ক্রেতা কম তাই হতাশ রেণু বিক্রেতারা

284 | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ছবি: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton
দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদী থেকে আহরিত ডিমের রেণু পোনা বিক্রি শুরু হয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকে বিভিন্ন স্থানে পোনা বিক্রি শুরু হয়।

চট্টগ্রাম: দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদী থেকে আহরিত ডিমের রেণু পোনা বিক্রি শুরু হয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকে বিভিন্ন স্থানে পোনা বিক্রি শুরু হয়।

তবে পোনা ক্রেতা সংখ্যা কম হওয়াতে কিছুটা হতাশ বিক্রেতারা। এছাড়া রেণু সংগ্রহের পর বৃষ্টি না হওয়াতে প্রতিকুল পরিবেশে পোনা পরিচর্যা করে প্রকৃত মূল্য পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন বিক্রেতারা।

শুক্রবার সকাল থেকে পোনা বিক্রি শুরু হয়েছে জানিয়ে মাছুয়াগোনা মৎস্য হ্যাচারির সহকারী ছোটন দাশ বাংলানিউজকে বলেন, রেণু বিক্রি শুরু হলেও ক্রেতার উপস্থিতি খুবই কম।

গত সোমবার বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের ফলে পাহাড়ি ঢলের তোড়ে হালদা নদীতে ডিম ছাড়ে মা মাছ। সাধারণত ৩ থেকে ৪ দিন পর ডিম থেকে উৎপাদিত পোনা বিক্রি উপযোগী হয়।  হালদার মাছের প্রতিকেজি পোনা বা রেনু হাটহাজারী ও রাউজানের বিভিন্ন স্থানে ভিন্ন ভিন্ন দামে বিক্রি হচ্ছে। সব স্থানে  একই দামে বিক্রি না হওয়ায় ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার আশংকা করছে জেলেরা।  

মাছুয়াগোনা এলাকার মৎস্য ব্যবসায়ী মাহবুব বাংলানিউজকে বলেন, অন্যান্য বারের তুলনায় এবার ক্রেতা কম। যে কয়জন ক্রেতা কিনতে এসেছেন তারা মূলত দরকষাকষি করছেন। ফলে রেণু বিক্রি খুব একটা নেই।

ক্রেতারা যে মূল্যে কিনতে চাচ্ছেন তাতে তারা ক্ষতির সম্মুখিন হবে বলে জানান তিনি। 

জেলেরা জানান, নদীতে মা মাছ ডিম ছাড়ার পর থেকে তাপমাত্রা বেশি থাকায় এবং বৃষ্টিপাত না হওয়ায় রেণু ফুটানোর পরিবেশ অনুকূলে ছিল না। এরপরও সরকারী হ্যাচারি ও সনাতনী পদ্ধতির কুয়ায় ডিম আহরণকারীরা ডিম ফুটিয়ে রেণু পরিচর্যা করেছে।

ক্রেতা কম থাকলেও ৫০ হাজার টাকা দরে কয়েক কেজি রেণু বিক্রি করেছেন বলে জানিয়েছেন গড়দুয়ারার ডিম আহরণকারী কামাল সওদাগর। গতবারও একই দরে রেণু বিক্রি করেছেন তিনি।

আস্থাহীনতায় রেণু বিক্রি বাধাগ্রস্থ হচ্ছে বলে মনে করেন হালদা গবেষক ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণী বিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মনজুরুল কিবরিয়া। তিনি বাংলানিউজকে বলেন, ফলে প্রকৃত ডিম আহরণকারীরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।

হাটহাজারী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন বাংলানিউজকে বলেন, শুক্রবারে হাটহাজারীর বিভিন্ন হ্যাচারি ও সনাতনী পদ্ধতির কুয়ার মধ্যে প্রায় সাড়ে চার কেজি রেণু বিক্রি হয়েছে।

তিনি বলেন, হালদার রেণুর নামে যাতে কৃত্রিম রেণু বিক্রি করতে না পারে সেদিকে মৎস্য বিভাগ নজরদারি রয়েছে। 

বাংলাদেশ সময় : ১৫৩৬ ঘন্টা,১৬ মে,২০১৪

২০ হাজার পরিবারকে চাল-ডাল দেবেন মেয়র লিটন
করোনা আক্রান্ত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে শেখ হাসিনার চিঠি
প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে ১০ কোটি টাকা দিচ্ছে বসুন্ধরা গ্রুপ
উল্লাপাড়ায় ৩০ গণপরিবহনকে জরিমানা
গরীব-অসহায়দের বাড়িতে খাদ্য পৌঁছে দিলেন মন্ত্রী শ ম রেজাউল


ডিএনসিসির পরিচ্ছন্নতা-মশক নিধনকর্মীদের গ্লাভস-জুতা বিতরণ
সিলেটে রাস্তার পাশে পড়ে থাকা বিদেশি নাগরিক আইসোলেশনে
বশেফমুবিপ্রবিতে প্রস্তুত হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ 
নওগাঁয় মেয়েকে হত্যার অভিযোগে মা আটক
করোনা আতঙ্কে কষ্টে দিন কাটছে ছিন্নমূল মানুষের