php glass

গান-কবিতার যুগলবন্দি

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা। ছবি: বাংলানিউজ

walton

ঢাকা: একজন এপার বাংলার, তানজীনা তমা। গেয়ে শোনালেন কবিগুরুর নানা পর্যায়ের ১০ গান। অন্যজন ওপার বাংলার, শোভনসুন্দর বসু। পাঠ করলেন ১০ কবির দশ কবিতা।

শনিবার (১২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় গান আর কবিতার এ যুগলবন্দির আসর বসেছিলো রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে। অনুষ্ঠানের আয়োজক আমরা সূর্যমুখী।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আসাদুজ্জামান নূর। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পরিচালক ড. নীপা চৌধুরী।

আসাদুজ্জামান নূর বলেন, দুই দেশের মৈত্রীর বন্ধনে গান ও কবিতা এ আসর আমাদের শেখাবে দানবের বিরুদ্ধে শৈল্পিক প্রতিবাদের ভাষা। অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে গান ও কবিতার বাণী নিয়ে আমরা মানবপ্রেমের কথা বলবো, মানবতার কথা বলবো। সংস্কৃতিই পারে অশুভ শক্তিকে প্রতিহত করতে।

শুরুতেই তানজীনা তমা গেয়ে শোনান ‘আজি বাংলাদেশের হৃদয় হতে’। গান শেষ হতেই বাদ্যযন্ত্রের মিশেলে বাংলাদেশকে নিয়ে লেখা কবীর সুমনের কবিতা আবৃত্তি করেন শোভনসুন্দর বসু। 

কবিতার শিরোনাম ছিল ‘বাংলার ধনুকের ছিলায় ছিলাম’। এরপর একে একে তানজীনা তমা গেয়ে শোনান ‘কার মিলন চাও বিরহী’, ‘রাখ রাখরে জীবনে’, ‘ভালোবেসে সখি’, ‘যে কেবল পালিয়ে বেড়ায়’, ‘অধরা মাধুরী ধরেছি’, ‘দূরে কোথায় দূরে দূরে’, ‘সজনি সজনি রাধিকা’, ‘প্রাণ চায় চক্ষু না চায়’ ও ‘দুই হাতে কালের মন্দিরা’।

অনুষ্ঠানে শোভন সুন্দর আবৃত্তি করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শোনান এক গাঁয়ে’ ও ‘হৃদয় আমার নাচেরে’, অচিন্ত কুমার সেনগুপ্তর ‘পুব-পশ্চিম’, রতনতনু ঘাঁটির ‘স্বপ্নের ফেরিওয়ালা’ সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের ‘দূরের পাল্লা’, নির্মলেন্দু গুণের ‘অলৌকিক’, কবীর সুমনের ‘জাতিস্মর’ নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর ‘একদিন ছুটি পেলে’।

বাংলাদেশ সময়: ২১৪৯ ঘণ্টা, অক্টোবর ১২, ২০১৯
ডিএন/এমএ/

কেরানীগঞ্জে অগ্নিকাণ্ড: আটজন লাইফসাপোর্টে
‘একজন অফিসার চাইলে জেলা-উপজেলার চেহারা বদলে দিতে পারেন’
থার্টিফার্স্ট নাইটে উন্মুক্ত স্থানে কনসার্ট করা যাবে না
পরবর্তী করণীয় ঠিক করবেন সিনিয়র আইনজীবীরা
সেঞ্চুরির পর তামিমের ৫


খাগড়াছড়িতে ডিজিটাল দিবসে র‌্যালি-সভা
এ রায়ে আমরা ‘শকড’: মাহবুব উদ্দিন
খালেদাকে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার পরামর্শ কামরুলের 
কেরানীগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত কমিটি
২০২৩ সালের মধ্যে দেড় কোটি যুবকের কর্মসংস্থান হবে