php glass

শিল্পী হাশেম খানের চিত্রমেলা ২০১০

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

বাংলাদেশের বরেণ্য শিল্পী হাশেম খান। ১৯৬৯ সাল থেকে হাশেম খান এ দেশের সব গণআন্দোলনের সঙ্গে কোনো না কোনোভাবে জড়িত। ছয় দফা আন্দোলনের পোস্টার, লোগো থেকে শুরু করে বাংলাদেশের সংবিধান অলঙ্করণের প্রধান নকশাকারও তিনি।

বাংলাদেশের বরেণ্য শিল্পী হাশেম খান। ১৯৬৯ সাল থেকে হাশেম খান এ দেশের সব গণআন্দোলনের সঙ্গে কোনো না কোনোভাবে জড়িত। ছয় দফা আন্দোলনের পোস্টার, লোগো থেকে শুরু করে বাংলাদেশের সংবিধান অলঙ্করণের প্রধান নকশাকারও তিনি। তবে এসবের বাইরে তিনি সবচেয়ে বেশি পরিচিত শিশু-কিশোরদের বইয়ে তার আঁকা বিচিত্র ছবির জন্য।

শিল্পী হাশেম খান তুলির আঁচড়ের মধ্য দিয়ে বাংলার প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও রাজনীতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত । তার একক চিত্রকলা প্রদর্শনী চলছে জাতীয় জাদুঘরের নলিনীকান্ত ভট্টশালী হলে। ‘বিজয়ের ৪০ বছর : হাশেম খানের চিত্রমেলা ২০১০’ শিরোনামের এ প্রদর্শনী শুরু হয়েছে ১৮ ডিসেম্বর।

প্রদর্শনীতে রয়েছে মোট ৮৩টি চিত্রকর্ম। এখানকার অধিকাংশ ছবিই ২০০৯ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে আঁকা। এর আগে হাশেম খানের আঁকা ছবির শেষ প্রদর্শনী হয় ২০০৫ সালে। কিছুটা ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য প্রদর্শনীতে স্থান দেওয়া হয়েছে ২০০৫ সালের একটি, ২০০৬ ও ২০০৮-এর কিছু ছবি।

প্রদর্শনীর ছবিগুলোতে হাশেম খান বাংলাদেশের বিচিত্র রূপ-রস, ছয় ঋতুর রঙ, মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসের নয়টি নদীর রূপ, মানুষের ব্যথা-বেদনা, গাছ, জাল, নৌকাসহ আদিবাসীদের দুঃখকষ্টও তুলে ধরেছেন। তার বেশ কিছু ছবিতেই দেখা গেছে সবুজের প্রাধান্য। তবে এখানে ফিগারেটিভ ছবির তুলনায় অ্যাবস্ট্রাক্টধর্মী ছবির প্রাধান্য বেশি।

ফিগারেটিভ ছবির মধ্যে তিনি এঁকেছেন কাক, বক, মানুষের মুখ প্রভৃতি। প্রদর্শনীতে বক নিয়ে সিরিজ ছবিও আছে।

প্রদর্শনী চলবে প্রতিদিন সকাল ১২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। শেষ হবে ২ জানুয়ারি।

বাংলাদেশ স্থানীয় সময় ২১২৫, ডিসেম্বর ১৯, ২০১০

ঘটছে দুর্ঘটনা, তবুও উল্টো পথে চলছে গাড়ি
কাতারকে হারিয়ে গালফ কাপের ফাইনালে সৌদি আরব
লন্ডনের বাতাসে নিশ্বাস ১৬০টি সিগারেট গ্রহণের সমান!
আড়াইহাজারে দেশীয় অস্ত্রসহ ৫ ডাকাত আটক
কাউখালীতে খামারে আগুন, ২ হাজার মুরগি পুড়ে ছাই


হাই হিল জুতায় হতে পারে যেসব ক্ষতি
বিকল্প শক্তি গড়তে সাংস্কৃতিক কর্মীদের এগিয়ে আসতে হবে
‘সরকার দেখে না, আর গিরস্থি করতাম না’
ফাওয়াদ আমলা না কী ফাওয়াদ আলম?
কাতারে বাংলাদেশি হাফেজদের কৃতিত্বপূর্ণ সাফল্য