্ষে (০৩১-৬১১৫৪৫ ও ০১৭০০৭১৬৬৯১) যোগাযোগ করা যাবে।

উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৬ হাজার ৬৬০ সিপিপি স্বেচ্ছাসেবক, আট হাজার জন রেডক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবক এবং ৩৬০ জন স্কাউট সদস্য। গঠন করা হয়েছে ২৮৪টি মেডিক্যাল টিম।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর মজুদ রেখেছে ৫০ হাজার পিস পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট এবং এক হাজার ৪০০ পিস হাইজিন কিডস।

চসিক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বাংলানিউজকে বলেন, আমাদের ৪১টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৫ নম্বর মোহরা, ১০ নম্বর উত্তর কাট্টলী, ১১ নম্বর দক্ষিণ কাট্টলী, ৩৭ নম্বর উত্তর মধ্যম হালিশহর, ৩৮ নম্বর দক্ষিণ মধ্যম হালিশহর, ৩৯ নম্বর দক্ষিণ হালিশহর, ৪০ নম্বর উত্তর পতেঙ্গা, ৪১ নম্বর দক্ষিণ পতেঙ্গা ওয়ার্ড ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকিতে আছে। এ ছাড়া ভারী বর্ষণ হলে পাহাড়ধস ভূমিধসের আশঙ্কায় আছে কিছু ওয়ার্ড।

তিনি বলেন, এসব বিষয় মাথায় রেখে লোকজনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে মাইকিং করা হচ্ছে। ওয়ার্ড কাউন্সিলররা নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় মাইকিং করেছেন। পাশাপাশি সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিয়েছি। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত আলো, টয়লেটের সুব্যবস্থা করছি। চসিকের দামপাড়া নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে উপকূলীয় ওয়ার্ডগুলোর কার্যক্রম মনিটরিং করছি।

বাংলাদেশ সময়: ১০৪০ ঘণ্টা, মে ২০, ২০২০
এসি/টিসি

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন: চট্টগ্রাম
৭ জুন বাঙালির মুক্তির সনদ ‘৬ দফা’ দিবস 
ছয় দফা আন্দোলন শুরু
ইতিহাসের এই দিনে

ছয় দফা আন্দোলন শুরু

করোনা মোকাবিলায় সরকারের মন্ত্রী-শীর্ষ কর্মকর্তাদের বৈঠক
করোনা প্রতিরোধের উপায় জানালেন ভারতের বিখ্যাত দুই ডাক্তার 
লেভারকুসেনকে হারিয়ে শিরোপার আরও কাছে বায়ার্ন


করোনা উপসর্গ নিয়ে সীতাকুণ্ডে ৩ জনের মৃত্যু
এসএসসি পরীক্ষায় ফেল করে আত্মগোপন, ৫ দিন পর উদ্ধার
রাঙ্গুনিয়া পুলিশ গেলো লকডাউনে, রোগী তখন শহরে
ভোটের ফল দ্রুত প্রকাশ করতে কিউআর কোড
মহাসড়কে চাঁদাবাজির অভিযোগে পাল্টা-পাল্টি সংবাদ সম্মেলন