তৃণমূলের আস্থা অর্জন করে মানুষের সেবা করতে চাই: রুহেল

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

মাহবুবুর রহমান রুহেলের কর্ম তৎপরতা।

walton

চট্টগ্রাম: দীর্ঘ ৫০ বছরের বর্ণিল রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি। বার্ধক্য তাঁকে মাঠের রাজনীতিতে এখনও কাবু করতে না পারলেও করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে পরিবারের সিদ্ধান্তে থাকতে হচ্ছে ঘরে।

তাই বলে থেমে থাকেনি অসহায় মানুষের পাশে থাকার কর্মযজ্ঞ। গত ১৫ মে নিষেধ উপেক্ষা করে মিরসরাইয়ে দরিদ্রদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ। স্থানীয় রাজনীতিতে তাঁর মেজ ছেলে তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ মাহবুবুর রহমান রুহেলের সরব উপস্থিতি জানান দিয়েছে, বাবার সঙ্গে মিরসরাই আওয়ামী লীগের হাল ধরেছেন। এক যুগেরও বেশি সময় ধরে স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত আছেন। চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দীর্ঘ সাত বছর দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

মাহবুবুর রহমান রুহেল বাংলানিউজকে বলেন, তরুণ বয়স থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হিসেবে কাজ করে আসছেন আমার বাবা। স্বাধীনতার পর তিনি বঙ্গবন্ধুর ডাকে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করেন। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে দেশকে পুনরায় পাকিস্তানি ভাবধারায় ফিরিয়ে নেওয়ার চক্রান্ত শুরু হলে বাবা (ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ) বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অবিচল থেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চরম প্রতিকূল অবস্থায় আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করার কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন। দলের চরম দুর্দিনে কাজ করতে গিয়ে তিনি দুবার স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির হামলার শিকার হন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য তাঁর সামনে প্রলোভনের হাতছানিও ছিল। কিন্তু লোভ-লালসা কিংবা চাপ কোনো কিছুই তাঁকে বশীভূত করতে পারেনি। এরকম নিষ্ঠাবান একজন রাজনীতিক হিসেবে তিনি নিজের সমগ্র জীবন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নে ছিলেন উৎসর্গীকৃত মানুষ।

রাজনীতিতে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে মাহবুবুর রহমান রুহেল বাংলানিউজকে বলেন, বিশ্বায়নের এ যুগে বাংলাদেশকে সমগ্র পৃথিবীতে ব্র্যান্ডিং করার জন্য রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছি। আমি রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। যেহেতু পারিবারিকভাবে রাজনীতির রক্ত আমার শরীরে, তাই রাজনীতি আমাকে কাছে টেনে নিয়েছে। প্রথমে আমি আমার গ্রাম এবং ২০১২ সালে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হই।

তিনি বলেন, করোনার প্রকোপ শুরু হওয়ার পর মার্চ মাস থেকে বাবার প্রতিনিধি হয়ে মিরসরাইয়ের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে অসহায় দরিদ্র মানুষকে বিভিন্নভাবে সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। প্রতি সপ্তাহে প্রত্যন্ত এলাকায় যাচ্ছি। এ পর্যন্ত ১২ হাজার পরিবারকে ত্রাণ সহায়তা দিয়েছি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

এক প্রশ্নের জবাবে মাহবুবুর রহমান রুহেল বাংলানিউজকে বলেন, বর্তমানে প্রধান চ্যালেঞ্জ হচ্ছে খাদ্য নিরাপত্তা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতোমধ্যে বলেছেন-আমাদের কোনো খাদ্য ঘাটতি নেই এবং হবেও না। তবে আমাদের কৃষি উৎপাদন চালিয়ে যেতে হবে। উৎপাদন চালিয়ে যেতে কৃষকদের ৪ শতাংশ সুদে ঋণ দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন সরকার প্রধান। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা হচ্ছে- খাদ্য উৎপাদন চালু রাখতে হবে, অধিক প্রকার ফসল ফলাতে এক ইঞ্চি জমিও খালি রাখা যাবে না। সেই লক্ষ্যে আমি এলাকায় কাজ করছি।

তিনি বলেন, মিরসরাইয়ের তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা এই দুর্যোগে অসহায় মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়াচ্ছে, নিজেদের পকেটের টাকা খরচ করে সাহায্য-সহযোগীতা করছে। এই করোনাযুদ্ধে তাদের অংশগ্রহণ আমার কাজে সাহস জুগিয়েছে।

বাংলাদেশ সময়: ১২১৮ ঘণ্টা, মে ১৮, ২০২০
এসি/টিসি

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন: চট্টগ্রাম
৭ জুন বাঙালির মুক্তির সনদ ‘৬ দফা’ দিবস 
ছয় দফা আন্দোলন শুরু
ইতিহাসের এই দিনে

ছয় দফা আন্দোলন শুরু

করোনা মোকাবিলায় সরকারের মন্ত্রী-শীর্ষ কর্মকর্তাদের বৈঠক
করোনা প্রতিরোধের উপায় জানালেন ভারতের বিখ্যাত দুই ডাক্তার 
লেভারকুসেনকে হারিয়ে শিরোপার আরও কাছে বায়ার্ন


করোনা উপসর্গ নিয়ে সীতাকুণ্ডে ৩ জনের মৃত্যু
এসএসসি পরীক্ষায় ফেল করে আত্মগোপন, ৫ দিন পর উদ্ধার
রাঙ্গুনিয়া পুলিশ গেলো লকডাউনে, রোগী তখন শহরে
ভোটের ফল দ্রুত প্রকাশ করতে কিউআর কোড
মহাসড়কে চাঁদাবাজির অভিযোগে পাল্টা-পাল্টি সংবাদ সম্মেলন