php glass

বেঙ্গলে শিল্পগুরু সফিউদ্দীন আহমেদের প্রদর্শনী

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

ধানমন্ডি বেঙ্গল গ্যালারিতে ২৬ নভেম্বর ২০১০ বিকেল ৫টায় শুরু হলো শিল্পগুরু সফিউদ্দীন আহমেদের সৃষ্টিসমগ্র নিয়ে ‘শিল্পের অশেষ আলো’ (The Limitless Luminosity of Art ) শিরোনামে দুই পর্বের প্রদর্শনীর প্রথম পর্ব।

ধানমন্ডি বেঙ্গল গ্যালারিতে ২৬ নভেম্বর ২০১০ বিকেল ৫টায় শুরু হলো শিল্পগুরু সফিউদ্দীন আহমেদের সৃষ্টিসমগ্র নিয়ে ‘শিল্পের অশেষ আলো’ (The Limitless Luminosity of Art ) শিরোনামে দুই পর্বের প্রদর্শনীর প্রথম পর্ব।

২৬ নভেম্বর ২০১০ শুক্রবার বিকেল ৫ টায় বেঙ্গল শিল্পালয়ে দুই সপ্তাহব্যাপী প্রথম পর্বের প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরেণ্য শিক্ষাবিদ অধ্যাপক জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী এবং শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী।

শিল্পগুরু সফিউদ্দীন আহমেদের শিল্পিত মানসযাত্রায় ছাপচিত্র সৃজন ও উৎকর্ষের দিক থেকে অবিস্মরণীয় সৃষ্টি। চল্লিশের দশকে কলকাতা আর্ট স্কুলে অধ্যয়নকালেই তিনি ছাপচিত্রে দক্ষতা অর্জন করেন। তিনি সেই সময়ে কয়েকটি অসাধারণ কাজের জন্য ছাপচিত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠা অর্জন করেন এবং ভারতবর্ষের কলারসিকদের দৃষ্টি আকর্ষণে সমর্থ হন। পরবর্তীকালে একক সাধনায় এই মাধ্যমের সৃষ্টিকে করে তোলেন আরো শিল্পগুণসম্পন্ন এবং সমৃদ্ধ। তাঁর দীক্ষায় দীক্ষিত হয়ে অগণিত শিক্ষাব্রতী এ মাধ্যমটিকে করে তুলেছেন অনন্য। সফিউদ্দীন আহমেদ ১৯৫৬ সালে লন্ডনে ছাপচিত্রে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করেন। ছাপাই ছবির করণকৌশলের নানা দিক ও সূক্ষাতিসূক্ষ্ম বিষয় এই বিদ্যাচর্চায় আরো পরিশীলিত হয়ে ওঠে।

ইউরোপের শিল্পের অন্বিষ্ট ভুবনে বিচরণ তাঁর শিল্পীসত্তাকে করে তোলে পরিণত। দীর্ঘদিনের শিল্পচর্চা ও সাধনায় ঋদ্ধ হয়ে ওঠে তাঁর সৃষ্টিশীলতা। এর সঙ্গে মিশ্রিত হয় তাঁর আধুনিকতাবোধ এবং শিল্পের ও জীবনের প্রতি অঙ্গীকার।

পঞ্চাশের দশক থেকে একবিংশ শতাব্দীর সূচনাপর্বে আঁকা সফিউদ্দীন আহমেদের ছবিতে দেখা যায়, তাঁর ভাবনা কতভাবেই না দীপ্তিময় ও সুষমাময় হয়ে উঠেছে। গত শতাব্দীর পঞ্চাশের ও ষাটের দশকে করা বন্যার অভিজ্ঞতা, জাল, জেলে, জেলের স্বপ্ন, গুন টানা, কান্না ও রাজনৈতিক বাস্তবতাকে ঘিরে তিনি যে ছাপাই ছবি করেন, বাংলাদেশের ছাপচিত্রের পথযাত্রায় তা অসামান্য সৃষ্টিকর্ম বলে বিবেচিত হয়েছে।

শিল্পগুরু সফিউদ্দীন আহমেদ ও বাংলাদেশের শিল্প-আন্দোলনের এই অগ্রণী ব্যক্তিত্বের ছাপাই ছবিতে একদিকে ধরা পড়েছে তাঁর শিল্পকুশলতা, ভাবনা ও দীর্ঘদিনের পথপরিক্রমার অর্জিত অভিজ্ঞতা, অন্যদিকে ছাপাই ছবির উত্তরণে তাঁর একাগ্র সাধনার ইতিবৃত্ত। বাংলাদেশের ছাপচিত্রের ইতিহাসে তিনি যেন মুকুটহীন এক স¤্রাট।

বেঙ্গল গ্যালারিতে ২০০৮ সালে সফিউদ্দীন আহমেদের প্রথম একক ড্রইং প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেটি ছিল দেশে তাঁর প্রথম একক প্রদর্শনী।

প্রদর্শনীতে মোট শিল্পকর্মের সংখ্যা ৬৩টি। প্রথম পর্বের প্রদর্শনী চলবে প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। শেষ হবে ৯ ডিসেম্বর ২০১০। এছাড়া রেখা, জলরঙ ও তেলরঙ চিত্রের দ্বিতীয় পর্বের প্রদর্শনী শুরু হবে ১০ ডিসেম্বর, শেষ হবে ২৩ ডিসেম্বর ২০১০ ।

বাংলাদেশ স্থানীয় সময় ১৯৩০, নভেম্বর ২৬, ২০১০

ফেরাউনের বাড়িতেই বেড়ে ওঠেন মুসা
অন্ধকার ময়মনসিংহে আসছে আলো
ডিমলায় দুর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ পেয়ে আনন্দিত ৩৬ পরিবার
পিরোজপুরে গণপূর্ত মন্ত্রীর নেতৃত্বে সুসংগঠিত আ’লীগ
৪৮ বছর ধরে উপেক্ষিত ধনবাড়ীর শহীদ বুদ্ধিজীবী মুহাম্মদ আখতার 


‘বিসমিল্লা’ দিয়ে শেষ হলো দুই বাংলার নাট্যমেলা
জাতিকে মেধাশূন্য করতেই বুদ্ধিজীবী হত্যা: শিল্পমন্ত্রী
বুয়েট কেমিস্ট্রি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সভা
শাবিপ্রবিতে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্বলন
মিরপুরের উইকেটকে ইতিবাচক বললেন ঢাকার কোচ সালাউদ্দিন