php glass

জহির রায়হান : একাত্তরের গেরিলা নির্মাতা

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

১৯৭১ সালের এপ্রিল মাস। গোপনে মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা করছিলেন। কিন্তু মন ভরছিল না। তাই বড় ভাই শহীদুল্লা কায়সারকে বলেন, ‌‌‌‌`বড়দা, আমি চলে যাব। এখানে থেকে আমি কিছু করতে পারব না। এবার আমি আমার স্বপ্নকে কাজে লাগাব। ক্যামেরায় ধরে রাখতে হবে আমাদের সংগ্রামের ইতিহাস। এতদিন শুধু ক্যামেরা নিয়ে নাড়াচাড়া করেছি।

বহু কাজের ভেতর থেকে এমন একটি কাজ বুদ্ধিজীবীর খুঁজে নিতে হয় যা তিনি দক্ষতার সঙ্গে, সুন্দর করে করতে পারবেন। একবার যদি কাজ করার রণক্ষেত্র নির্ধারিত হয়ে যায়, তাহলে পরের কাজটা হলো ঐ যুদ্ধেক্ষেত্রে শত্রুর শক্ত ভিত খুঁজে বের করা এবং সেখানে আঘাত হানার কৌশল নির্ধারণ করা।
(সোলানাস ও গেতিনো ১৯৭১: ৪৭)

১৯৭১ সালের এপ্রিল মাস। গোপনে মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা করছিলেন। কিন্তু মন ভরছিল না। তাই বড় ভাই শহীদুল্লা কায়সারকে বলেন, ‌‌‌‌`বড়দা, আমি চলে যাব। এখানে থেকে আমি কিছু করতে পারব না। এবার আমি আমার স্বপ্নকে কাজে লাগাব। ক্যামেরায় ধরে রাখতে হবে আমাদের সংগ্রামের ইতিহাস। এতদিন শুধু ক্যামেরা নিয়ে নাড়াচাড়া করেছি। এবার দিন এসেছে, মানুষের জন্য কাজে লাগাতে হবে আমার ক্যামেরা।` (পান্না কায়সার, অনুপম হায়াতের উদ্ধার ২০০৭ : ৪৩)

এরপর জহির রায়হান চলে যান কলকাতায়। সেখানে জুন থেকে আগস্ট মাসের মধ্যে তৈরি করেন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ওপর প্রথম প্রামাণ্যচিত্র ‘স্টপ জেনোসাইড’। তিনি গল্প লিখতেন, উপন্যাস লিখেছেন, সাংবাদিকতাও করেছেন। সেই বিচারে তিনি বুদ্ধিজীবী। সোলানাস ও গেতিনো যেমনটা বলেছেন, অনেক কাজের মধ্য থেকে বুদ্ধিজীবীর একটা কাজ বেছে নিতে হয় লড়াই করার জন্য, যে কাজে তিনি হবেন সবচেয়ে চৌকস মানুষ। জহির রায়হান তাঁর অন্যান্য কাজকে পেছনে ফেলে সঙ্গী করলেন চলচ্চিত্রকে। ঐ যুদ্ধেক্ষেত্রেই তিনি রচনা করলেন মুক্তির সংগ্রাম। তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং পশ্চিম পাকিস্তানের বর্বরতাকে দাঁড়া করালেন আন্তর্জাতিক ঘটনার সঙ্গে। ইয়াহিয়াকে দেখালেন হিটলার, মুসোলিনির কাতারে। বাংলাদেশের গণহত্যাকে রাখলেন ভিয়েতনামের পাশে। সাম্রাজ্যবাদকে তিনি ঘৃণা জানালেন লেনিনের জবানে।

