সেরাদের সেরা কলেজিয়েট, নেপথ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ পাঠদান

318 | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ছবি: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton
২০০১ থেকে টানা ২০১০ সাল পর্যন্ত প্রতিবারই এসএসসিতে চট্টগ্রাম বোর্ডে শীর্ষ অবস্থান। মাঝখানে দু’বছরের যাত্রাভঙ্গ। এরপর ২০১৩ সালে পুণরায় জয়ের মুকুট ছিনিয়ে নেওয়ার মধ্য দিয়ে গৌরব পূণরুদ্ধারের যে যাত্রা শুরু হয়েছে ২০১৪ তে এসেও তা অক্ষুন্ন রেখেছে কলেজিয়েট স্কুল।

চট্টগ্রাম : ২০০১ থেকে টানা ২০১০ সাল পর্যন্ত প্রতিবারই এসএসসিতে চট্টগ্রাম বোর্ডে শীর্ষ অবস্থান। মাঝখানে দু’বছরের যাত্রাভঙ্গ। এরপর ২০১৩ সালে পুণরায় জয়ের মুকুট ছিনিয়ে নেওয়ার মধ্য দিয়ে গৌরব পূণরুদ্ধারের যে যাত্রা শুরু হয়েছে ২০১৪ তে এসেও তা অক্ষুন্ন রেখেছে কলেজিয়েট স্কুল।

শনিবার প্রকাশিত এসএসসির ফলাফলে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের শীর্ষ ২০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রথম অবস্থান দখল করেছে বিদ্যালয়টি। পাঁচটি মানদণ্ডের ভিত্তিতে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।

কলেজিয়েট স্কুলের এ টানা সাফল্যের গোপন রহস্য কী জানতে চাইলে অধ্যক্ষ মো. আজিজ উদ্দিন জানান, এ স্কুলে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সম্পর্ক খুবই বন্ধুন্তপূর্ণ। শিক্ষকেরা খুবই আন্তরিকভাবে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করে।  এ স্কুলের শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরাও একইভাবে খুবই সচেতন। ভাল ফলাফলের পাশাপাশি ভালো মানুষ তৈরির জন্য তাদের এই সম্মিলিত প্রচেষ্টাই সাফল্যের মূল নিয়ামক।

“শিক্ষক-অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের কারণে স্কুলের এ অর্জন। তবে, আমরা ভালো পাশ করাকে কোন সময় গুরুত্ব দিইনি। আমরা চায় এখানকার শিক্ষার্থীরা প্রগতিশীল, বিজ্ঞানমনষ্ক, মনুষ্যত্ব সম্পন্ন সত্যিকারের মানুষ হোক।’

ফলাফল জানতে শনিবার সকাল থেকেই স্কুলে ভিড় জমায় শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা।  রৌদ্রোজ্জ্বল দুপুরে ফল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষক-শিক্ষার্থী-অভিভাবক নির্বিশেষে আনন্দে জোয়ারে মেতে ওঠেন সকলেই। উচ্ছাস ও আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়ে শিক্ষার্থীরা। একে অপরের হাত ধরে নাচতে তাকে স্কুল ক্যাম্পাসে।

জিপিএ-৫ পাওয়া কলেজিয়েট স্কুলের শিক্ষার্থী নির্ঝর বড়ুয়া বাংলানিউজকে বলেন, ‘ জেএসসিতে সামন্যের জন্য জিপিএ-৫ পাইনি। ওই সময় অনেক কষ্ট পেয়েছিলাম। এবার সে কষ্ট দূর হলো।’

নির্ঝর বলেন, ‘ইঞ্জিনিয়ার হয়ে এদেশের মানুষের সেবাই কাজ করতে চাই। আমার বাবা একজন সঙ্গীত পরিচালক। ইঞ্জিনিয়ারিং এর পাশাপাশি বাবার পেশায়ও খ্যাতি অর্জন করতে চাই।’

স্কুলের আরেক কৃতি শিক্ষার্থী আবির মো.আফরি নিজের সাফল্যের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বাংলানিউজকে বলেন, ‘আমাদের এতদিনের পরিশ্রম এ ফলাফলের মধ্য দিয়ে সার্থক হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরণের রেজাল্ট অব্যহত থাকবে, এ প্রত্যাশা করি।’

অভিভাবক খনা বসাক ছেলের ভাল ফলাফলের ব্যাপারে অনুভতি প্রকাশ করতে গিয়ে বাংলানিউজকে বলেন, ‘আমার ছেলে অভিরূপ বসাক গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়েছেন। ছেলের সাফল্য তার স্কুলের  শিক্ষকদের উৎসর্গ করলাম।’

আরেক অভিভাবক সাইফুন্নেসা বাংলানিউজকে বলেন, ‘অনেক স্বপ্ন নিয়ে ছেলেকে কলেজিয়েট স্কুলে ভর্তি করিয়েছিলাম। যাতে ভবিষ্যতে ডাক্তার হয়ে সে মানবতার সেবা করবে। শিক্ষার্থীদের ফলাফল আমাদেরকে আরো অনুপ্রাণিত করেছে।’

কলেজিয়েট স্কুলের হয়ে ৩৮৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে সকলেই পাশ করেছে, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৬৮ জন। শিক্ষাবোর্ডের পাঁচটি মানদণ্ডে ৯৫ দশমিক ৩৬ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষ স্থান দখল করে প্রতিষ্ঠানটি।

বাংলাদেশ সময়: ১৭০০ ঘণ্টা, মে ১৭, ২০১৪

ওসির গাড়িতে গর্ভবতী নারীকে নেওয়া হলো হাসপাতালে
রামগতিতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় সাংবাদিক নিহত
করোনায় সিরিয়ায় প্রথম মৃত্যু
স্বল্প পরিসরে চেক ক্লিয়ারিং করার নির্দেশ
করোনায় ইতালিতে আরও ৭৫৬ জনের মৃত্যু


করোনাভাইরাস মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর বার্তা
প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে ১ দিনের বেতন দিলেন সেনা সদস্যরা
মাঠে নেমে সহায়তা করছেন বলিউড তারকারা
ল্যাব না থাকলেও সিংড়ায় গেল দুই'শ করোনা টেস্টিং কিট
মানুষকে টেলিফোনে চিকিৎসাসেবা দিতে ফারাজের উদ্যোগ