গ্রীষ্মে শরীর শীতল রাখবে অ্যালোভেরা পাঞ্চ

স্বাস্থ্য ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

.

ঢাকা: প্রাচীনকাল থেকেই ভারতীয় উপমহাদেশের ভেষজশাস্ত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে থাকা উদ্ভিদের নাম অ্যালোভেরা। পুষ্টিবিদদের মতে, অ্যালোভেরা এন্টিটক্সিডেন্টে ভরপুর। বিশেষ করে গ্রীষ্মে এই উদ্ভিদের গুরুত্ব অপরিসীম। কারণ এই মৌসুমেই শরীরে সংক্রমণের সম্ভাবনা বেশি। তাছাড়া শরীর শীতল রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে এ উদ্ভিদ।

php glass

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী একটি বহুজীবী ভেষজ উদ্ভিদ এবং দেখতে অনেকটা আনারস গাছের মতো। এর পাতাগুলো পুরু, দুই পাশে কাঁটা এবং ভেতরে পিচ্ছিল শাঁস (জেল) থাকে।

আয়ুর্বেদি চিকিৎসায় বহুলভাবে ব্যবহৃত হয় উদ্ভিতটি। ত্বকের ফুসকুড়ি, পোড়া ও খুশকি দূর করতে অ্যালোভেরা জেল লাগানো হয়। এছাড়াও জুস তৈরিতে, খাদ্যের পুষ্টিবর্ধন উপাদান হিসেবে ও ঘরবাড়ির সাজ-সজ্জায় ব্যবহৃত হয় এ উদ্ভিদ। 

এর জেল পান করলে পরিপাকক্রিয়া সহজ হয় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। শরীরের শক্তি যোগানসহ ওজনকে ঠিক রাখতে সাহায্য করে তা।

সুতরাং গ্রীষ্মকালে খেলাধুলা, মর্নিং ওয়াক বা শারীরিক কসরতের সময় দেহকে ঠাণ্ডা রাখতে ও ক্লান্তি দূর করতে পান করতে পারেন বিভিন্ন ভেষজ সবজি মিশ্রিত এক গ্লাস অ্যালোভেরা পাঞ্চ (পাঁচমিশালি)। ঘরে বসে নিজে নিজে অ্যালোভেরা পাঞ্চ তৈরির সুবিধার্থে বাংলানিউজের পাঠকদের জন্য দেওয়া হলো তা প্রস্তুতের একটি কার্যকর রেসিপি।

উপাদান:
শসা ১টি
লেবু ১টি
কমলা ১টি
সতেজ মিন্ট (পুদিনা)
ডাব/নারিকেলের পানি ২৫০ মিলিলিটার
অ্যালোভেরা জুস ১৫০ মিলিলিটার
মধু ৫ মিলিলিটার

প্রস্তুত পদ্ধতি:
১. ছোট ছোট টুকরায় শসা, কমলা লেবু ও পুদিনা একত্র করে এর মধ্যে লেবুর রস ঢেলে দিন।
২. আলাদা একটি পাত্রে ডাবের পানি, অ্যালোভেরা জুস ও মধুর মিশ্রণ তৈরি করুন।
৩. মিশ্রণটির সঙ্গে শসা, কমলা লেবু ও পুদিনা একত্র করে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে গ্লাসে পরিবেশন করুন।

বাংলাদেশ সময়: ০৯০০ ঘণ্টা, মে ১৭, ২০১৮
এনএইচটি/এএ

বরিশাল নগরে যাত্রী ওঠা-নামার জন্য স্ট্যান্ড হবে 
জাতির বীরসন্তানদের রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
এক সন্তান প্রসবের ২৬ দিন পর ফের জমজ জন্মদান
কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-দূতাবাসে গণহত্যা দিবস পালিত
জাতীয় গণহত্যা দিবস পালিত হলো পাকিস্তানে


‘পাকিস্তানিরা বাঙালিদের কুকুর-বিড়াল মনে করতো’
বিধি লঙ্ঘনে এমপি খোকাকে সোনারগাঁও ছাড়ার নির্দেশ ইসির
কালরাত্রি স্মরণে ‘ব্ল্যাক আউট’ সিলেটেও
গণহত্যা দিবসের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দাবিতে রাজশাহীতে
শহীদেরা অন্ধকারকে জয় করে আমাদের জীবনে আলো জ্বেলে গেছেন