ক্যামেরা নিয়ে জহির রায়হান একবার গেছেন বাংলাদেশ সীমান্তের রণক্ষেত্রে আর অসহায় দেশত্যাগী মানুষের মিছিলে, আবার ফিরে এসেছেন ভারতের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং শরণার্থী শিবিরে। একাত্তর সালে তিনি রীতিমতো গেরিলা। আর্জেন্টিনার চলচ্চিত্রকর্মীরা যাদের গেরিলা চলচ্চিত্রকার হিসেবে কল্পনা করেছিলেন, যে তৃতীয় চলচ্চিত্রের রূপরেখা তাঁরা হাজির করছিলেন, বাংলাদেশে জহির রায়হান ছিলেন সেসবেরই প্রতিভূ। তৃতীয় চলচ্চিত্র আন্দোলনের কর্মীরা মনে করেন, বিপ্লবী ছবি তৈরির জন্য বিপ্লবী সরকার কিংবা অনুকূল পরিবেশের দরকার নাই। শত প্রতিকূলতা ও সীমাবদ্ধতার ভেতরই উজ্জীবিত করার মতো ছবি তৈরি সম্ভব। লাতিন আমেরিকায় বিপ্লবের জোয়ার থেকেই তৃতীয় চলচ্চিত্রের ধারণা উৎসারিত। তৃতীয় চলচ্চিত্রকার মানেই গেরিলা যোদ্ধা। কে গেরিলা যোদ্ধা? যিনি সমাজ ব্যবস্থার পরিবর্তন চান। যিনি নিজ দেশের মানুষের অপমান ও দারিদ্র্য সইতে না পেরে হাতে অস্ত্র তুলে নেন। যিনি নিজেকে উৎপীড়কের বিরুদ্ধে জাগ্রত বিক্ষুব্ধ জনতার একজন মনে করেন। চে গুয়েভারার মানসে তিনিই একজন গেরিলা। (গুয়েভারা ১৯৬০: ৬৬) বাংলাদেশের মানুষের ওপর যে অন্যায়-অত্যাচার চলছিল সেটার জবাব দিতে এ দেশের বাঙালি ও আদিবাসীরা তুলে নিয়েছিলেন মারণাস্ত্র, জহির রায়হানও শামিল হন তাঁদের সঙ্গে, তাঁর অস্ত্র ছিল ক্যামেরা। বন্দুক কিংবা ক্যামেরা হাতে সমাজকে পাল্টে দেওয়ার সংগ্রামে উভয়ই গেরিলা। গেরিলা যোদ্ধা আর গেরিলা চলচ্চিত্রকার তাই লাতিন আমেরিকায় হয়ে ওঠে সমার্থক। বাংলাদেশেও গেরিলা জহির রায়হান একাত্তর সালে দেখিয়েছেন ক্যামেরা হাতে যুদ্ধ করা সম্ভব।

জহির রায়হানের চলচ্চিত্রকে বুলেট আর ক্যামেরাকে আগ্নেয়াস্ত্র মনে করার বিষয়টি একদিনে গড়ে ওঠেনি। তিনি তরুণ বয়স থেকেই জড়িত ছিলেন রাজনৈতিক নানা আন্দোলন-সংগ্রামে। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে ঢাকায় প্রথম দশ জনের যে দলটি ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে সেটির মধ্যে জহির রায়হান ছিলেন একজন। ’৬৮ থেকে ’৭০ সাল, তিনি প্রকাশ্যে ও গোপনে চালিয়ে গেছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড। কমরেড মণি সিংহের নেতৃত্বে কাজ করেছেন কমিউনিস্ট পার্টি ও সংশ্লিষ্ট অঙ্গসংগঠনের সঙ্গে। ক্যামেরা হাতে সক্রিয় ছিলেন ’৬৯ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত কৃষক সমিতির বিক্ষোভ সমাবেশে।

