অধ্যাপক কবীর চৌধুরী স্মরণে বাংলা একাডেমীর শোকসভা

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

দেশবরেণ্য বুদ্ধিজীবী বাংলা একাডেমীর সভাপতি ও সম্মানিত ফেলো জাতীয় অধ্যাপক কবীর চৌধুরীর মৃত্যুতে বাংলা একাডেমী গভীর শোক প্রকাশ করছে।

দেশবরেণ্য বুদ্ধিজীবী বাংলা একাডেমীর সভাপতি ও সম্মানিত ফেলো জাতীয় অধ্যাপক কবীর চৌধুরীর মৃত্যুতে বাংলা একাডেমী গভীর শোক প্রকাশ করছে।

অধ্যাপক কবীর চৌধুরী ছিলেন বাংলা সাহিত্যের একজন অগ্রগণ্য লেখক। বিপুল ও অনন্য অনুবাদকর্মের মধ্য দিয়ে তিনি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের সাহিত্যের সাথে বাংলা ভাষাভাষী পাঠকের যেমন যোগাযোগ ঘটিয়েছেন তেমনি বাংলাদেশের সাহিত্যকে বিশ্বব্যাপী পরিচিত করেছেন। এছাড়া নাটক, চিত্রকলা ও ভাষা-সাহিত্যের নানা বিষয়ে তাঁর গবেষণা আমাদের শিল্প-সাহিত্যের ভুবনকে সমৃদ্ধ করেছে। মহান মুক্তিযুদ্ধে কবীর চৌধুরীর যেমন গৌরবজনক ভূমিকা ছিল তেমনি আমৃত্যু তিনি মৌলবাদী-সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করে গেছেন।

কবীর চৌধুরী ১৯৬৯ থেকে ১৯৭২ পর্যন্ত বাংলা একাডেমীর প্রধান হিসেবে পরিচালক পদে দায়িত্ব পালন করেন।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বাংলা একাডেমীর পরিচালক হিসেবে তিনি অসম সাহসিকতার সঙ্গে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সকল চাপ অনমনীয়ভাবে প্রতিরোধ করেছেন এবং বাংলা একাডেমীতে বসেই মুক্তিযুদ্ধের লিফলেট প্রচার এবং নানাভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করেছেন।
 
একাত্তরের ঘাতক-দালাল, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে নব্বইয়ের দশকে গড়ে ওঠা আন্দোলনে তিনি সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন।

অধ্যাপক কবীর চৌধুরী ২০০৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে আমৃত্যু বাংলা একাডেমীর সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

বাংলা একাডেমী ১৭ ডিসেম্বর ২০১১ শনিবার বিকেল ৪:০০টায় একাডেমীর রবীন্দ্রচত্বরে অধ্যাপক কবীর চৌধুরী স্মরণে শোকসভার আয়োজন করেছে।

বাংলাদেশ সময় ১২০৯, ডিসেম্বর ১৩, ২০১১

আশুলিয়ায় জুয়া খেলার সময় আটক ৫
অসহায় তিন পরিবারের পাশে ঈশ্বরদীর ইউএনও   
ইউজিসির নির্দেশনা উপেক্ষা করে রাবিতে সান্ধ্য কোর্স চালু
রূপগঞ্জে চার প্রতিষ্ঠানে অবৈধ গাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন
অবৈধ বালু উত্তোলন: ড্রেজার মেশিন ধ্বংস-জরিমানা


পুলিশের ভুলে একদিন জেল খাটলেন নিরাপরাধ মিজান
মধুপুরে থাই রাষ্ট্রদূতের কৃষি খামার পরিদর্শন
কুষ্টিয়ায় যুবককে কুপিয়ে-পায়ের রগ কেটে হত্যা
ভৈরবে মাদকদ্রব্য অফিসে আগুনের ঘটনায় মামলা 
৯৯৯ ফোন করে বখাটের হাত থেকে রক্ষা পেলো স্কুলছাত্রী