জলাবদ্ধতা নিরসনে গণশুনানির দাবি পরিবেশ কর্মীদের

110 | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ছবি: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton
বন্দরনগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে জরুরী ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া এবং এ কার্যক্রমকে দুর্নীতিমুক্ত রাখতে গণশুনানির দাবি জানিয়েছেন চট্টগ্রামের পরিবেশ আন্দোলনের সংগঠক ও কর্মীরা।

চট্টগ্রাম: বন্দরনগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে জরুরী ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া এবং এ কার্যক্রমকে দুর্নীতিমুক্ত রাখতে গণশুনানির দাবি জানিয়েছেন চট্টগ্রামের পরিবেশ আন্দোলনের সংগঠক ও কর্মীরা।

রোববার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব প্রাঙ্গনে আয়োজিত মানববন্ধন ও সমাবেশ থেকে এ দাবি জানানো হয়। পরিবেশবাদী সংগঠন জনউদ্যোগ, পিপলস ভয়েস ও পরিবেশ ছাত্র ফোরামের আয়োজনে এ মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

‘জলাবদ্ধতা মুক্ত নগরী চাই, স্বস্তিতে বাঁচতে চাই’ শ্লোগান নিয়ে আয়োজিত এ সমাবেশে জলাবদ্ধতা নিরসনে আরও জোরালো এবং দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেয়ার জন্য চট্টগ্রাম সিটি করপোরশনের মেয়র এম মনজুর আলমের প্রতি আহ্বান জানান পরিবেশ কর্মীরা। 

সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে পিপলস ভয়েসের সভাপতি পরিবেশবাদী শরীফ চৌহান বলেন, বছরের পর বছর ধরে সামান্য বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতার কবলে পড়ে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। নগরবাসীকে নিত্যদিনের ভোগান্তি থেকে মুক্তি দেয়ার আশ্বাস দেয়া হয় সবসময়। কিন্তু সেই আশ্বাস বাস্তবায়নে কার্যকর কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়না। 

তিনি বলেন, বর্ষা এলেই নানান তোড়জোড়ের কথা শুনি। কিন্তু বর্ষা শেষ হয়ে গেলে তোড়জোড় থেমে যায়। আন্তরিকতার অভাবে গত চার বছরে দেড়শ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়িত হলেও নগরীর জলাবদ্ধতা একটুও কমেনি।

শরীফ চৌহান মেয়রকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনি নিজে সৎ, আন্তরিক, এতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু আপনি নিজেই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতা,সততা ও দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এখন জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য নেয়া প্রকল্পে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কোনো নয়-ছয় করেছেন কিনা নাগরিকরা এর সুষ্ঠু তদন্ত দেখতে চায়। 

সমাবেশ থেকে জলাবদ্ধতা নিরসনে বেশ কিছু দাবি তুলে ধরা হয়। এরমধ্যে অন্যতম হলো- গত চার বছরে জলাবদ্ধতা নিরসনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবহেলা ও দুর্নীতির তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং এসব প্রকল্পে নতুনভাবে সৎ কর্মকর্তাদের নিয়োগ। সিটি করপোরেশনের জলাবদ্ধতা নিরসন স্ট্যান্ডিং কমিটিতে বিশেষজ্ঞ ও নাগরিক প্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে এটিকে শক্তিশালী করা। প্রকল্প মনিটরিং দলে নতুন করে নাগরিক প্রতিনিধি অর্ন্তভুক্তকরণ। পাশাপাশি জলাবদ্ধতায় গৃহীত প্রকল্পের কার্যক্রম দুর্নীতিমুক্ত রাখতে প্রয়োজনে গণশুনানির ব্যবস্থা করা। এছাড়া নগরীর পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে ময়লা-আর্বজনা আগের মতই রাতের বেলায় অপসারণের দাবিও জানানো হয় সমাবেশ থেকে।

সমাবেশে পরিবেশবাদী সংগঠনের সংগঠক ও কর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জনউদ্যোগের সমন্বয়ক শ্যামল মজুমদার, বর্ণালীর নির্বাহী পরিচালক সালাউদ্দিন কবির সুমন, পরিবেশ ছাত্র ফোরামের সমন্বয়ক সৈয়দ মুহাম্মদ আতিকুর রহমান, সাংবাদিক প্রীতম দাশ, সাংবাদিক রুবেল দাশ, ছাত্র ফোরামের সদস্য লিটন বড়ুয়া, নুরুল আমিন, উন্নয়ন কর্মী কুমকুম দত্ত ও তপন দে।

বাংলাদেশ সময়: ১৬৫০ঘণ্টা, মে ১৮,২০১৪

বই-টেলিভিশন আর পরিবার নিয়ে কাটছে সময়
বন্ধ কারখানা শ্রমিকদের বাসায় থাকতে হবে, পাবেন বেতন
করোনা: বরিশালের সব চায়ের দোকান বন্ধ
করোনা: ৫০ লাখ ইউরো দান করলেন ডর্টমুন্ড অধিনায়ক রয়েস
করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয় 


মিরপুর স্টেডিয়াম চিকিৎসার জন্য দিতে প্রস্তুত বিসিবি
বগুড়ায় করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু, ১৫ বাড়ি লকডাউন
ভারতীয় নাগরিকদের আতঙ্কিত না হওয়ার অনুরোধ রীভা গাঙ্গুলির
কাশিয়ানীতে পিকআপ ভ্যানচাপায় নিহত ১
মানুষকে ঘরে রাখতে বাজার নিয়ে পুলিশের ‘হোম সার্ভিস’