তৃতীয় বা গেরিলা চলচ্চিত্রের ইশতেহারে যখন ঘোষণা হচ্ছে হলিউডি চলচ্চিত্রের শৈলী, বিপণন ও বাজারজাত প্রক্রিয়া থেকে বেরিয়ে আসতে হবে, নইলে সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো যাবে না, তখন তারও প্রায় বছর ছয়েক আগে, ১৯৬৫ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত পাকিস্তান চলচ্চিত্র উৎসবে রায়হান বলছেন, ‌‌‌`... উচ্চকণ্ঠে ধ্বনিত হয়েছে তারকা প্রথা পুঁজিপতিদের মুনাফা শিকারের হাতিয়ার। মার্কিন মুল্লুক থেকে অর্থগৃধ্নু ব্যবসায়ীরা এ প্রথার আমদানি করেছে। এ প্রথার বিলোপ করে সাম্রাজ্যবাদীদের কুটিল চক্রান্ত বানচাল করে দাও। যৌথ কাজের মনোভাব সৃষ্টি কর।` (হায়াৎ ২০০৭: ৩০)

সেই মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের দোসর পশ্চিম পাকিস্তানের নৃশংস গণহত্যাকে ধমক দিতেই রায়হান তৈরি করেন ‘স্টপ জেনোসাইড’। এই ধমকটা আমরা প্রত্যক্ষ করি যখন মার্কিন যুদ্ধবিমান ভিয়েতনামে নির্বিচারে বোমা ফেলে, যখন পশ্চিম পাকিস্তানের সামরিক জান্তার অত্যাচার পিছু ধাওয়া করে আবাল-বৃদ্ধ-বনিতার, যখন মানবতা আক্রান্ত হয় মানুষের পাশবিক আচরণে। প্রতিটি অন্যায় ও অত্যাচারের শেষেই রায়হান বলে ওঠেন ‘স্টপ’। এই বন্ধ করার ধমক তখন বিশ্বমানবতার আহ্বানে রূপ নেয়। জাতীয় মুক্তির আন্দোলন মানবতার বৃহত্তর লড়াইয়ে উন্নীত হয় এই চলচ্চিত্রে। বিশ্বের অন্যান্য যেসব দেশে সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে মানুষ লড়াই-সংগ্রাম করছে, এই ছবি হয়ে ওঠে তাদেরও কণ্ঠস্বর। জাতীয় মুক্তির আন্দোলন যে পুঁজিবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে অসীম শক্তি সঞ্চয় করার সম্ভাবনা রাখে সেটি আগেই অঙ্ক কষে রেখেছিলেন বিপ্লবী নেতা লেনিন। (লেনিন, ডোবারের উদ্ধার ১৯৭২: ২২০) লাতিন আমেরিকায় সেই শক্তি সঞ্চয়ের নমুনা আমরা দেখেছি। কিন্তু বাংলাদেশে তা দেখা যায়নি। কেন দেখা যায়নি সেটা ভিন্ন আলোচনা।

যা হোক, কলকাতায় অদ্রেঁ ওয়াজদা, সান্তিয়াগো আলভারেজের ছবিসহ কিউবার কয়েকটি ছবি দেখার সুযোগ হয় জহির রায়হানের। বিশেষ করে কিউবার পরিচালক আলভারেজের ছবি ‘আস্তা লা ভিক্তোরিয়া সিয়েম্প্রে’ (১৯৬৭) রায়হানকে দারুণভাবে প্রভাবিত করে। হাতের কাছে যা কিছু আছে তা দিয়েই সম্পাদনার টেবিলে আলভারেজ যেমন তৈরি করেছিলেন ‘আস্তা লা ভিক্তোরিয়া সিয়েম্প্রে’, জহির রায়হানও তেমনি বানিয়েছিলেন ‘স্টপ জেনোসাইড’। বিপ্লবী চে গুয়েভারার মৃত্যুর খবর যে জনসভায় রাষ্ট্র করেন ফিদেল কাস্ত্রো, সেখানেই প্রদর্শিত হয় মাত্র ৪৮ ঘণ্টায় নির্মিত আলভারেজের ছবিটি। (লিহাই ২০০২: ২) আলভারেজ চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেন চের প্রয়াণকে উদ্দেশ্য করেই।

