তুমুল বর্ষণের তৃতীয় দিন, পানিবন্দী অসহায় নগরবাসী

1340 | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ছবি: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton
টানা বৃষ্টিতে তৃতীয় দিনের মতো পানিবন্দী হয়ে পড়েছে চট্টগ্রাম নগরবাসী। তলিয়ে গেছে নগরীর অধিকাংশ নিচু এলাকা। সরকারি-বেসরকারি অফিস এবং স্কুল-কলেজও পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী ও অফিসগামী লোকজন চরম দূর্ভোগে পড়েছে।

চট্টগ্রাম: টানা বৃষ্টিতে তৃতীয় দিনের মতো পানিবন্দী হয়ে পড়েছে চট্টগ্রাম নগরবাসী। তলিয়ে গেছে নগরীর অধিকাংশ নিচু এলাকা। সরকারি-বেসরকারি অফিস এবং স্কুল-কলেজও পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী ও অফিসগামী লোকজন চরম দূর্ভোগে পড়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র জানায়, শনিবার সকাল ৯টা থেকে রোববার সকাল ৯টা পর্যন্ত বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ৮১ দশমিক ৮ মিলিমিটার। তবে আবহাওয়া অধিদপ্তর ঢাকা কার্যালয়ের হিসাব অনুযায়ী বৃষ্টিপাতের পরিমান বৃষ্টিপাতের পরিমান ৯০ মিলিমিটার। এ অস্বাভাবিক বৃষ্টিতে নগরীর অধিকাংশ নিচু এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে।

নগরীর অক্সিজেন, হামজারবাগ, মুরাদপুর, আতুরার ডিপো, বহদ্দারহাট, শুলকবহর, কাতালগঞ্জ, নাসিরাবাদ, বায়োজিদ, ষোলশহর দু’নম্বর গেট, চকবাজার, পাঁচলাইশ, ডিসি রোড, খাজা রোড, চান্দগাঁও, মোহরা, বাকলিয়া, চাক্তাই, রাজাখালি, দেওয়ানবাজার, আগ্রাবাদ, ছোটপুল, বড়পুল, সিডিএ, হালিশহর, পাহাড়তলী, সরাইপাড়া, সাগরিকা, কাঁচারাস্তার মাথা ও পতেঙ্গার নিম্নাঞ্চল পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানি ঢুকে পড়েছে সরকারি বেসরকারি অফিসেও। বাসা-বাড়িতেও কোমর সমান পানি। ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে পড়ায় বন্ধ রয়েছে বিকিকিনি। সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকায় লোকজন ভ্যান গাড়ি ও হেটে গন্তব্যের উদ্দেশ্য রওনা হয়েছে।


বহদ্দারহাট এলাকার বাসিন্দা জাহেদুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, বাসায় কোমর সমান পানি। বের হওয়ার জো নেই। রাতে পানি একটু কম থাকলেও ভোররাত থেকে বৃষ্টিতে পানি আবারো বেড়েছে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা বাংলানিউজকে জানান, ফায়ার সার্ভিসের প্রশাসনিক ভবনে পানি ঢুকে পড়েছে। অফিসের কক্ষে হাটু পানি।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পতেঙ্গা কার্যালয়ের পূর্ভাবাস কর্মকর্তা সজীব হোসাইন বাংলানিউজকে বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ৮১ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালার কারণে বৃষ্টিপাত অব্যহত রয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টাও বৃষ্টিপাত অব্যহত থাকবে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সতর্কবাণীতে বলা হয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগরে মৌসুমী বায়ু প্রবল হওয়ার জন্য উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশ  উপকূলীয় এলাকায় গভীর সঞ্চালণশীল মেঘমালা সৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্র বন্দরসমূহের উপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত  দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ১-২ ফুট অধিক উচ্চতায় প্লাবিত হতে পারে।

উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে  বলা হয়েছে।

বাংলাদেশ সময়: ১১০৩ ঘণ্টা, জুন ২২, ২০১৪

রংপুরে মদপানে পাঁচজনের মৃত্যু
করোনায় ঢাকায় আইনজীবীর মৃত্যু
রাজধানীতে বেড়েই চলেছে করোনার সংক্রমণ
ডা. জাফরুল্লাহর জন্য ফল পাঠালেন খালেদা জিয়া
করোনায় আক্রান্ত হয়ে কাউন্সিলর মাজহারের মৃত্যু


শিবগঞ্জে বজ্রপাতে গৃহিণীর মৃত্যু
ধান মাড়াই মেশিনে চাপা পড়ে স্কুল ছাত্রের মৃত্যু
নোবেলের বাবা মোজাফফর নান্নু করোনা আক্রান্ত
বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না নোবেলের, এবার তৃতীয় বিয়ের খবর!
গোবিন্দগঞ্জে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় কিশোরের মৃত্যু