ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালককে গ্রেফতারের দাবি আহমদ শফীর

279 | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালককে সামীম মুহাম্মদ আফজালকে ‘বেঈমান’ ও ‘নাস্তিক্যবাদী খোদাদ্র্রোহী গোষ্ঠীর এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী’ দাবি করে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির শাহ্ আহমদ শফীসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।

চট্টগ্রাম: ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালককে সামীম মুহাম্মদ আফজালকে ‘বেঈমান’ ও ‘নাস্তিক্যবাদী খোদাদ্র্রোহী গোষ্ঠীর এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী’ দাবি করে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির শাহ্ আহমদ শফীসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।

মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানানো হয়।

বিবৃতিতে হেফাজত নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক একজন সন্ত্রাসী, দুর্নীতিবাজ। সে আলেম-ওলামা ও ইসলামি জনতার মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করে নাস্তিক্যবাদী খোদাদ্রোহী সেক্যুলার গোষ্ঠীর রাষ্ট্র ও ইসলামবিরোধী এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে। অবিলম্বে তাকে অপসারণ ও গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না করলে সারাদেশে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের নিয়ে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।’

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সংবিধানে বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম সংযোজনের সমালোচনা ও বিরোধিতা করা সরাসরি কুফরী কাজ। এর মাধ্যমে মহান আল্লাহ ও পবিত্র কুরআনকে অবজ্ঞা করা হয়েছে। আল্লাহর ওপর আস্থা ও বিশ্বাস মুসলমানদের ঈমান। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক এ বিষয়ে আপত্তি তুলে প্রকারান্তরে আল্লাহ তা’য়ালার প্রতি অনাস্থা জানিয়েছেন। কুরআন অবজ্ঞাকারী ও আল্লাহর ওপর আস্থাহীন ব্যক্তি কখনও ঈমানদার হতে পারে না। কোনো বেঈমান ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মতো দ্বীনি প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালক থাকতে পারেন না।’

সামীম মুহাম্মদ আফজাল জঙ্গিবাদের মদদদাতা ও বিদেশি চর উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, এই ‘কুখ্যাত ইহুদি-সাম্রাজ্যবাদী গোষ্ঠীর এ দেশীয় উচ্ছিষ্ট ভোগী এজেন্ট পূর্বে বলেছিলো মুসলমানদের মধ্যেই কেবল সন্ত্রাসী রয়েছে, অন্যধর্মাবলম্বীদের মধ্যে নেই। দেশের ঐতিহ্যবাহী কওমী মাদ্রাসাগুলোতে তালেবান সৃষ্ঠি হয় বলেও সে ঔদ্ধত্যপূর্ণ মিথ্যাচার করে বই প্রকাশ করেছে। প্রকৃতপক্ষে সেই জঙ্গীবাদের মদদদাতা। তাকে অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে।’

হেফাজত নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘সামীম মুহাম্মদ আফজাল অতীতে একজন দায়রা জজ ছিলেন। তার কার্যকলাপ পর্যালোচনায় দেখা গেছে তিনি ইসলামি ধর্মতত্ত্বের কোনো জ্ঞান রাখেন না। ডিজির পদে অধিষ্ঠিত হয়ে একের পর এক ধর্মবিরোধী ও জাতীয় ঐক্যপরিপন্থী বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নানা বিতর্কের জন্ম দিয়ে চলেছেন। আলিম-ওলামা ও ইমামদের অনুষ্ঠানে নর্তকীদের অশ্লীল নৃত্য থেকে শুরু করে সম্প্রতি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অর্থে বিতর্কিত বই ছাপিয়ে ধর্মীয় উস্কানি ও সাম্প্রদায়িক নৈরাজ্য সৃষ্টির পাঁয়তারা পর্যন্ত তার দীর্ঘ অপকর্মের ফিরিস্তি দেশবাসীর কমবেশি জানা। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ইসলামি প্রকাশনার কাজ বন্ধ রেখে তিনি একে ধর্মীয় উস্কানি ও সাম্প্রদায়িক নৈরাজ্যের হাতিয়ারে পরিণত করেছেন।’  

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সম্প্রতি ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে প্রকাশিত একটি বইতে লেখকের অনুমতি ছাড়া নির্লজ্জ জালিয়াতির মাধ্যমে তিনি দেশের সর্বজন আলেম-ওলামা ও কওমী মাদরাসা সম্পর্কে নানা রকম বিষোদগার করেছেন। এর ফলে গোটা দেশে ধর্মীয় বিভক্তি-বিভাজন মাথা চাড়া দিয়ে উঠবে। তাই অবিলম্বে এই বিতর্কিত বই বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি বিতর্কিত ডিজি সামীমকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।’

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন হেফাজত ইসলামের আমির শাহ আহমদ শফী, সিনিয়র নায়েবে আমির শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী, নায়েবে আমির হাফেজ শামসুল আলম, নূর হোসেন কাছেমী, শাহ আহমদুল্লাহ আশরাফ, মুফতি মুজাফ্ফর আহমদ, আবদুল মালেক হালিম, মহসচিব জুনাইদ বাবুনগরী, সাজেদুর রহমান, সালাহুদ্দিন নানুপুরী, মুহাম্মদ সলিমুল্লাহ, মইনুদ্দিন রূহী, মুফতি জসিমুদ্দিন, ফোরকান আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদী, অর্থসম্পাদক ইলিয়াস ওসমানী, প্রচারসম্পাদক আনাস মাদানী প্রমুখ।

বাংলাদেশ সময়: ২১২৬ ঘণ্টা, মে ২০, ২০১৪

ফলন ভালো হলেও বিক্রি নিয়ে দুশ্চিন্তায় পাহাড়ের কৃষক
করোনায় মারা গেলেন প্রথম কোনো ফুটবলার
শ্বাসকষ্ট নিয়ে চবি শিক্ষকের মৃত্যু
প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে ‘করোনামুক্ত’ মন্টেনিগ্রো
উল্লাপাড়ায় ঘুড়ি কেনাবেচা নিয়ে সংঘর্ষে নিহত এক


ইডিইউতে হারমনি অব আর্টস আজ ও কাল
বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস রোববার
খুলনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় করোনা রোগীর মৃত্যু
ছোটপর্দায় আজকের খেলা
বরিশালে শুরু হয়েছে যাত্রীবাহী নৌযান চলাচল, যাত্রী সঙ্কট