ষাট-সত্তরের দশকে লাতিন আমেরিকায় গেরিলা চলচ্চিত্রের যে জোয়ার আসে সেটারই ঝাণ্ডা দেখা যায় জহির রায়হানের হাতে একাত্তর সালে। একই সময়ে স্বাধীনতা ও মুক্তির আন্দোলনকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয় আরো তিনটি ছবি। এর মধ্যে ‘এ স্টেট ইজ বোর্ন’ ছবিটিও পরিচালনা করেন জহির রায়হান। আর বাকি দুটো ছবির প্রযোজক ছিলেন তিনি (আলমগীর কবির পরিচালিত ‘লিবারেশন ফাইটারস’ এবং বাবুল চৌধুরী পরিচালিত ‘ইনোসেন্ট মিলিয়নস’) । ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে নির্মিত এসব ছোট ছোট ছবিই সে সময় হয়ে উঠেছিলো সত্য প্রচারের একমাত্র বাহক। বলা বাহুল্য নয়, এসব চলচ্চিত্রের নেতৃত্ব দিয়েছেন জহির রায়হান।

জহির রায়হানের এসব গেরিলা চলচ্চিত্র নির্মাণে যোগ্য সহযোগী ছিলেন আলমগীর কবির। একাত্তরের নভেম্বরের শেষ দিকে, `মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের প্রাক্কালে জহির রায়হানের নেতৃত্বে দুটি চলচ্চিত্র ইউনিট গঠিত হয়। একটির নেতৃত্বে থাকেন জহির রায়হান এবং অপরটির নেতৃত্বে থাকেন আলমগীর কবির। জহির রায়হান ঢাকা-ময়মনসিংহ নিয়ে গঠিত পূর্ব সেক্টরে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বর্বতার চিহ্ন এবং মিত্রবাহিনীর অগ্রাভিযান ক্যামেরায় ধরে রাখেন।` (আলমগীর কবির, হায়াতের উদ্ধার ২০০৭: ৪৫)

কলকাতা থেকে জহির রায়হান ১৮ ডিসেম্বর যখন স্বাধীন দেশে ঢুকছেন, তখনো ক্যামেরা হাতে একনিষ্ঠ চলচ্চিত্রকর্মীর মতো তুলেছেন বিজয় উল্লাসের ছবি। বড় ভাই শহীদুল্লা কায়সারের স্ত্রী পান্না কায়সার স্মৃতি থেকে বলেন, `পাগলের মতো কাজ করে যাচ্ছে ক্যামেরা নিয়ে। ভুলেই গেল বাড়িতে ওর বড়দা-মা-ভাই-বোন অপেক্ষা করছে ওর জন্য।` (হায়াৎ ২০০৭: ৪৬) ঠিক ঐ সময়ই জহির রায়হান জানতে পারেন, বড় ভাই ১৪ ডিসেম্বর থেকে নিখোঁজ। শুরু হয় নতুন সংগ্রাম। বুদ্ধিজীবী হত্যার নেপথ্যের চক্রকে ধরতে উঠেপড়ে লাগেন তিনি। `সংগ্রহ করেন হানাদার বাহিনীর অনেক সহযোগীর নাম, বুদ্ধিজীবী হত্যার জন্য দায়ী করেন সরকারকে। সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে ঘোষণা করেন যে, তিনি শ্বেতপত্র প্রকাশ করবেন এবং মুজিবনগর সরকারের অনেক গোপন তথ্যও ফাঁস করে দেবেন।` (শাহরিয়ার কবির, হায়াতের উদ্ধার ৪৬-৪৭) কে জানে হয়তো ঐ কর্মকাণ্ড ও হুমকির খেসরাতই দিতে হয়েছিল গেরিলা এই চলচ্চিত্র-নির্মাতাকে। উড়ো ফোন পেয়ে ১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারি নিখোঁজ বড় ভাই শহীদুল্লা কায়সারকে খুঁজতে তিনি ছুটে যান মিরপুরে। মিরপুর ছিল পশ্চিম পাকিস্তানি সেনাদের দোসর বিহারি অধ্যুষিত এলাকা। শোনা যায় সেদিন তাদের সশস্ত্র হামলাতেই প্রাণ হারান তিনি। লাশও গুম করে ফেলে পাকিস্তানের দোসররা। তবে উড়ো ফোনের বিষয়টি আমলে নিলে রায়হানের মৃত্যু বা অন্তর্ধান রহস্যাবৃতই রয়ে যায়।

