ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ০১ ডিসেম্বর ২০২০, ১৪ রবিউস সানি ১৪৪২

ইচ্ছেঘুড়ি

রহস্য দ্বীপ (পর্ব-৪৫)

আমি গ্রামোফোনটা নিচ্ছি, কেউ একজন বলে। তুমি খাবারের জিনিসপত্র নাও, এডি। তোমার কি মনে হয় এর আগে কেউ কখনও এই দ্বীপে এসেছিল? একটা

বিল্টু (পর্ব-১) | গৌতম দাশ

বিল্টু আকাশের দিকে তাকিয়ে এসব আকাশ-কুসুম ভাবছে। আজ তার মনে খুব দুঃখ। তাই মনের অজান্তেই মনের মধ্যে এসব চিন্তার উদয় হচ্ছে। তার মা খুব

রহস্য দ্বীপ (পর্ব-৪৪)

ওরা কি গুহার ভাঁড়ারের জিনিসগুলো খুঁজে পাবে? নোরা বলে, সে তখন চেঁচাতে থাকা মুরগি ধরতে সাহায্য করছে। পেগি, যাও ফার্ন আর লতাগুল্ম দিয়ে

বাবা ও খুকি | আলমগীর কবির

বাবা মানে মন আকাশে আলোর রেখা, এক নিমিষেই যায় পালিয়ে নয়তো একা। খুকির কাছে বাবা ঈদের চাঁদের হাসি, বাবা এলে বাজে বুকে সাধের বাঁশি।

কাঁদলে চোখ দিয়ে পানি ঝরে কেন?

আমাদের প্রত্যেকের চোখের বাইরের কোণে একটি গ্রন্থি রয়েছে। একে বলে অশ্রুগ্রন্থি। কতগুলো নালীপথে চোখের পানি চোখের উপরের পাতায় চলে

ঈদ আনন্দে গিট্টু ক্লাব | মিলন রহমান

নির্ধারিত সময়ের আগেই তুষার, অমিত এসে বসে আছে। আস্তে আস্তে আকাশ ও শান্তিকে দেখা গেলো। আল-আমিন বোধহয় আজ আসতে পারবে না। কিন্তু সভাপতি

ঈদের তিনটি ছড়া | অশোকেশ রায়

সবুজে সবুজে ছাওয়া মাঠ হেসে ওঠে, হেসে গেয়ে নদীগুলো দূর পানে ছোটে। খোকা হাসে খুকি হাসে চাঁদ হাসে রাতে, ঘাসের বুকেতে ফুল হাসে সাথে

ভালো পরী কালো পরী | নাজিয়া ফেরদৌস

পরীদের সেই রাজ্যে ছিল এক ধূসর পরী। সে ছিল খুব দুষ্টু আর মিথ্যেবাদী। তার ছিল অনেক শক্তি। সে মনে মনে সাদা পরীকে হিংসা করত। সে চাইত

টোকাইর ঈদ | বাসুদেব খাস্তগীর

জিনিস পাতি? বস্তায়। জীবন ভাবনা? পস্তায়। গ্রামের বাড়ি? ঢাকা। পকেটে কি? ফাঁকা। কাটলো কে শার্ট? পোকায়। আরেকটা নাম? টোকাই। ভাবনা

ঈদের ছুটি | আলাউদ্দিন হোসেন

ঈদের ছুটি ঈদের ছুটি রাস্তা-ঘাটে ভোগান্তি যানজট ছেড়ে বাড়ি গেলেই মনে আসবে শান্তি। ছুটি পেয়ে ছুটছে সবাই নাড়ির টানে বাড়ি সঙ্গে নিয়ে

ঈদের চাঁদ | উৎপলকান্তি বড়ুয়া

কোথায় কোথায় কোথায় সবার চোখ কান কী খাড়া! বললো সানু দেখিয়ে তবে দিচ্ছি আমি-দাঁড়া। ধবল-কালো মেঘটা বুঝি রাখলো আড়াল করে ঠিক দেখ নিস দেখবো

ঈদের ছড়া | আব্দুস সালাম

সড়কপথে মাঝে মাঝে হাসছে খানাখন্দ বৃষ্টিধারা নামলে পথে যান চলাচল বন্ধ!   যানজটেতে সময়ক্ষেপণ ছ'ঘণ্টার পথ বারো খানা-পিনা টয়লেটের

এলো খুশির ঈদ | আবু বকর সিতু

চলো ধনী-গরিব সবাই মিলে  যাবো ঈদগাহে, পড়ব নামাজ এক কাতারে  কাঁধে কাঁধ মিলে।  আজ রাজা-প্রজা আমির-ফকির  নাইরে ভেদাভেদ, প্রাণ

রহস্য দ্বীপ (পর্ব-৪৩)

একটা নৌকায় কয়েকজন লোক! জ্যাক বলে। তোমারা ওদের দেখতে পাচ্ছ? দূরে ঐ নিচে! হুম, মাইক বলে, ওর মুখটা ফ্যাকাশে হয়ে আসে। ওরা কি আমাদের খুঁজছে,

ফুল মিয়ার স্কুলে যাওয়া (শেষ পর্ব) | আনিকা তাবাসসুম

মায়ের দিকে তাকিয়ে ওর বাজানকে স্কুলের কথা বলার জন্য ইশারা করল ও। মা বেটার এই চোখাচোখির ব্যাপারটা নজরে পড়ল বাবার। ফুলমিয়ার দিকে

রহস্য দ্বীপ (পর্ব-৪২)

যেখানে বুনো রাজবেরি পাওয়া যাবে আমি তোমাদের সেখানে নিয়ে যেতে চাই, জ্যাক বলে। সে ওদের পাহাড় ঘুরে পশ্চিমে নিয়ে আসে এবং সেখানে আলো ঝলমল

নতুন জামায় পথশিশুদের ঈদ উৎসব

সাভারের এমন কিছু সুবিধাবঞ্চিত শিশুর আবদার পূরণে কাজ করছে ‘দীপশিখা ফাউন্ডেশন’। ‘নতুন জামায় ঈদ উৎসব’ স্লোগান সামনে রেখে কাজ

পাহাড় ধস | আব্দুস সালাম

পাহাড় ধসে মাটির নিচে বাড়ছে লাশের সারি স্বজনহারার কান্না দেখে সইতে কি আর পারি।   পাহাড়খেকো পাহাড় কাটে বাড়ছে তাতে ঝুঁকি এই তো সময়

ফুল মিয়ার স্কুলে যাওয়া (পর্ব-২) | আনিকা তাবাসসুম

বললো কুলসুম। আফা তাইলে তুমি বাজানরে কও, আমিও তোমার সাথে স্কুলে যামু। হ কমুনে এখন ল বাড়ির দিকে যাই। আমার খুব ক্ষিধা পাইছে। ছোট্ট হাতে

বাবা তুমি | রেজিনা ইসলাম

স্নিগ্ধ সকাল বাবা বসে এগিয়ে দেই চা’টা চশমা চোখে অফিসে যান দূর থেকে দেই টা টা পেছন ফিরে বাবা হাসেন, দুষ্টু ময়না পাখি আমি তখন বুকের

এই বিভাগের সর্বাধিক জনপ্রিয়

Alexa