এক বছর পর রহস্য ফাঁস

স্ত্রীকে খুন করে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা

1111 | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ছবি: প্রতীকী

walton
ভালবেসে বিয়ে করেছিলেন আল মামুন (৩২) এবং লায়লা আক্তার মণি (২৭)। তারা পরস্পর মামাত-ফুপাত ভাইবোন। বিয়ের পর যৌথ পরিবারে থাকতে অস্বস্তিবোধ হয় মণির। বারবার স্বামীকে বলার পরও আলাদা বাসা না নেয়ায় দু’জনের মধ্যে মনোমালিন্য দেখা দেয়।

চট্টগ্রাম: ভালবেসে বিয়ে করেছিলেন আল মামুন (৩২) এবং লায়লা আক্তার মণি (২৭)। তারা পরস্পর মামাত-ফুপাত ভাইবোন। বিয়ের পর যৌথ পরিবারে থাকতে অস্বস্তিবোধ হয় মণির। বারবার স্বামীকে বলার পরও আলাদা বাসা না নেয়ায় দু’জনের মধ্যে মনোমালিন্য দেখা দেয়।

এক রাতে দু’জনের ঝগড়ার এক পর্যায়ে মামুন মণিকে শ্বাসরোধ করে খুন করে। পরে ওই ঘটনাকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয় মামুন।

কিন্তু এক বছর পর ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে খুনের ঘটনা ফাঁস হয়ে যায়। গত ১৭ জুলাই আল মামুনকে গ্রেপ্তার করে কোতয়ালী থানা পুলিশ। মঙ্গলবার আল মামুন হত্যার দায় স্বীকার করে চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম সৈয়দ মাশফিকুল ইসলামের আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।

নগর পুলিশের কোতয়ালী জোনের সহকারী কমিশনার শাহ মো.আব্দুর রউফ বাংলানিউজকে বলেন, গৃহবধূ মণির লাশ উদ্ধারের পর স্বাভাবিকভাবে একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়েছিল। এক বছর পর ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে শ্বাসরোধে হত্যার বিষয়টি আসার পর একইদিনে হত্যা মামলা দায়ের করা হয় এবং অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ১৭ মার্চ কোতয়ালী থানা পুলিশ নগরীর ব্যাটারি গলিতে একটি ফ্ল্যাট থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় লায়লা আক্তার মণি’র লাশ উদ্ধার করেন। চলতি বছরের ১৭ জুলাই ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন আসার পর কোতয়ালী থানার এস আই মজিবর রহমান বাদি হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন এবং আল মামুনকে গ্রেপ্তার করেন।

আল মামুন নগরীর মেহেদিবাগ এলাকার একটি পোশাক কারখানায় লাইন সুপারভাইজার।

গ্রেপ্তারের পর তাকে দু’দফায় ৬ দিন রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এক পর্যায়ে আল মামুন পুলিশের কাছে খুনের দায় স্বীকার করে এবং মঙ্গলবার আদালতে জবানবন্দি দিয়ে খুনের ঘটনা বিস্তারিত জানায়।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, আল মামুন জবানবন্দিতে জানিয়েছে, ঝগড়ার এক পর্যায়ে দু’জন ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। মাঝরাতে হঠাৎ ক্রোধান্বিত হয়ে মামুন বালিশ দিয়ে তার স্ত্রীর মুখের উপর চেপে ধরে এতে শ্বাসরোধ হয়ে মণি মারা যায়।

ওই রাতেই ঘটনাটি জানতে পারেন তার বাবা-মা। তারা হত্যার জন্য ছেলেকে প্রথমে দোষারোপ করেন। পরে আবার আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেবার জন্য পরামর্শ দেন। এরপর মামুন লাশটি ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখেন।

এরপর অপমৃত্যু মামলা হলে স্বাভাবিক নিয়মে আল মামুন আবারও চাকরি শুরু করেন। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে খুনের বিষয়টি আসার কথা তিনি জানতেন না।

বাংলাদেশ সময়: ২১০০ঘণ্টা, আগস্ট ০৫,২০১৪

Nagad
শেষ শ্রদ্ধা শেষে সিমেট্রিতে এন্ড্রু কিশোরের কফিন
বুড়িগঙ্গায় লঞ্চডুবি: ময়ূরের দুই ইঞ্জিন ড্রাইভার গ্রেফতার
স্বাস্থ্য সংকট হ্রাসে ‘ডাটা বিপ্লব’
এন্ড্রু কিশোরের শেষ যাত্রায় জায়েদ খান
মাশরাফির ছোট ভাই সেজারেরও করোনা নেগেটিভ


খনন হবে সাঙ্গু-চাঁদখালী নদী, সোনাইছড়ি বেড়িবাঁধে সংস্কার
র‍্যাঙ্কিংয়েও বড় লাফ হোল্ডারের
সাহেদের যত প্রতারণা
ইউআইটিএস ও গুলশান ক্লিনিকের মধ্যে সমঝোতা স্মারক
সিরাজগঞ্জে বেড়েই চলেছে যমুনার পানি, প্লাবিত নতুন এলাকা