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্প যখন জহির রায়হানের হাত ধরে এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হচ্ছিল, ঠিক সে সময় তাঁর চলে যাওয়া দুর্ভাগ্যজনক। তাঁর সবচেয়ে যোগ্য সহযোগীদের মধ্যে আলমগীর কবির এরপর কিছু ছবি তৈরি করেছেন কিন্তু গেরিলা চলচ্চিত্রের দর্শন থেকে সেসব ছিলো হাজার মাইল দূরে। পরিতাপের বিষয়, চলচ্চিত্রের যে চর্চা একাত্তরে জহির রায়হান এবং তাঁর সহযোগীরা করেছিলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর, অনুকূল পরিবেশে ঐ সহযোগীরা তো নয়ই, অন্য কেউই আর ঐ পথ মাড়াননি। তাই বলা যায়, তৃতীয় চলচ্চিত্র আন্দোলন জহির রায়হানের হাত ধরেই এসেছিল এই ভূখণ্ডে আবার তাঁর হাত ধরেই চলে গেছে। সমাজকে পাল্টে দেয়ার ব্রত নিয়ে আর কেউ গেরিলা চলচ্চিত্রকার হননি বাংলাদেশে। তবে কেউ যে স্বপ্নটাকে লালন করছেন না, সেটা কি কেউ হলফ করে বলতে পারে?      

পাঠসূত্র:

  • Solanas, Fernando & Getino, Octavio, 1971, Towards a Third Cinema, Movies and Methods (Volume 1): An Anthology, edited by Bill Nichols (1976), Seagull Books, Kolkata.
  • Guevara, Che, 1960, The essence of guerrilla struggle, Che Guevara Reader: Writings on Politics & Revolution, edited by David Deutschmann (2003), Left Word, 2009, Delhi.
  • Dober, V. (designed by), 1972, The World Socialist System and Anti-Communism, translated by A. Bratov, Progress Publishers, Moscow.
  • Leahy, James, 2002, Films that make a difference: SantiagoAlvarez and the Politics of Bengal, Senses of Film (a magazine on Film), Melbourne, Australia.
  • হায়াৎ, অনুপম, ২০০৭, জহির রায়হানের চলচ্চিত্র: পটভূমি বিষয় ও বৈশিষ্ট্য, দিব্য প্রকাশ, ঢাকা।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু: ক্যাটরিনা
ভারতের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ‘কোর ক্যাচার’ স্থাপন
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক
বরিশালে ৩ জনকে হত্যা: নিহত বৃদ্ধার পুত্রবধূ গ্রেফতার
দ্বিতীয় দিনে জমে উঠেছে স্বল্প ও মুক্ত চলচ্চিত্র উৎসব


সুদীপ্ত হত্যা মামলার আসামিসহ কারাগারে ৪
বরিশালে ৩ জনকে হত্যা: দুই আসামির স্বীকা‌রো‌ক্তি
তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে অভিযান জরুরি
ম্যাক্স হাসপাতালের এমডির বিরুদ্ধে মামলা
খালেদা জিয়ার মেডিক্যাল রিপোর্ট দিতে বিএনপির আহ্বান